আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
9 views
in পবিত্রতা (Purity) by (30 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ, উস্তাদ।

আমি মেহেদি দিতে পারি না। সামনের ঈদে মেহেদি দেয়ার ইচ্ছা আছে। বর্তমানে অনলাইনে অনেক ডিজাইনের মেহেদি স্টিকার এবং ট্যাটু পাওয়া যায়। মেহেদি স্টিকার এবং ট্যাটু হাতে থাকা অবস্থায় ওজু করলে ওজু হবে কি? বিস্তারিত জানতে চাই। আর এমন প্রশ্ন করার সুব্যবস্থার জন্য জাঝাকুমুল্লাহ খইর। অনেক উপকৃত হচ্ছি, আলহামদুলিল্লাহ। এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন দুনিয়া ও আখিরাতে সর্বোত্তম জাঝা দান করুন, আমিন।

1 Answer

0 votes
by (754,620 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
শরীরে এমন কিছু লেগে থাকলে যা ওজু গোসলের সময় শরীরে পানি পৌছতে বাধা প্রদাণ করে।শরীর এমন জিনিষ লেগে থাকাবস্থায় ওজু-গোসল কিছুই হবে না। বিশেষ প্রয়োজনে মূল নকের পরে অতিরিক্ত নক সম্পর্কে শরীয়তে কিছুটা শীতিলতা রয়েছে।যা আমরা ইতিপূর্বে দেখেছি।

এখন পশ্ন হল,বাজারে পাওয়া যাওয়া মেহেদি কি পানি পৌঁছতে বাধা প্রদাণ করে।উত্তরে বলা যায়, এক্ষেত্রে ত্বক বিশেষজ্ঞদের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে।যদি পানি পৌছতে বাধা দেয় তাহলে তো এগুলো হাতে দেয়ার পর ওজু হবে না।আর যদি পানি পৌঁছতে বাধা না দেয়,তাহলে তো ওজু হবে।বিস্তারিত জানুনঃ (কিতাবুন-নাওয়াযিল-৩/৯৫)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
গাছের মেহেদি শরীরে পানি পৌছতে বাঁধা প্রদাণ করে না। বিধায় তা হাতে দিলে অজুতে কোনো প্রকার সমস্যা হবে না। এবং বাজারে পাওয়া যাওয়া মেহেদি সম্পর্কে ত্বক বিশেষজ্ঞদের সিদ্ধান্তের উপর হুকুম প্রবর্তিত হবে।আমাদের জানামতে টিউব মেহেদি পানি প্রতিবন্ধক নয়। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1024

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
মেহেদি স্টিকারকে মেহেদিই মনে হচ্ছে না। এটা ট্যাটুর এক প্রকার মনে হচ্ছে। যদি এটা পানি প্রতিবন্ধক না হয়,তাহলে অজু হবে। পানি প্রতিবন্ধক কি না তা প্রমাণিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এত্থেকে বেচে থাকতে হবে। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...