জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০২)
এতে তাদের কোনো হক নষ্ট হয়না।
(০৩)
মহান আল্লাহ বলেন,
وَلَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ فِيمَا أَخْطَأْتُمْ بِهِ وَلَكِنْ مَا تَعَمَّدَتْ قُلُوبُكُم
“ভুলক্রমে তোমরা যা করে ফেল সে সম্পর্কে তোমাদের কোনও গুনাহ নেই। কিন্তু তোমাদের অন্তর যার ইচ্ছা করে তার কথা ভিন্ন।” [সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৫]
তিনি আরও বলেন,
رَبَّنا لا تُؤاخِذنا إِن نَسينا أَو أَخطَأناّ
“হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা যদি ভুলে যাই কিংবা হঠাৎ অনিচ্ছাবশত: কোন ভুল করে ফেলি তবে আমাদেরকে ধরিও না।” [সূরা বাকারা: ২৮৬]
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
«إِنَّ اللَّهَ قَدْ تَجَاوَزَ عَنْ أُمَّتِي الْخَطَأَ ، وَالنِّسْيَانَ ، وَمَا اسْتُكْرِهُوا عَلَيْهِ»
“আমার উম্মতের হঠাৎ ঘটে যাওয়া ভুল, স্মরণ না থাকার কারণে ঘটে যাওয়া অন্যায় এবং জোরজবরদস্তি করে কৃত অপরাধকে ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে।” [ইবনে মাজাহ: ২০৪৩; সহীহ ইবনে হিব্বান: ৭১৭৫, বায়হাকি-হাসান]
কুরআন আল্লাহ তাআলা কিতাব। আর প্রত্যেক মুসলমানই অন্তর থেকেই পবিত্র কুরআনুল কারিমকে সর্বোচ্চ সম্মান করে থাকে। কোনো ব্যক্তিই চায় না যে পবিত্র কুরআনুল কারিমের বিন্দুমাত্র অসম্মান হোক। তারপরও অনেক সময় ভূলঃবশত পা না লাগে,বা হাত থেকে হোক আর কোনো স্থান থেকে হোক কুরআন পড়ে যায়।
কুরআনে পা লাগা বা হাত থেকে পড়ে যাওয়া সম্পর্কে এমন অনেক কথাই আমরা শুনে থাকি, তাতে করণীয় কী? এর সমাধান হলো- যদি কখনো ভুলে কুরআনে পা লাগে বা হাত থেকে কিংবা কোনো স্থান থেকে কুরআন মাজিদ নিচের দিকে পড়ে যায়, তবে সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে তা ওঠিয়ে নেয়া এবং পবিত্র কুরআনে চুম্বন করা। এর জন্য আমাদের সমাজে অনেকে ছদকাহ করে থাকে,তবে এই বিধান শরীয়তে নেই। তবে কেহ এমনটি করলে কোনো সমস্যা নেই।
আরো জানুনঃ-
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
আমলি সূরার বইয়ে যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে পা লেগে যায়, তাহলে তা চুম্বন করা যাবে।
(০৪)
দরুদের শেষে (ﷺ) বলা আবশ্যক নয়।
ﷺ তো মূলয় দরুদ,সুতরাং দরুদের শেষে আবার ﷺ বলতে হবেনা।
(০৫)
এ সংক্রান্ত জানুনঃ-
(০৬)
এক্ষেত্রে উক্ত বইটি যদি কোনো সংরক্ষিত প্রকাশনা হতে প্রকাশিত না হয়ে থাকে সেই ক্ষেত্রে তাহা শেয়ার করাতে লেখক বা প্রকাশকের হক নষ্ট হবেনা।
(০৭)
এক্ষেত্রে ইসলামী স্কলারদের মাঝে মধ্যে দুই ধরনের কথা পাওয়া যায়:
যারা জায়েজ বলেন:
তারা বলেন, যদি “দুজাহানের বাদশাহ” বলা হয় মাজাযি অর্থে অর্থাৎ সম্মান, মর্যাদা, নেতৃত্ব ও প্রভাবের দিক থেকে—এবং মনে রাখা হয় যে প্রকৃত মালিক আল্লাহ, তাহলে তা কবিতা/নাতে বা প্রশংসাসূচক ভাষায় বলা যেতে পারে।
যারা বলা থেকে বিরত থাকতে বলেন (সাবধানতার জন্য):
তাদের মতে “বাদশাহ” শব্দটি বাস্তব শাসন ও মালিকানার অর্থ দেয়, যা আল্লাহর জন্যই নির্দিষ্ট। তাই বিভ্রান্তি এড়াতে এই শব্দ ব্যবহার না করাই উত্তম।
(০৮)
এ সংক্রান্ত জানুনঃ-
(০৯)
এক্ষেত্রে সবচেয়ে সতর্কতা হল কাউকে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে দিবেন না। তাহলে আর কোন সমস্যা হবে না।
নতুবা কিছুটা হলেও গুনাহের কাজে সহযোগিতা হয়েই যায়।
হ্যাঁ যদি তারা আপনার রাউটারেরও কিছু টাকা দেয় এবং তার বাবদ সহ আনুসাঙ্গিক যা খরচ হয়েছে সেটারও কিছু টাকা দিয়ে আপনার পুরো ওয়াইফাই সংযোগের ক্ষেত্রেও তাদের আংশিক মালিকানা যদি সাব্যস্ত হয়,এবং প্রতি মাসে অর্ধেক খরচও দেয়, সে ক্ষেত্রে সেই ওয়াইফাই সংযোগ নিয়ে তারা কোনো গুনাহ করলে তাদের গুনাহের দায়ভার তাদের দিকেই বর্তাবে। আপনার উপর নয়।
(০১)
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়। কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।
আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন। যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে।
আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন।