ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(ক)
যে ব্যক্তি জুনুবি (গোসল ফরয) অবস্থায় নামায পড়াকে বৈধ মনে করে, অথবা দ্বীন ইসলাম বা শরীয়তের বিধিবিধানকে তুচ্ছ করার নিয়তে জুনুবি অবস্থায়ও নামায পড়াকে বৈধ মনে করে, সেই ব্যক্তির ঈমান চলে যাবে।তার জন্য ঈমান নবায়ন করা বা বিবাহকে দোহড়ানো ওয়াজিব হয়ে যাবে। পক্ষান্তরে যেই ব্যক্তি জুনুবি অবস্থায় নামায পড়াকে বৈধ মনে করে না তবে অলসতা বা না জেনে কিংবা ভুলে নামায পড়ে নেয়, তার ঈমান চলে যাবে না। তাকে ঈমান নবায়ন করতে হবে না। তবে তার অবশ্যই গোনাহ হবে।
(খ)
যদি কোনো ব্যক্তি জুনুবি অবস্থায় গোসল করে নেয়, এবং নামায পড়ে, পরবর্তীতে জানা যায় যে, তার গোসল হয়নি, তাহলে ঐ ব্যক্তির উপর গোসল করে আবার নামাযকে দোহড়িয়ে পড়া ওয়াজিব। যেহেতু ঐ ব্যক্তি জেনে বুঝে বা ইচ্ছাকৃত গোসল ফরয অবস্থায় নামায পড়েনি তাই আশা করা যায় যে, ঐ ব্যক্তির কোনো গোনাহ হবে না। তথাপি ঐ ব্যক্তির উচিত তাওবাহ ইস্তেগফার করা। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/1019
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার ভাইয়ের ঈমানে কোনো সমস্যা হবে না। তবে অলসতা করে গোসল ফরয অবস্থায় নামায পড়ার জন্য, কুরআন স্পর্শ করার জন্য আপনার ভাইয়ের গোনাহ হবে।