আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
28 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (4 points)
আসসালামু আলাইকুম হুজুর।
আমার ভাইয়ের আকিদা তুলে ধরছি।
আমার ভাই আল্লাহর পাক পবিএতার বিধান স্বীকার করে। নামাজ পড়তে অজু, পাক শরীর ও পবিএ কাপড় লাগবে ওনি এ বিষয়টি স্বীকার করে।
তবুও ওনি জেনে বুঝে ইচ্ছে করে অজু ছাড়া, নাপাক শরীরে ও নাপাক কাপড়ে ওনি নামাজ পড়ে লোক দেখানোর জন্য।
ওনি আল্লাহর পাক পবিএতার বিধান তুচ্ছ ও মূল্যহীন চোখে দেখে।
যদিও ওনি আল্লাহর পাক পবিএতার বিধান স্বীকার করে। কিন্তু তবুও ওনি আল্লাহর পাক পবিএতার বিধান নগণ্য ও অপ্রয়োজনীয় চোখে দেখে।
উনি ওনার স্বেচ্ছাচারী মনোভাব আল্লাহর পাক পবিএতার বিধানের উপর প্রাধান্য দেয়।
তার জীবনে আল্লাহর বিধানকে সে পরোয়াহীন ও তোয়াক্কাহীন চোখে দেখেছে।
আল্লাহর পাক পবিএতার বিধানের প্রতি তার শ্রদ্ধা ও সম্মান নেই।
সবকিছু জেনে বুঝে ইচ্ছে করে আল্লাহর পাক পবিএতার বিধানের সাথে এমন করেছে নিজের খেয়াল খুশিমতো চলার জন্য।
* একইভাবে জেনে বুঝে ইচ্ছে করে উনি অজু ছাড়া, নাপাক শরীরে ও নাপাক কাপড়ে কুরআন স্পর্শ করে।
যদিও আমার ভাইয়ের দাবি, ইসলামের সকল বিধানকে সে স্বীকার করে।
★ আমার ভাইয়ের এমন কাজকর্মের ফলে তার ইমান চলে যাবে?

1 Answer

0 votes
by (750,600 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(ক)
যে ব্যক্তি জুনুবি (গোসল ফরয) অবস্থায় নামায পড়াকে বৈধ মনে করে, অথবা দ্বীন ইসলাম বা শরীয়তের বিধিবিধানকে তুচ্ছ করার নিয়তে জুনুবি অবস্থায়ও নামায পড়াকে বৈধ মনে করে, সেই ব্যক্তির ঈমান চলে যাবে।তার জন্য ঈমান নবায়ন করা বা বিবাহকে দোহড়ানো ওয়াজিব হয়ে যাবে। পক্ষান্তরে যেই ব্যক্তি জুনুবি অবস্থায় নামায পড়াকে বৈধ মনে করে না তবে অলসতা বা না জেনে কিংবা ভুলে নামায পড়ে নেয়, তার ঈমান চলে যাবে না। তাকে ঈমান নবায়ন করতে হবে না। তবে তার অবশ্যই গোনাহ হবে।
(খ)
যদি কোনো ব্যক্তি জুনুবি অবস্থায় গোসল করে নেয়, এবং নামায পড়ে, পরবর্তীতে জানা যায় যে, তার গোসল হয়নি, তাহলে ঐ ব্যক্তির উপর গোসল করে আবার নামাযকে দোহড়িয়ে পড়া ওয়াজিব। যেহেতু ঐ ব্যক্তি জেনে বুঝে বা ইচ্ছাকৃত গোসল ফরয অবস্থায় নামায পড়েনি তাই আশা করা যায় যে, ঐ ব্যক্তির কোনো গোনাহ হবে না। তথাপি ঐ ব্যক্তির উচিত তাওবাহ ইস্তেগফার করা। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1019

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার ভাইয়ের ঈমানে কোনো সমস্যা হবে না। তবে অলসতা করে গোসল ফরয অবস্থায় নামায পড়ার জন্য, কুরআন স্পর্শ করার জন্য আপনার ভাইয়ের গোনাহ হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...