আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লহি ওয়াবারকাতুহ
সম্মানিত ওস্তায, বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত অবস্থায় দ্বীনের বুঝ পায়। তখন থেকে দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করা শুরু করি৷ ইসলামিক অনলাইন মাদ্রাসায়ও ভর্তি হই। এখন আমি আলিম কোর্সে ৬ষ্ঠ সেমিস্টারে অধ্যয়ন করছি, আলহামদুলিল্লাহ।
একজন ত্বলিবাতুল ইলম এবং দায়ী ইলাল্লাহ হওয়াই আমার স্বপ্ন। হলে থাকা অবস্থায় বোনদের মাঝে দাওয়াতি কাজ করেছি। চাকুরী না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে অনার্স সম্পন্ন করে বাসায় চলে আসি। পরিবারের সবাই পরিপূর্ণ দ্বীন পালন না করায় আমার জন্য প্রথম দিকে একটু কঠিন ছিল পরিবেশ। আজ ১-১.৫ মাস যাবত একটু সহজ লাগছে, আলহামদুলিল্লাহ। আমি বাসায় এসেছি ১.৫ বছর পূর্বে। পরিবারের মাঝে দাওয়াতি কাজের উদ্দেশ্যই আমি এসেছি। আলহামদুলিল্লাহ, পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি।
এই মুহূর্তে আমি আমার প্রতিবেশীদের মাঝে দাওয়াত দিতে চাই। হৃদয়ে খুব ব্যকুলতা অনুভব করছি। এতদিন ভয়ে ছিলাম, যেহেতু বাসার পরিস্থিতি ভালো ছিল না। এখন আমি একা দাওয়াতি কাজ করা কঠিন মনে হচ্ছে। জামায়াত ইসলামির বোনেরা আমার কাছে এসেছিল, তাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য। আমি যাইনি। ব্যক্তিগুভাবে আমি জামায়াত করি না। কিন্তু আমি আমার উদ্দেশ্যকে সামন রেখে তাদের দলে যুক্ত না হয়ে তাদের সাথে সমাজের বোনদের মাঝে দাওয়াতি কাজ করতে পারবো কী? এক্ষেত্রে আমার কি কোন প্রতিবন্ধকতা আসবে?
গ্রামে ইসলামের বেসিক ফরজ জ্ঞানটুকুও মানুষের নেই। পর্দা নেই। কুরআন সহী না।
আমি কিভাবে কি করতে পারি। আমি কি জামাতের সাথে যুক্ত হয়ে দাওয়াতি কাজ করবো? একটু দিকনির্দেশনা, আপনার মূল্যবান মতামত দিয়ে সহযোগিতা করার সবিনয় অনুরোধ করছি।
ওস্তায, আমার আরেকটি প্রশ্ন
আমার বিয়ে হচ্ছে না। যেন হতাশ না আসে তাই,ইলম অর্জন, দাওয়াত কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখি। পরিবারের সহযোগিতা করি। নিজেকে স্ট্রং রাখার চেষ্টা করি। আল্লাহর প্রতি ভরসা রাখার চেষ্টা করি। কিন্তু মাঝে মাঝে মনে হয়, আমি আর পারছ না। খুব ক্লান্ত হয়ে পড়ি। আমরা বয়স ২৮ বছর। আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স শেষ করি। ওস্তায, বিয়ের যে প্রস্তাবগুলো আসে সেগুলো আশানুরূপ হচ্ছে না। তেমন আসেও না। ছেলের দ্বীনদারিতা, আর পড়াশোন এটাই মূল চাওয়া। পরিবারও এমন চায়। আমি আল্লাহর কাছে দুআ করছি। সূরা ফুরকানের আয়াত নিয়মিত আমল করি।
আমি এখন কি করবো ওস্তায?