আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
82 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (46 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম। এখানে প্রশ্ন করার ফলে বলা হয়েছিল স্বামী যদি কেনায়া তালাকের নিয়ত জিজ্ঞেস করলে রেগে যায় তাহলে জিজ্ঞেস না করতে। তহ কেনায়া শব্দ বললেও হয়ত নিয়ত জিজ্ঞেস করা হত না।তবে এখানে প্রশ্ন করা হত স্বামী এসব নিয়ত ছাড়া বললে কোন সমস্যা হবে কিনা কিন্তু নিয়ত জিজ্ঞেস করা হত না স্বামীর কাছে কারণ জিজ্ঞেস না করলে কোন সমস্যা হবে না এমন বলা হয়েছিল। তবু এখানে প্রশ্ন করা হত নিয়ত ছাড়া বললে কোন সমস্যা হয় কিনা এ বিষয়ে।তহ স্বামীকে নিয়ত জিজ্ঞেস না করার করে এখানে নিয়ত ছাড়া বললে কোন সমস্যা হয় কিনা এসব জিজ্ঞেস করলে কি কোন গুণাহ বা সমস্যা হবে?নিয়ত জিজ্ঞেস করা হত না হয়ত স্বামী রেগে যাবে তাই আর এই সাইটে ও বলা হয়েছিল জিজ্ঞেস না করতে।তবু পরে একদিন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল কোনদিন আমাকে ছেড়ে দেওয়ার ইচ্ছে ছিল?  স্বামী বলে না।তহ স্বামীকে নিয়ত জিজ্ঞেস না করলে কি গুণাহ হবে কেনায়া শব্দ বললে? কারণ স্বামী বারন করেছিল এসব না বলতে রেগেও গিয়েছিল একবার তাই ভয় লাগে কি বলতে কি বলে ফেলে


আরেকটা কথা এখানে পরে একবার জিজ্ঞেস করায় বলেছিল নিয়ত জিজ্ঞেস করতে হবে কিন্তু তখন স্বামী যে রেগে উল্টো পাল্টা বলতে পারে সেটা বলা হয় নি। কারণ যে হুজুর বলেছেন ওনিও যতটুকু মনে আছে জিজ্ঞেস না করলে আগে সমস্যা হবে না বলেছিল।এটা নিয়ে যদি একটু বলতেন স্বামীকে এসব বিষয়ে ভবিষ্যতেও নিজ থেকে না বললে জিজ্ঞেস না করলে কোন সমস্যা হবে কিনা মানে সংসার করে গেলে?

1 Answer

0 votes
by (805,200 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَسْأَلُوا عَنْ أَشْيَاءَ إِن تُبْدَ لَكُمْ تَسُؤْكُمْ وَإِن تَسْأَلُوا عَنْهَا حِينَ يُنَزَّلُ الْقُرْآنُ تُبْدَ لَكُمْ عَفَا اللَّهُ عَنْهَا ۗ وَاللَّهُ غَفُورٌ حَلِيمٌ
হে মুমিণগন, এমন কথাবার্তা জিজ্ঞেস করো না, যা তোমাদের কাছে পরিব্যক্ত হলে তোমাদের খারাপ লাগবে। যদি কোরআন অবতরণকালে তোমরা এসব বিষয় জিজ্ঞেস কর, তবে তা তোমাদের জন্যে প্রকাশ করা হবে। অতীত বিষয় আল্লাহ ক্ষমা করেছেন আল্লাহ ক্ষমাশীল, সহনশীল। (সূরায়ে মায়েদা-১০১-১০২)

قَدْ سَأَلَهَا قَوْمٌ مِّن قَبْلِكُمْ ثُمَّ أَصْبَحُوا بِهَا كَافِرِينَ
এরূপ কথা বার্তা তোমাদের পুর্বে এক সম্প্রদায় জিজ্ঞেস করেছিল। এর পর তারা এসব বিষয়ে অবিশ্বাসী হয়ে গেল।(সূরায়ে মায়েদা-১০১-১০২)

হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত তিনি বলেন,
عن أبي هريرة رضي الله عنه قال : سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول : ما نهيتكم عنه ، فاجتنبوه ، وما أمرتكم به فأتوا منه ما استطعتم ، فإنما أهلك الذين من قبلكم كثرة مسائلهم واختلافهم على أنبيائهم . رواه البخاري ومسلم .
আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি যে,তিনি বলেন, আমি তোমাদেরকে যে সমস্ত জিনিষ থেকে নিষেধ করেছি, সে সমস্ত জিনিষ থেকে বিরত থাকো,এবং যে সমস্ত জিনিষের আদেশ করেছি, যথাসম্ভব সেগুলো পালন করার চেষ্টা করো। তোমাদের পূর্ববর্তীগণ তাদের অধিক প্রশ্ন এবং মতপার্থক্যর কারণেই ধংস হয়েছে।[সহীহ বুখারীঃ ৭২৮৮, সহীহ মুসলিম: ১৩৩৭] 


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
ওয়াসওয়াসা মূলত ইলম কম থাকার কারণে তৈরী হয়। বিশেষত তালাক ও পবিত্রতা এবং হালাল হারাম বিষয়ে মৌলিক ধারণা না থাকার দরুণ ওয়াসওয়াসা তৈরী হয়। ওয়াসওয়াসা দূর করার সবচেয়ে নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য ও ফলফসু মাধ্যম হল, ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করা। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/3318


স্বামীকে আর কখনো তালাক বা তালাকের নিয়ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন না। এবং জিজ্ঞাসা করা জরুরীও না। সুতরাং নিজেও শান্তিতে থাকুন।এবং স্বামীকেও শান্তিতে থাকতে দিন। আল্লাহ আপনার ওয়াসওয়াসাকে দূর করুক।আমীন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (46 points)
হুজুর পরে বললে আর জিজ্ঞেস না করলে কোন সমস্যা  হবে না? 

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...