আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
27 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (7 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লহি ওয়াবারকাতুহ

সম্মানিত ওস্তায, নিচের লিখাটা কি আদবের খেলাফ বা আল্লাহ সুবাহানু তা'আলাকে অসম্মান করা হবে। একটু জানাবেন মিন ফাদ্বলিক।
আমি এমন এক প্রেমিকের প্রেমে মশগুল, যে প্রমিকের কোন তাড়া নেই; তাড়াহুড়ো নেই। প্রেমিক সর্বদাই অপেক্ষমাণ।
প্রেমিক বলে, তুমি আমাকে ডাকো, আমি তোমার ডাকে সাড়া দিব। প্রেমিক বলে, যখন তুমি আমাকে খুঁজবে,  তখন আমাকে তোমার সবচেয়ে কাছেই পাবে।
এই প্রেমিক এমন এক প্রেমিক, যাকে দেখা যায় না; শুধু অনুভব করা যায়। আপনার হৃদয় জমিন প্রেমের সাগরে ভাসছে  অথচ পাশের মানুষটা আপনার দুশ্চিন্তায় ব্যাকুল হয়ে যাচ্ছে।  তারা  ভাবছে, আহারে! মানুষটা কত একা। অথচ তারা জানেনা, আপনার হৃদয় ভরপুর প্রেম সুধায়।
রোজ জানালার পাশে বসতাম। একজন মানুষকে প্রচন্ড সুখী ভাবতাম। সুন্দর একটি বাড়ি, সন্তান, স্বামী নিয়ে কতই না সুখের সংসার! কিছুদিন পর তার স্বামীর নারী কেলেঙ্কারীর ঘটনা শুনতে পেলাম। ভাবলাম, হায়! কাকে ফেললাম সুখীদের দলে। সুখ খুব অদ্ভুত এক অমূল্য রতন; যা দেখা যায় না।  অথচ আমরা কত সুখীকে অসুখী বানিয়ে দিচ্ছি।
হৃদয় কখনো অপূর্ণ থাকে না। এই হৃদয় সুখী হতে চায়। এই হৃদয় চায় ভালোবাসতে। এই হৃদয় চায় প্রেমিকের প্রেমিকা হতে। খুব তাড়াতাড়ি  এই হৃদয় পূর্ণও হয়ে যায়।
সেই প্রমিকাই সার্থক, যার প্রেম চিরঞ্জীব। যে প্রেম তাকে শুধু দিয়েই যায়। যে প্রেম তাকে শুধু হাসায়। যে প্রেমের অবগাহনে সে পরম প্রশান্তি খুঁজে পায়।

""আর যখন আমার বান্দাগণ তোমাকে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে, আমি তো নিশ্চয় নিকটবর্তী। আমি আহবানকারীর ডাকে সাড়া দেই, যখন সে আমাকে ডাকে। "" -- [সূরা বাক্বরা,আয়াত- ১৮৬]

1 Answer

0 votes
by (750,180 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি থেকে বর্ণিত,
(وعن أبي سعيد الخدري - رضي الله عنه - أن النبي - صلى الله عليه وسلم - قال: " «ما من مسلم يدعو بدعوة ليس فيها إثم ولا قطيعة رحم إلا أعطاه الله بها إحدى ثلاث: إما أن يعجل له دعوته، وإما أن يدخرها له في الآخرة، وإما أن يصرف عنه من السوء مثلها " قالوا: إذا نكثر، قال: " الله أكثر» " (رواه أحمد) .
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,কোনো মুসলমান যদি এমন প্রকারের দু'আ করে, যাতে গোনাহ বা আত্মীয়তার সম্পর্ক বিচ্ছিন্নতার প্রসঙ্গ উল্লেখ না থাকে, তাহলে তিনটি প্রকারের যেকোনো এক প্রকার প্রতিদান আল্লাহ তাকে দান করবেন। (১) হয়তো আল্লাহ তা'আলা অতিসত্বর তার দু'আ-কে কবুল করে ফেলবেন।
(২)নতুবা আখেরাতের জন্য সেই দু'আকে সংরক্ষিত করে রাখবেন।(দুনিয়াতে সেই দু'আ কবুল করা তার জন্য মঙ্গলজনক নয়,সেইজন্য আখেরাতে দিবেন)
(৩) কিংবা সেই পরিমাণ কোনো মন্দ জিনিষ তার থেকে ফিরিয়ে রাখবেন। সাহাবায়ে কেরাম বললেন,তাহলে আমরা অবশ্যই বেশী বেশী করে দু'আ করবো। রাসূলুল্লাহ সাঃ  বললেন, অাল্লাহও অধিক অধিক দু'আ কবুল কারী এবং দানকারী।(সুতরাং তোমরা বেশী বেশী দু'আ করলে আল্লাহও বেশী বেশী দিবেন)(মিশকাতুল মাসাবিহ-২২৫৯) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/987


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রশ্নের বিবরণমতে এটা আদবের খেলাফ মনে হচ্ছে। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...