১। বাচ্চা বিছানায় হিসু করে দিলে বিছানার চাদর তুলে ফেলা আবশ্যক? নাকি এর উপর পরিষ্কার কাথা বিছিয়ে দিলেই বিছানা পবিত্র হয়ে যাবে?
২। নামাজে সালাম ফেরানোর পর যদি মনে হয় কোনো ওয়াজিব ছুটে গিয়েছে, তাহলে কী সাহু সিজদা দেয়া যাবে নাকি পুনরায় নামাজ পড়তে হবে? যদি সাহু সেজদা দেয়া যায় তবে কিভাবে দিতে হয় সালাম ফেরানোর পর?
৩। আমার মেয়ের এলার্জি (স্ক্যাবিস) অনেক দিন ধরে প্রায় দুই বছর। অনেক চিকিৎসার পর ও সুস্থ হচ্ছে না। কোনো আমল আছে সুস্থ করার?
৪। আমি নিজেকে কিছু বিষয়ে ইম্প্রুভ করতে চাই, অনেক দিন ধরেই, কয়দিন ধরে করে প্র‍্যাকটিস করি, পরে কোনোভাবে সেটা বন্ধ হয়ে যায়। যেমন, পরিপূর্ণ সহীহভাবে কুরআন তিলাওয়াত করতে পারা, পরিপূর্ণ খুশু-খুজু সহকারে নামাজ পড়া সহ আর ও কিছু ব্যাপার। তো এই ইচ্ছেগুলো পূরণের জন্য সালাতুল হাজত পড়তে চাই নিয়মিত, এখন সবগুলোর জন্য দুইরাকাত নামাজ পড়লে হবে একবারে?
৫।বাচ্চার (মেয়ে) বয়স তিন বছর। ওকে পাঁচ বছর পর্যন্ত নিজেই পড়াতে চাই। কুরআন শেখানো, প্রয়োজনীয় দু-আ তাছাড়া ইসলামের টুকটাক আদব ইত্যাদি। এই ব্যাপারে আমাকে দিকনির্দেশনা দেবেন উস্তাজ?
৬। আমার পরিবার দ্বীনদার নয়, মডারেট। এখানে বাচ্চার তারবিয়াতে নানানরকম প্রব্লেম ফেইস করি। সবচেয়ে বড় ব্যাপার সে গান-বাজনা-ফোন ইত্যাদির সংস্পর্শে যাচ্ছে। চেষ্টা করি এগুলো থেকে দূরে রাখার। কিন্তু কঠিন। বয়োজেষ্ঠ্যরা এজইন্য কটু কথাও শোনান আমাকে। এই অবস্থায় আরেকটা বাবু নেওয়া ঠিক হবে?
আলাদা থাকার চেষ্টা করছি কিন্তু হচ্ছে না। হয়তো আর ও অনেকবছর একসাথে থাকতে হবে। (যতদিন মুরুব্বীরা বেঁচে আছেন)।
সঠিক উপদেশ দিয়ে সাহায্য করবেন উস্তাজ।