আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
20 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (30 points)
আসসালামু আলাইকুম, হযরত আশা করছি আল্লাহ আপনাকে ভালো রেখেছেন। কয়েকটা বিষয় আপনার কাছে জানতে চাই।

১. পাখি (কাক )পায়খানা করেছে পাঞ্জাবিতে। পাক করার সময় কি এপিট ওপিট ধুতে হবে? পায়খানার ভেজা ওপর প্রান্তেও চলে গিয়েছে এবং পায়জামা পাঞ্জাবির সাথে লেগে ছিল বলে পয়জামাতেও হালকা দাগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে তবে সেটা একটা পয়সার সমান ও না। পায়জামাও কি ধুইতে হবে জাস্ট ওই জায়গা?
২. আরেকটা বিষয় অল্প অল্প নাপাকী কিন্তু একটা পয়সার ও কম কিন্তু কয়েক জায়গায় অল্প অল্প করে ভরেছে সব মিলিয়ে এক পয়সার সমান বা বড় হয়ে যাবে এটার বিধান কি?

৩. যে পরিমাণ নাপাকী কাপড়ে লাগল মাফ তবে অন্য কাপড় পরিধান করার ব্যবস্থা থাকলে সেটা পরে নামাজ পড়তে বলা হয়ে থাকে, সেই সামান্য নাপাকি লাগা কাপড়ও কি তিনবার ধুয়ে পাক করতে হবে? যে পরিমাণ মাফ সেটা নরমাল কাপড় যেমন একবার ধুয়েই শুকাতে দেই এভাবে ধৌত করলে হবে?? এই সামান্য নাপাক লাগা কাপড়ের সাথে অন্য ভালো কাপড় একসাথে ধোঁয়া যাবে?

৪. বাচ্চাদের প্যান্ট সাধারণত পাক করে ধোঁয়া হয়না কারন তাদের তো নামাজ নেই। পেশাবের কাপড় একবার ধুয়েই শুকাতে দেয়া হয়। পরবর্তীতে বাচ্চা যখন সেই প্যান্ট পড়বে এবং ভেজা হাতে নিলে প্যান্টের সাথে হাত লাগার কারণে কি হাত ধৌত করতে হবে? বাচ্চার মা ভেজা হাতে কোলে নিলো এবং এতে করে প্যান্ট ও তো সামান্য ভেজা অনুভব হয় এই অবস্থায় অন্য কেউ কোলে নিলে তার হাত শুকনা কিন্তু সেই প্যান্ট এর ভেজা যদি অনুভূত হয় তাহলে কি তাকেও হাত ধৌত করতে হবে? পুরো বিষয়টা হলো বাচ্চার নাপাক প্যান্ট জাস্ট একবার ধুয়ে শুকানোর পরের কথা।

৫. পেশাবের সামান্য ছিটা শুই পরিমাণ থেকে কিছুটা বেশি যেটা ৩ গ্রামের কম হলে তো মাফ কিন্তু যদি এই পরিমাণ সরাসরি গায়ে লাগে এবং শুকায় যায় পরবর্তীতে এর উপর দিয়ে তেল মালিশ করলে নাপাকী বিস্তৃতি হতে পারে?

৬. পাক কাপড় পরিধান করে ফরজ গোসল করলে সেই কাপড় কি নাপাক হবে যেহেতু ফরজ গোসলের সময় নাপাকী লেগে থাকে যেটা দুর করতে হয়। দুর করার সময় নাপাক পানি গড়ায় পরে যেটা পায়জামাতেও লাগে। তাহলে গোসলের পর জাস্ট সেই পায়জামা একবার ধুয়ে শুকাতে দিলে পাক হবে? মেয়েদের ফরজ গোসলের আদব কি হবে? সেই কাপড় এর পাক নাপাকের বিষয়টাও বললে ভালো হয়।

৭. এক ভাইয়ের পক্ষ থেকে প্রশ্ন। উনি জানতে চেয়েছেন উনার প্রসাব থেকে পাক হতে সময় লাগে। অনেকক্ষণ টিস্যু নিয়ে হাটাহাটি করলেও কিছুপর লক্ষ্য করলে হালকা প্রসাব লক্ষ করা যায় যেটা খুবই সামান্য। সবসময় এমন হয় বিষয়টা এমন না আবার মাঝে মাঝে নাকি তাতাতারিও হয়ে যায়। উনি লক্ষ্য করেছেন টিস্যু ধরে হাটাহাটি করলে বেশি সময় লাগে। জাস্ট প্রসাব করে চলে আসলে একটু পর এমনিতেই নাকি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। তো এভাবে উনি প্রসাব এর আগে পায়জামা পরিবর্তন করে নেন পরবর্তীতে পাক হয়ে চেঞ্জ করে আবার পাক পায়জামা পড়েন। উনি বুঝাতে চাইছেন এইযে কিছু সময় তিনি যে প্রসাব করেই চলে আসতেছেন এতে সামান্য হলেও প্রসাব ওই পায়জামায় লাগতেছে যদিও সেটা চেঞ্জ করে কিন্তু এইজে প্রসাব এর যে ভয়াবহ হাদীস আছে তিনিও সেই হাদীসের আওতায় আসবেন ওই সামান্য সময়ের জন্য? তিনি সেম কাজটা রাতেও এভাবে করেন রাতের জন্য আলাদা ড্রেস ঠিক করে রেখেছেন ফলে রাতে উনার যে কয়বার প্রসাব ত্যাগ আর প্রয়োজন পড়ে উনি জাস্ট ত্যাগ করে চলে আসেন। পরে ফজরের পূর্বে জাস্ট ধুয়ে ( তখন প্রসাব করেন না) পবিত্র হয়ে অন্য পায়জামা পরিধান করে নামাজ পড়েন। এইযে সারারাত প্রসবের ফোঁটা থেকে সে বাঁচলো না তিনি সেই হাদীসের আওতায় পড়বেন?

1 Answer

0 votes
by (750,000 points)


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।
https://idaars.com/courses/waswasa/

বিঃদ্র
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...