আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
47 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (10 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ
পিতামাতার বড় সন্তান আমি,ছোটবেলা থেকেই পিতার তুচ্ছতাচ্ছিল্য পেয়ে বড় হয়েছি,আমার অন্তরটা পিতার আদর পাবার ভিক্ষারি। পিতাকে সর্বদা সর্বোচ্চ সম্মান করার চেষ্টা করেছি এখনও করি,আমার মা বাবা ছোট থেকেই তাদের ৫ সন্তানের মধ্যে ভেদাভেদ করেছে এখনও করেন। তাদের ৪ সন্তান তাদের সাথে তর্ক ঝগড়া খারাপ ব্যবহার করতে পারে তাতে বাবা মার সমস্যা হয়না কিন্তু আমি বাবা মার কথামত কোন কাজ না করলে বা তাদের মনমত(অযৌক্তিক দাবি) কোন কাজ আমার দিক থেকে না হলে তাদের চোখে আমি পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ সন্তান,আমাকে অভিশাপ দেয়া শুরু হয়ে যায়,সম্পর্ক ছিন্ন করে ফেলেন তারা,তাদের বাসার সামনে পর্যন্ত যেতে আমাকে নিষেধ করে দেন।

বিয়ের পরও সর্বদা বাবা মাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার চেষ্টা করেছি,বাবা মা ভুল হলেও কখনও তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করিনি,আমার বাবা মা সর্বদা আমার,আমার স্বামীর শ্বশুরবাড়ির ভুল ধরতে ব্যস্ত। তবুও তাদের পক্ষেই সবসময় কথা বলি,তাদের সাথে ভালো সন্তান হয়ে থাকার চেষ্টা করি,তাদের সব ভুল মাফ করে দেই,তাদেরকে ভালবাসি কিন্তু আমার বাবা মা প্রতিবার আমাকে তাদের কথা আচরণ দ্বারা ক্ষত বিক্ষত করে দেয়,মিথ্যা অপবাদ দেয়,আমার সংসার ভাঙার চেষ্টা করে। সম্প্রতি, আমার বাবা মা আমার সন্তানকে তাদের বাসায় নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন আমার সন্তানের বয়স আড়াই বছর অনেকদিন পরে নানা নানিকে দেখে বাবু অনেক কান্না করতেছিল এই কান্না করা অবস্থায়ও তারা জোর করে বাবুকে রাত ৯টার দিকে তাদের বাসায় নিয়ে যাবে,বাবুর কান্না দেখে আমার স্বামী তাদেরকে শুধু বললো এই প্রচন্ড কান্নার মধ্যে আমি কিভাবে বাবুকে আপনাদের সাথে একা দিয়ে দিবো! আর এখন এই কান্না করা অবস্থায় ওকে বাসায় নিয়ে কি করবেন! বাচ্চা মানুষ অনেকদিন পর আপনাদেরকে দেখেছে এজন্য অভিমানে কান্না করছে। এরপর তারা চলে যায়। কিছুক্ষন পর আমার বাবা আমাকে ফোন দিয়ে আমার স্বামীর নামে বিভিন্ন অনর্থক কথা আজেবাজে কথা বলতে থাকে,আমার বাবা আমাকে বলে বাবুকে আনতে চাইলাম একে তো দিলো না তারউপর আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে। তখন আমি বাবাকে বললাম আমার মা আমার স্বামীকে তার মৃত মাকে খারাপ গালি দিয়ে কথা বলে,বাবা তুলে গালি দেয় তখনও আমার স্বামী আপনাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে না আর এখন খারাপ ব্যবহার করেছে! এরপর আমার বাবা আমাকে বিভিন্নভাবে অপবাদ দেয় শুরু করলো এরপর আমার সংসার ভাঙার হুমকি দিলো,আমি খারাপ,আমার স্বামি খারাপ,আমাদের আচরন খারাপ,আমি যেন আর কখনোই তারা বাড়ির সামনে যেন স্বামী সন্তান নিয়ে না যাই। আমি তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলাম বাবু কান্না করছিল আর কোন বাবা কি বাচ্চার কান্নারত অবস্থায় বাচ্চাকে একা কারো সাথে দূরে দিয়ে দিবে এটা তো কখনোই না,আর আমার মা যে আমার স্বামীকে কিছু টাকার(স্বামী ২ লাখ টাকা ধার নিয়েছিল আমার মার কাছ থেকে) জন্য বাবা মা তুলে জঘন্য ভাষায় গালি দেয় এটা তো কোন মানুষকে মানুষ দেয়না আর সেখানে সে তার মেয়ের জামাইকে কিভাবে এমন গালি দিয়ে কথা বলে আবার তার বাচ্চাকে এতরাতে নিয়ে যেতে চায়!? তখন আমার বাবা আমাকে বিভিন্ন মিথ্যা অপবাদ দেয়া শুরু করে,আমার আপন খালার সাথে তাদের সম্পর্ক ভালো না,আমার খালা প্রায় সময় আমার বাবুকে দেখতে আমার বাসায় আসেন। এখন আমার বাবা বলেছে আমি নাকি আমার খালার সাথে স্বর্ন কিনতে বাজারে গিয়েছিলাম,এই কথা পরিপ্রেক্ষিতে আমি বললাম খালা আমার বাসায় আসে বাবুকে দেখতে এটা আপনিও জানেন এখানে তো লুকানোর কিছু নেই। আর আমি কেন যাবো তার সাথে স্বর্ন কিনতে? তখন আমার বাবা বলে আমি নাকি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করি,আমি যাই বলি সেটাই তাদের কাছে মিথ্যে কথা মনে হয়। আমার বাবা মার কথা হলো যাদের সাথে তাদের সম্পর্ক খারাপ তাদের কারো সাথে সম্পর্ক রাখা যাবে না। এটা তো একটা অযৌক্তিক দাবি। খালার সাথে আমার তো ঝগড়া হয়নি তাহলে কেন আমি তার সাথে কথা বলতে পারবোনা আর কেনইবা তাদের আমার বাসায় বাবুকে দেখতে দিবোনা!
আমার বাবা মা কয়েকমাস পরপরই বিভিন্ন ছোটখাটো বিষয় নিয়ে আমার সংসারে অশান্তি করে,আমাকে মানসিকভাবে একদম ভেঙে দেয়,তাদের ইচ্ছে তারা বস বললে আমাকে বসতে হবে উঠ বললে আমাকে উঠতে হবে,যখন তখন আমার বাচ্চাকে চাইলে তখনই দিতে হবে সেটা রাত ১ বাজলেও। কয়েক মাস আগে বাবুকে দুপুরের ভাত খাওয়াচ্ছিলাম ঐ সময় আমার বাবা এসে বাবুকে তাদের বাসায় নিতে চাইলো তো আমি বললাম আর ২ লোকমা আছে এটা খাওয়ায় দিয়েই ওকে রেডি করে দিচ্ছি এটা তাদের চোখে অপরাধ হয়ে গেল কেন আমি আমার সন্তানকে ঐ ২ লোকমা খাবার খাওয়ালাম,তখন খাওয়ানো বাদ দিয়ে বাবুকে দিয়ে দিলে তারা বাসায় নিয়ে তো বাবুকে খাওয়াতে পারতো!
যাইহোক,আল্লাহর নির্দেশ বাবা মা কাফের হলেও তাদের সাথে বিনয় ব্যবহার করতে,এটা জানি বিধায় তাদের সকল অন্যায় দাবিতেও চুপ করে থাকি,আমার উপর জুলুম করার পরও কিছু বলিনা কিন্তু তারা ২ জন আমার সংসারটাকে আমার জীনটাকে একদম ধ্বংস করে দিচ্ছে। বিনা দোষে,বিনা কারনে অপবাদ দেয়া,আজেবাজে কথা বলা,সামান্য কিছু হলেই সম্পর্ক ছিন্ন করা,কথায় কথায় ত্যাজ্য করা  তারা আমাকে মানসিক যন্ত্রণা দিতে দিতে মানসিক রোগী বানিয়ে দিচ্ছে। আমি এসব থেকে মুক্তি চাই, বাবা মার সাথে আমি সম্পর্ক রাখতে চাই কিন্তু তারা রাখতে চায়না, তারা আমাকে সারাজীন অভিশাপ দিবে,তাদের চোখে আমিই সবচেয়ে খারাপ সন্তান।  এখন আমার করনীয় কি? এধরণের বাবা মার চোখে তো আমি শত চেষ্টা করলেও ভালো হবো না তাহলে কি আমি আল্লাহর সন্তুষ্টিও পাবো না?
১.বাবা মা যে বিনা দোষে আমাকে অভিশাপ দেয় আমার উপর অসন্তুষ্ট হয় এর শাস্তি কি আল্লাহ আমাকেই দিবেন?

২.তাদের ধরনের আচরণের জন্য বিয়ের পরও আমি মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছি ঠিকমত সংসার করতে পারিনা,স্বামী সন্তানের হক আদায় করতে পারিনা বারবার বাবা মার আজেবাজে কথা গুলো সারাক্ষণ কানে বাজতে থাকে আর কান্না আসে। কোন ইবাদত করতে পারিনা,সারাক্ষণ মনে হয় তাদের এই মিথ্যা অভিশাপের কারনে তো আমি জাহান্নামী হয়ে গেলাম।
৩.আমি দিনরাত তাদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি তারপরও তারা আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে আমাকে বাকি সন্তানদের চেয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে আমি শুধু আল্লাহর জন্য ধৈর্য ধরে আছি,এই ধৈর্যের বিনিময়ে আমি কি সওয়াব পাবো?

৪. বাবা মা এধরণের আচরণে তাদেরকে ঘৃনা করতে না চাইলেও মন থেকে অটোমেটিক ঘৃণা চলে আসে এতে কি আমি আল্লাহর কাছে গুনাহগার হবো? অন্তরের উপরে তো আমার হাত নেই,ঘৃণা করতে চাইনা আমি তবুও অন্তর থেকে বলে তারা আমার হক নষ্ট করে আমার প্রাপ্ত নূন্যতম সম্মানটুকু আমাকে দেয়না,তারা জঘন্য বাবামা।

৫.আল্লাহর রহমতে আমি হেদায়েত প্রাপ্ত হয়েছে এখন তাদের সাথে সত্যি কথা বললেও তারা কোন কথাই বিশ্বাস করেনা,তাদের কথা হলো কোরআন নিয়ে কসম করে কথা বললে তখন সেটা সত্যি তারা বিশ্বাস করবে।  এই অযৌক্তিক দাবি না মানলে আমি তাদের কাছে মিথ্যেবাদি। এজন্য আমি যাই বলি সেটাই তাদের অপছন্দ, এভাবে তাদের দাবি না মানলে কি আমার গুনাহ হবে?
৬.আমি কখনো স্বামীর পক্ষ নিয়ে কথা বলি না কারন আমার মনে হয় বাবা মার সামনে স্বামীর পক্ষ নিয়ে কথা বললে তারা কষ্ট পাবে। কিন্তু আমার স্বামীকে তারা বিনাদোষে বাবা মা বংশ তুলে জঘন্য ভাষায় গালাগালি করে অপমান করে। তাদেরকে অনেকবার বলেছি গালাগালি করতে মন চাইলে আমাকে দিও কারন আমি তোমাদের সন্তান, এক্ষেত্রে আমি কি স্বামীর পক্ষ নিয়ে কথা বললে তারা কষ্ট পেলে কি আমার গুনাহ হবে?
৭.আমার বাবা মার সাথে আমি যত বিনয়ী হই তারা তত আমাকে আঘাত করে তাদের চোখে তত আমি অপরাধী হয়ে যাই,আসলে আমার করনীয় কি?
৮.আল্লাহ বাবা মাকে তাদের ভুল/দোষের জন্য কিছু বলতে নিষেধ করেছেন,আমি কি বাবা মার জুলুমের বিচার আল্লাহর কাছেও দিতে পারবোনা? আল্লাহর আদালতেও যদি সন্তান বিচার দিতে না পারে তাহলে এই সন্তান কার কাছে যাবে?

1 Answer

0 votes
by (714,960 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

পিতামাতার জন্য রাগের অবস্থায় সন্তানদের বদ দুয়া,অভিশাপ দেওয়া উচিত নয়। 
কারন কোন সময় যে আল্লাহ তায়ালা সেসব বদ দুয়া কবুল করে নিবেন,তাহা কেহই বলতে পারেনা।
এমনও হতে পারে যে পিতা মাতা বুঝে না বুঝে অযথাই সন্তানের জন্য বদ দুয়া করলো, আল্লাহ তায়ালা তা পুরোপুরি ভাবে কবুল করে নিলো,তখন এটা সন্তানের জন্য শাস্তির কারন হয়ে দাড়াবে।
বিষয়টি পিতামাতাকে বুঝানো দরকার।

উভয় পক্ষ থেকেই চেষ্টা করা দরকার,যে এই অবস্থায় যেনো পৌছাতে না হয়।

পিতা মাতা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে এহেন কথা না বলার,আর সন্তান চেষ্টা করবে,এমন কোনো কাজ না করার,যাতে পিতা মাতা কষ্ট পায়।
(কিতাবুল ফাতওয়া ৬/২১৪)

হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 

وَقَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي جَعْفَرٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هُرْمُزَ، قَالَ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " نَادَتِ امْرَأَةٌ ابْنَهَا، وَهْوَ فِي صَوْمَعَةٍ قَالَتْ يَا جُرَيْجُ. قَالَ اللَّهُمَّ أُمِّي وَصَلاَتِي. قَالَتْ يَا جُرَيْجُ. قَالَ اللَّهُمَّ أُمِّي وَصَلاَتِي. قَالَتْ يَا جُرَيْجُ. قَالَ اللَّهُمَّ أُمِّي وَصَلاَتِي. قَالَتِ اللَّهُمَّ لاَ يَمُوتُ جُرَيْجٌ حَتَّى يَنْظُرَ فِي وَجْهِ الْمَيَامِيسِ. وَكَانَتْ تَأْوِي إِلَى صَوْمَعَتِهِ رَاعِيَةٌ تَرْعَى الْغَنَمَ فَوَلَدَتْ فَقِيلَ لَهَا مِمَّنْ هَذَا الْوَلَدُ قَالَتْ مِنْ جُرَيْجٍ نَزَلَ مِنْ صَوْمَعَتِهِ. قَالَ جُرَيْجٌ أَيْنَ هَذِهِ الَّتِي تَزْعُمُ أَنَّ وَلَدَهَا لِي قَالَ يَا بَابُوسُ مَنْ أَبُوكَ قَالَ رَاعِي الْغَنَمِ ".

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক মহিলা তার ছেলেকে ডাকল। তখন তার ছেলে গীর্জায় ছিল। বলল, হে জুরায়জ! ছেলে মনে মনে বলল, হে আল্লাহ্! (এক দিকে) আমার মা (এর ডাক) আর (অন্য দিকে) আমার সালাত! মা আবার ডাকলেন, হে জুরাইজ! ছেলে বলল, হে আল্লাহ্! আমার মা আর আমার সালাত! মা আবার ডাকলেন, হে জুরায়জ! ছেলে বলল, হে আল্লাহ্! আমার মা ও আমার সালাত। মা বললেন, হে আল্লাহ্! পতিতাদের সামনে দেখা না যাওয়া পর্যন্ত যেন জুরায়জের মৃত্যু না হয়। এক রাখালিনী যে বকরী চরাতো, সে জুরায়জের গীর্জায় আসা যাওয়া করত। সে একটি সন্তান প্রসব করল। তাকে জিজ্ঞেস করা হল- এ সন্তান কার ঔরসজাত? সে জবাব দিল, জুরায়জের ঔরসের। জুরায়জ তাঁর গীর্জা হতে নেমে এসে জিজ্ঞেস করলো, কোথায় সে মেয়েটি, যে বলে যে, তার সন্তানটি আমার? (সন্তানসহ মেয়েটিকে উপস্থিত করা হলে) জুরায়জ বলেন, হে বাবূস! তোমার পিতা কে? সে বলল, বকরীর অমুক রাখাল। (বুখারী ১২০৬.২৪৮২, ৩৪৩৬, ৩৪৬৬; মুসলিম ৪৫/২, হাঃ ২৫৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৩৩)

আরো জানুনঃ- 

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
(০১)
প্রশ্নের বিবরন মতে আপনার বাবা মা যদি বিনা দোষে আপনাকে অভিশাপ দেয়, আপনার উপর অসন্তুষ্ট হয়, এর শাস্তি আল্লাহ আপনাকে দিবেননা।

(০২)
এক্ষেত্রে আপনি মাজলুম।
মিথ্যা অভিশাপের কারনে আপনি জাহান্নামী হয়ে যাবেননা।

(০৩)
এই ধৈর্যের বিনিময়ে আপনি অবশ্যই ছওয়াব পাবেন।

(০৪)
প্রশ্নের বিবরণ মতে এতে আপনি আল্লাহর কাছে গুনাহগার হবেননা।

(০৫)
এভাবে তাদের দাবি না মানলে আপনার গুনাহ হবেনা।

(০৬)
এক্ষেত্রে আপনি স্বামীর পক্ষ নিয়ে কথা বললে তারা কষ্ট পেলে আপনার গুনাহ হবেনা।

(০৭)
প্রয়োজনে দূরত্ব বজায় রেখে চলতে পারেন।
যোগাযোগ কম করতে পারেন।

(০৮)
আপনি বাবা মার জুলুমের বিচার আল্লাহর কাছে দিতে পারবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...