উস্তায, আমার বাবা আমাকে মাঝে মাঝে ৫০০ টাকা বা তার চেয়ে কিছু বেশি- এবং কম পাঠান। আসলে বাবা টাকা পাঠালেও আমি খরচ করি না। আমার বাবা সাংবাদিকতাসংশ্লিষ্ট কাজ করেন—একটি নিউজ পোর্টালও আছে তাঁর। তবে তাঁর একটি লেখায় দেখেছিলাম খুব বাজে এবং অশ্লীল একটি বিজ্ঞাপন ছিল এটা টার এখনের নিউজ পোর্টালে নাকি সেআগে অন্য এক জাগায় চাকরি করতো সেখানে নাকি জানিনা। মনিটাইজেশনের কারণে এমন বিজ্ঞাপন আসে । আবার বাবা আগে কয়েন কেনা-বেচাও করতেন এবং ,সুদের ব্যাপারেও সে সচেতন ছিল না এবং কয়েক মাশ আগে আমার আম্মুকেও ব্যাংক থেকে সুদ নিতে বলেছিল। আগে তিনি ক্রীড়া সাংবাদিক ছিলেন—বিশেষ করে ক্রিকেট নিয়ে লিখতেন। এখন তিনি টাকা দিলে বলেন এটি নাকি ‘জমির টাকা’, কিন্তু সত্যি কি না আমি জানি না। তিনি বলেন এটি চাকরির টাকা, কিন্তু যেখানে চাকরি করেন সেখানেও নাকি হারাম ধরনের মনিটাইজেশন থাকে কি না—এ ব্যাপারেও জানি না। আমার বাবা মার তালাক অনেক আগেই হয়ে গিয়েছে তবেতার সাথে আমার সম্পর্ক ভালো আর আমাদের প্রয়োজনীয় খরছ গুলো আমাদের নানা নানু আর আম্মু দেন । তার টাকা খরচ না করলে সমস্যা হয়না।তার সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক আছে যেহেতু সে বাবা আমি যোগাযোগ করি সেটা সমস্যা না প্রশ্ন হচ্ছে যে টার এই টাকাগুলো নিয়ে কি করা যায়
১. আমার প্রশ্ন হলো—বাবার টাকা আমি ব্যবহার করি না, কিন্তু তিনি আমার জন্যই দেন। এতে কি আমার গুনাহ হবে?
২. তিনি যে টাকা দেন, সেটি সত্যিই ‘জমির টাকা’ কি না আমার সন্দেহ আছে। আর যদি সত্যিই জমির টাকা হয়, তাহলে জমির টাকা কি হালাল? কিন্তু আমি বুঝতে পারি না—কারণ তিনি বিভিন্ন উৎস থেকে টাকা আয় করেছেন, এবং আয় হালাল-হারাম নিয়ে খুব বেশি ভাবেন না। এই কারণে যদি আমি টাকা গ্রহণ না করি—তবে কি আমার গুনাহ হবে?
৩. কিছু টাকা তিনি আমাকে বিকাশে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু আমার আম্মু সেগুলো খরচ করে ফেলেছেন। আমি বাবাকে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলেছিলাম। এখন কি তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে? আর চাইলে কীভাবে চাইব?
৪ টার টাকা গুলো যদি হালালও হয় কিন্তু যেহেতু আমি জানিনা সেই হিসেবে দান করে দিলে গুনাহ হবে?