বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
"আমি যদি আর কখনো সিগারেট খাই তাহলে তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যেও" একথা দ্বারা স্ত্রীকে তাফবীযে তালাক বা তালাকের অধিকার দেওয়া হবে।
যেমন বর্ণিত রয়েছে,
وَلَوْ قَالَ أَمْرُك بِيَدِك أَبَدًا فَرَدَّتْهُ مَرَّةً يَبْطُلُ
যদি স্বামী তার স্ত্রীকে বলে যে, যেকোনো সময় তুমি নিজের উপর তালাক দিতে পারো, কিন্ত স্ত্রী যদি সে অধিকার কে ফিরিয়ে দেয় তাহলে সেই প্রদত্ত অধিকার বাতিল হয়ে যাবে।(তখন আর স্ত্রী নিজের উপর তালাক দিতে পারবে না)(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া;১/৩৯২)
وَأَمَّا مِنْ جَانِبِ الْمَرْأَةِ فَإِنَّهُ غَيْرُ لَازِمٍ؛ لِأَنَّهُ لَمَّا جَعَلَ الْأَمْرَ بِيَدِهَا فَقَدْ خَيَّرَهَا بَيْنَ اخْتِيَارهَا نَفْسَهَا فِي التَّطْلِيقِ وَبَيْنَ اخْتِيَارهَا زَوْجَهَا، وَالتَّخْيِيرُ بِنَا فِي اللُّزُومَ-
মহিলাদের জন্য সেই অধিকার গ্রহণ করা অত্যাবশ্যকীয় নয়।কেননা তালাকে অধিকার প্রদাণের অর্থই হলো, স্ত্রীকে এ অধিকার প্রদাণ করা যে, স্ত্রী হয়তো সে নিজের উপর তালাক প্রদাণ করবে নতুবা সে তার স্বামীকে গ্রহণ করবে।সুতরাং এমন বিষয় স্ত্রীর জন্য অত্যাবশ্যকীয় হতে পারেনা।(বাদায়ে সানায়ে-৩/১১৩)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
উপরোক্ত কথাবার্তা দ্বারা স্ত্রীকে তালাকের অধিকার দেওয়া হয়েছে। তালাকের অধিকার পাওয়ার পর স্ত্রীর অধিকার থাকবে? হয়তো তালাক গ্রহণ করবে অথবা তালাককে ফিরিয়ে দিবে। পরবর্তীতে সিগারেট খেলে কিন্তু স্ত্রী নিজের উপর তালাক গ্রহণ না করলে কিন্ত তালাক পতিত হবে না।