ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
নামাযের মধ্যে পঠিত সূরার সমূহের ধারাবাহিকতা(কুরআনে বিদ্যমান বিন্যাস) রক্ষা করা ওয়াজিব।তবে কোনো কারণে যদি উক্ত ওয়াজিব তরক হয়ে যায় তবে সেজাদায়ে সাহু আসবে না,এবং নামাযকে দোহরাতে ও হবে না। বরং নামায আদায় হয়ে যাবে। কিতাবুল ফাতাওয়া-২/২০৩ ইচ্ছাকৃতভাবে ধারাবাহিকতা রক্ষা না করে ক্বেরাত পড়া মাকরুহ। তবে অনিচ্ছায় হলে মাকরুহ হবে না। যেমন রদ্দুল মুহতারে বর্ণিত রয়েছে,
ﻭَﻳُﻜْﺮَﻩُ اﻟْﻔَﺼْﻞُ ﺑِﺴُﻮﺭَﺓٍ ﻗَﺼِﻴﺮَﺓٍ ﻭَﺃَﻥْ ﻳَﻘْﺮَﺃَ ﻣَﻨْﻜُﻮﺳًﺎ وفي الشامية تحت قوله(و يكره..........و يتم) ﺃَﻓَﺎﺩَ ﺃَﻥَّ اﻟﺘَّﻨْﻜِﻴﺲَ ﺃَﻭْ اﻟْﻔَﺼْﻞَ ﺑِﺎﻟْﻘَﺼِﻴﺮَﺓِ ﺇﻧَّﻤَﺎ ﻳُﻜْﺮَﻩُ ﺇﺫَا ﻛَﺎﻥَ ﻋَﻦْ ﻗَﺼْﺪٍ، ﻓَﻠَﻮْ ﺳَﻬْﻮًا ﻓَﻼَ ﻛَﻤَﺎ ﻓِﻲ ﺷَﺮْﺡِ اﻟْﻤُﻨْﻴَﺔِ. রদ্দুলমুহতার১/৫৪৭
বিঃদ্রঃ ক্বেরাতের ধারাবাহিকতা রক্ষার করার বিধান শুধুমাত্র ফরয নামাযের ক্ষেত্রে। নফলের ক্ষেত্রে উক্ত বিধান প্রযোজ্য নয়। যেমন দুর্রুল মুখতার গ্রন্থে বর্ণিত রয়েছে,
ﻭَﻻَ ﻳُﻜْﺮَﻩُ ﻓِﻲ اﻟﻨَّﻔْﻞِ ﺷَﻲْءٌ ﻣِﻦْ ﺫَﻟِﻚ
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যেই নামায শুরু করবেন, সেই নামাযে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা ওয়াজিব। পূর্বের বা পরের নামাযে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা জরুরী নয়। যেমন জোহরের প্রথম ৪ রাকাত সুন্নতে ৪রাকাতের মধ্যে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা ওয়াজিব। পরবর্তী ফরয ৪ রাকাতে কুরআনের যে কোনো জায়গা থেকে পড়া যাবে।হ্যা, উক্ত চার রাকাতের প্রথম দুই রাকাতে ধারাবাহিকতা রক্ষা ওয়াজিব।