আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
27 views
in পবিত্রতা (Purity) by (1 point)
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

...হায়েজ সংক্রান্ত...

আমার হায়েজ হয় 16 নভেম্বর বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে আর এভাবেই পনেরো দিন চলে। আমি আমার হায়েজ শুরুর এগারো তম দিন অর্থাৎ 25 নভেম্বর বিকাল সাড়ে তিনটা থেকে নামাজ শুরু করি।

আবার 9 ডিসেম্বর রক্ত দেখা যায় , তাহলে তুহরের গণনা কি আমাকে 25 নভেম্বর থেকে করতে হবে? যদি তাই হয়, তাহলে এখনও আমার দুই হায়েজের মধ্যবর্তী পবিত্রতার সময় 15 দিন হয় নি । তাহলে এবস্থায় কি আমাকে নামাজ চালিয়ে যেতে হবে?আবার যদি 9 ডিসেম্বর দেখা দেওয়া রক্ত আর কিছু (তিন দিন তিন রাতের বেশি) দিন চলে তাহলে এটা তুহরের মধ্যে পড়ে যাবে,তখন কি আমাকে নামাজ ছেড়ে দিতে হবে?


মাযুর ব্যক্তির জন্য কি প্রতিবার নামাজের সময় নাপাকি (যে কারনে মাযুর হয়েছে) ধুয়ে ফেলতে হবে?সবসময় ধুয়ে ফেলার মতো সুযোগ থাকে না।


** আমি 25 ডিসেম্বর সাড়ে তিনটা থেকে নামাজ শুরু করেছিলাম,এটা কি ঠিক ছিল?

নাকি 25 ডিসেম্বর ফজর থেকে পড়া উচিত ছিল?

1 Answer

0 votes
by (751,320 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
দুই হায়েযের মাঝখানে পাক থাকার মুদ্দৎ কমের পক্ষে পনের দিন, আর বেশীর কোন সীমা নাই। অতএব, যদি কোন মেয়েলোকের কোন কারণবশতঃ কয়েক মাস যাবৎ হায়েয বন্ধ থাকে, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত ঋতুস্রাব না হইবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে পাক থাকিবে। 

(১৩) মাসআলাঃ 
যদি কোন মেয়েলোকের তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখা যায়, তারপর ১৫ দিন পাক থাকে; আবার তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখে, তবে আগেকার তিন দিন তিন রাত এবং পনের দিনের পর তিন দিন তিন রাত হায়েয ধরিবে। আর মধ্যকার দিন পাক থাকার সময়।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7474


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
২৫ ডিসেম্বর থেকে ১৫ দিন পর যেই রক্তস্রাব দেখা দিবে, সেই রক্তস্রাব যদি তিনদিন তিনরাত স্থায়ী হয়, তাহলে সেই রক্তস্রাব হায়েয হিসেবে গণ্য হবে। আর ১৫ দিনের পূর্বের রক্তস্রাব ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য হবে।

মাযুর ব্যক্তিকে প্রতিবার নামাজের সময় নাপাকি (যে কারনে মাযুর হোক) ধৌত করে নিতে হবে। ধৌত করার মত সুযোগ সুবিধা পাওয়া না গেলে অপেক্ষা করতে হবে। যখনই সুযোগ হবে, তখন ধৌত করে তারপর নামায পড়তে হবে। যদি ধৌত করে নামায পড়ার পূর্বে আবার নাপাকি চলে আসে, তাহলে ধৌত করা লাগবে না।  

বিঃদ্রঃ
২৫ ডিসেম্বর ১০ দিন ১০রাত পর থেকে নামায শুরু করতে হবে। যদি পূর্বের কোনো আদত আপনার না থাকে। তথা অনেকদিন যাবত এভাবে ১০ দিনের বেশী রক্তস্রাব হয়ে থাকলে, ১০ দিন ১০ রাত হায়েয গণনা করতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 298 views
0 votes
1 answer 140 views
...