ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
فَإِنْ كَانَ الْأَكْثَرُ صَحِيحًا وَالْأَقَلُّ جَرِيحًا يُغْسَلُ الصَّحِيحُ وَيُمْسَحُ عَلَى الْجَرِيحِ إنْ أَمْكَنَهُ وَإِنْ لَمْ يُمْكِنْهُ الْمَسْحُ يَمْسَحُ عَلَى الْجَبَائِرِ أَوْ فَوْقَ الْخِرْقَةِ وَلَا يَجْمَعُ بَيْنَ الْغُسْلِ وَالتَّيَمُّمِ.
যদি শরীরের বা অজুর অঙ্গ সমূহের অধিকাংশ অংশ সুস্থ থাকে,এবং সামান্য অংশ যখমি থাকে,তাহলে সুস্থ অঙ্গ সমূহকে পানি দ্বারা ধৌত করা হবে,এবং যখমি স্থানকে মাসেহ করা হবে।যদি মাসেহ করাও সম্ভব না হয়, তাহলে ব্যান্ডেজের উপর মাসেহ করা হবে।তারপরও ধৌতকরণ এবং তায়াম্মুমকে একসাথে একই অজু বা গোসলে জমা করা যাবে না।
(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/২৮) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/53021
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
বাম হাতের মাঝখানের আঙ্গুল কেটে যাওয়ার দরুণ যদি তাতে পানি লাগালে সমস্যা হয়,তাহলে ঐ আঙ্গুল ব্যতিত অজু গোসলের বাদবাকি অঙ্গ ধৌত করতে হবে। আঙ্গুলকে মাসেহ করে নিলেই হবে। যদি মাসেহ করাও ক্ষতিকর হয়, তাহলে মাসেহ করা লাগবে না। এমনিতেই পবিত্রতা অর্জন হয়ে যাবে। যদি বাম হাতের আঙ্গুলে পানি লাগা ব্যতিত অজু করা সম্ভব না হয়, তাহলে শুধুমাত্র ডান হাত দ্বারা অজু গোসলের অঙ্গ সমূহ ধৌত করে নিবেন। অথবা অন্য কারো সাহায্য নিয়ে ধৌত করে নিবেন।
(২) পরক্রিয়া করে কারো কাছ থেকে কিছু গ্রহণ করা জায়েয হবে না। এরকম হাদিয়া হারাম উদ্দেশ্যে দেয়া হয়ে থাকে। এরকম হাদিয়া ফিরিয়ে দেয়া বা সদকাহ করে দেয়া ওয়াজিব। এরকম হাদিয়া স্বামীকে দিয়ে দেয়া কখনো কাম্য হবে না। আপনার স্বামী যদি গরীব হয়, তাহলে তার কাছে গোনাহের কথা প্রকাশ না করে বরং এভাবে বিষযটা গোপন রাখুন। তাওবাহ করুন। ভবিষ্যতে আর কখনো এই গোনাহের ধারেকাছেও যাবেন না। আর স্বামী ধনী হলে কৌশলে নিয়ে এসে সদকাহ করে দিন। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1382
(৩) যেই রেস্টুরেন্টে হালাল হারাম ব্যবসা রয়েছে, সেই ইনকাম থেকে কিছুই গ্রহণ করা জায়েয হবে না। যদি এই জাতীয় ব্যবসার মালিক স্বামী হয়, তাহলে স্ত্রীর জন্য জরুরত পর্যন্ত গ্রহণ করা জায়েয। অতিরিক্ত গ্রহন করা জায়েয হবে না।