এক ব্যক্তি যদি অপরকোনো ব্যক্তির সাথে অন্যায় করে যেমন ধোকা, প্রতারণা, মিথ্যাচার ইত্যাদি। ভুক্তভোগী যদি কষ্ট পেয়ে কেদে আল্লাহর কাছে বিচার চায় এভাবে যে " আল্লাহ আমি যদি নিরাপরাধ হই আর সে যদি অপরাধী হয় তাহলে তুমি ওর বিচার করো। " তাহলে এটা কি ঠিক??
১)কিন্তু প্রশ্ন হল ভুক্তভোগী বলেছে সে যদি নিরাপরাধ হয়, কিন্তু সে যদি নিরাপরাধ না হয় তাহলে কি আল্লাহ ওই জুলুমকারীর নিচার করবেন না?? কারন সে এত বুঝে দোয়া করতে পারে নাই, সে যখন প্রতারিত হয় তখন সে কান্না করে অইভাবে বিচার চেয়েছিল। এইভাবে যদি কেউ শর্ত জুড়ে দিয়ে কোনো অপরাধীর বিচার চায় তাহলে কি শর্ত পুরোপুরি পুরণ না হলে বিচার হয় না??
২) ওইভাবে দোয়া করার কারনে কি তার বিচার আটকে গেল? যেহেতু ভুক্তভোগী পুরোপুরি নিরাপরাধ নয় তাহলে কি জুলুমকারীর বিচার ও আটকে গেল??
কুরআন ও সুন্নাত অনুযায়ী উত্তর দিবেন প্লিজ