বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
মুসলিম ব্যক্তির কোন রোগ হলে তার যে কষ্ট হয় তার বিনিময়েও আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করেন। মু’মিন ব্যক্তির যে কোন রোগ হলে এর বিনিময়ে আল্লাহ তা‘আলা তার গুনাহসমূহ মাফ করে দেন। নাবী (সা.) বলেছেন :
مَا مِنْ مُسْلِمٍ يُصِيبُه أَذًى مِنْ مَرَضٍ فَمَا سِوَاهُ إِلَّا حَطَّ اللهُ بِه سَيِّئَاتِه كَمَا تَحُطُّ الشَّجَرَةُ وَرَقَهَا
‘‘কোন মুসলিম যখনই কোন রোগ অথবা অন্য কিছুর মাধ্যমে কষ্ট পায়, কাঁটা বিধে বা তার চেয়েও কঠিন কষ্ট হয়, আল্লাহ তা‘আলা এর কারণে তার গুনাহসমূহকে মোচন করে দেন এবং তার গুনাহসমূহকে এভাবে ঝরিয়ে দেয়া হয় যেভাবে গাছ তার পাতা ঝরিয়ে দেয়।’’[সহীহুল বুখারী : ৫৬৪৮, সহীহ মুসলিম : ৬৭২৪]
জাবির হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নাবী (সা.)-কে বলতে শুনেছি,
مَا مِنْ مُؤْمِنٍ وَلَا مُؤْمِنَةٍ وَلَا مُسْلِمٍ وَلَا مَسْلَمَةٍ يَمْرَضُ مَرَضًا إِلَّا قَصَّ اللهُ بِه عَنْهُ مِنْ خَطَايَاهُ
‘‘যে কোন মু’মিন পুরুষ অথবা নারী, যে কোন মুসলিম পুরুষ অথবা নারী রোগাক্রান্ত হয় এর বিনিময়ে আল্লাহ তার গুনাহরাশি মোচন করে দেন।’’[আল আদাবুল মুফরাদ : ৫০৮, হাদীসটি সহীহ; আলবানী আস্ সহীহাহ্ গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, হাদীস নং ২৫০৩]
জাবির (রাঃ) বলেন, উম্মে সায়িব বা উম্মে মুসাইয়িব-এর জ্বর হলে রাসূলুল্লাহ (সা.) তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে উম্মে সায়িব বা উম্মে মুসাইয়িব! তোমার কী হয়েছে যে, থরথর করে কাঁপছো? সে বললো, জ্বর হয়েছে, আল্লাহ তাতে বরকত না দিন। (এ কথা শুনে) রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন :
لَا تَسُبِّى الْحُمّٰى فَإِنَّهَا تُذْهِبُ خَطَايَا بَنِى آدَمَ كَمَا يُذْهِبُ الْكِيرُ خَبَثَ الْحَدِيدِ
‘‘জ্বরকে গালি দিও না। জ্বর তো আদম সন্তানের পাপ মোচন করে যেমন হাপর লোহার ময়লা দূর করে।’’[সহীহ মুসলিম : ৬৭৩৫]
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
বড় অসুখ হলে যেহেতু কষ্ট বেশী হবে, তাই এদ্বারা আরো বেশী পরিমাণ গোনাহ মাফ হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।