আসসালামু আলাইকুম শায়খ,
স্বামী যদি সব কিছু মার সাথে আলোচনা করে সেটা যদি ওয়াইফের কষ্ট হয় এটা কি অন্যায় হবে স্ত্রীর ?
স্বামী কি পড়ে অফিসে যাবে মার সাথে জিগ্যেস করে পড়ে,যেখানে বউ আছে সেখানে ছোট বিষয় মাকে জিগ্যেস করে যা সাধারনত মানুষ বউ থাকলে বউকে জিগ্যেস করে, এক্টা জিনিস খাবে কিনা, এক্টা জিনিস পড়বে কিনা,এখন গোসল করবে কিনা, এক্টা ওষুদ খাবে কিনা, চুল কাটতে যাবে তাও মা যখন বলবে তখন, হাফ প্্যান্ট ও মা ধুয়ে দেয়, আমার শাশুড়ি প্রচন্ড জুলুম করছে আমার সাথে তার আচরন দিয়ে এর জন্য এমনিতেই কষ্টে থাকি, তারপর তার ের কম বোকা বোকা স্বভাব দেখে রাগে কষ্টে খুব খারাপ লাগে,যে বিষয়ে তার মা অজ্ঞ সে বিষয়েও মার সাথে আলোচনা ,আমি যদি বলি আমটা কেটে দি, গিয়ে মাকে জিগ্যেস করবে মা আম কাটুক সারা?এই সেম াচ রন গুলা যদি আমি করতাম ঠিকই আমার দোষ,আমার মার দোষ হয়ে যেতো,বলত মেয়ে মার কথায় চলে, তাহরে তার বেলায় কি?সে তো সব কিছুতে মাকেই রাখে।তার মা যদি বলে না তাহলে সেটা না,আমি যদি বলি ল্যাপ ছাদে দি চলেন মাকে গিয়ে জিগ্যেস করবে মা কম্ফোর্ট ছাদে দিবো?,আবার ছেলে জামা কাপড় মা সাথে গিয়ে কিনে, যেখানে ব ্উ আছে সেখানে মা এর পছন্দ মতো জামা পড়ে , এতো রাগ াা কষ্ট লাগে আমি যদি বলি এগুলো কইরেন না, দৃষ্টিকটু লাগে বলবে আরে আমি তো সম্নান করি তাই বলি,বলদ বলদ কথা বইলো না, তার এই আচরন কি পরিবর্তন করা উচিত না? শায়খ এক্টু পরামর্শ দেন আমার এবং আমার হাজবেন্ডের উদ্দেশ্য,
এমনকি আমার শাশুড়িও কখনোই তিনি আমার সুবিধা অসুবিধা দেখবেন না,নিজে হচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত লেবেলে সুচিবাই রোগী,এক রোখা কখনো আমার সুবিধাকে প্রাধ্যন্য৷ দিতে চায় না নেগেটিব মনা,স্বাভাবিক নৈতিক স্বাদীনতা দেয় না, এক্টু সামান্য এক্টা জিনিস এখান থেকে ওখানে রাখলে কথা শুনায় দেয়,বাজে ব্যবহার করে,এরকম সব কিছুতে,পাগল হয়ে যাচ্ছি,কি করব আমি?মাথায় কাজ করে নাহ