আসসালামু আলাইকুম । আমি একজন মেয়ে । আমার বয়স 18 বছর। আমার বাবা মা 2 জনেই ব্যাংক এর চাকরি করত। আলহামদুলিল্লাহ্ আমার মা এর বুঝতে পারে যে এই পথ হারাম। তাই তিনি চাকরি ছেড়ে দেন। আমার বাবা তার 4 বছর পর চাকরি ছাড়েন। তারপর আমাদের সাথে কথা বলেন এর পর কি করা যায়। তখন আমি বলি যে ব্যবসা তে বারাকাহ বেশি ।তখন তিনি ব্যবসা শুরু করেন কিন্তু আমার বাবা ব্যাংক থেকে যে পেনশন এর টাকা পাইসিলেন ঐটা দিয়ে শুরু করেন। যা হালাল না। ছোট বেলা থেকেই এই ব্যাংক থেকে উপর্জিত অর্থ দিয়েই আমার বাবা আমাদের ভরণ পোষণ দেন। তাহলে বলা যায় আমার তো শরীরের সব কোষ ও হারাম খাবার খেয়ে বেড়ে উঠেছে। যদিও তাদের হারাম আমার কাছে হালাল ছিল।
১. তাদের হারাম উপার্জন আমার কাছে যদিও হালাল ছিল। এর সূত্র তো হারাম । এ ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব কি পড়বে না আমার জীবনে?
২. আমি তো এখন বড় হয়েছি। আমার বয়স 18। মেয়ে হওয়ার কারণে আমি বাইরে গিয়ে কাজ করতে পারব না। আমাকে এখনও আমার বাবার অধীনেই থাকতে হয়। এখনো তো আমি ওই হারাম রিযিক ই গ্রহণ করছি। এতে আমার পাপ হচ্ছে না? হারাম রিযিক এর জন্যে তো দুআ,নামাজ ও কবুল হয় না। তাহলে এখন আমার কি করা উচিৎ?
3. আমি অনেকবার চেষ্টা করেছি যে বাড়িতে বসে অনলাইনে কিছু একটা করে হালাল উপার্জন করব। আর নিজের খরচ নিজে চালাবো। কিন্তু কোনো বারেই সফল হই নি। এখন আমার পরিবারে এমন অবস্থা হয়তো খুঁজলেও 1 টাকা হালাল পাওয়া যাবে । কারণ আমার বাবার আর অন্য কোনো আয়ের পথ নেই। আর কেউ হালাল টাকা দিয়ে সাহায্য করবে এমন ও নেই। আমার পরিবারে হারাম রিযিক এর পরিণতি যে কতখানি সেই বিষয় এ খুব বেশি বুঝে না। আমি বুঝাইতে গেলেও বুঝে না। আমার মনে হয় যে আমার এই হারাম রিযিক এর জন্য আমার নামাজে খুশু খুজু নেই। সব এলোমেলো। আল্লাহ ভালো জানেন। এ রকম সমস্যা তো অনেকের ক্ষেত্রে। আমি ছেলে হলে বাইরে গিয়ে কাজ করতে পারতাম । এখন কি করব? আমার বাবার দেওয়া ভরণপোষণ এগুলা কি এখনো আমার জন্য হালাল ? আমি তো বড় হয়েছি।