ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আমাদেরকে স্বরণ রাখতে হবে যে,যেহেতু শরীয়ত ঐ ব্যক্তিকে প্রয়োজন পর্যন্ত অনুমতি দিয়েছে,বিধায় রুজিরোজগারের কোনো উপায় না থাকার শর্তে প্রয়োজন পর্যন্ত ই সুদের বিনিময়ে ঋণ গ্রহণ জায়েয হবে।সুতরাং কাউকে ঋণ দিয়ে সুদ গ্রহণ করা জরুরতের আওতাভুক্ত নয়। কেননা এক্ষেত্রে তার কাছে কিছু টাকা আছে, অন্য কিছু না থাকলেও অন্ততপক্ষে মূলধন তো অবশিষ্ট রয়েছে।
সুদের বিকল্প পদ্ধতি
ব্যাংক যদি টাকা না দিয়ে গ্রাহককে বাকীতে পণ্য দেয়, বাজার মূল্য থেকে যার মূল্য বেশী থাকে, এবং ব্যাংক কিস্তিতে ঐ মূল্য বাবৎ টাকা প্রদানের সুযোগ দেয়,তাহলে এটা জায়েয হবে।যেমন আরব বিশ্বের কিছু ব্যাংকে এমনটা রয়েছে। আল্লাহ-ই ভালো জানেন।
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
ইনফার্টিলিটি চিকিৎসার জন্য যদি কোথাও করজে হাসানাহ না পান, এবং কোনো কিছু বিক্রি করে হলেও চিকিৎসা করানোর মত টাকা সংগ্রহ না হয়, তাহলে চিকিৎসাতে যত টাকা ব্যায় হবে, সেই পরিমাণ টাকা লোন গ্রহণ করতে পারবেন। অতিরিক্ত টাকা বা উমরাহ করার জন্য আরো কিছু টাকা লোন গ্রহণ জায়েয হবে না।