১. ফরজ সালাত বা পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় ব্যতীত জুম্মার সালাতে সামনের সারিতে বসার আদব কি?
এ বিষয়ে কুরআন হাদিস কি বলে?
২. আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু।
ক) আমি খুব কল্পনা করি। মানে আমার ফিউচার হাজবেন্ড, তার পরিবার, বিয়ের পর সংসার জীবন, বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে। একটা পুরুষকে হাজবেন্ড হিসেবে কল্পনা করি, সে নির্দিষ্ট কেউ না। তো তার সাথে আমি শারীরিক সম্পর্ক নিয়েও কল্পনা করি। এসব কি যিনা এর অন্তর্ভুক্ত?
আগে একজনকে এক তরফা পছন্দ করতাম, তখন সারাদিন তাকে নিয়েই কল্পনা করতাম। কিন্তু এটা তো যিনা তাই এর থেকে বেরিয়ে আসতে আমি উপরের কল্পনার আশ্রয় নেই। এসবের জন্য আমার কি গুনাহ হচ্ছে?
খ) আমল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা হয়। অনেকে দুরুদ-ইস্তেগফার দুআ কবুলের নিয়তে করে থাকে। এতে ফায়দা দুনিয়া কেন্দ্রীয় হয়ে যায়। এর ফায়দা আখিরাতে পাওয়া যায় না। তাই আমি যদি আমলের আগে নিয়ত করি – “আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং দুনিয়া ও আখিরাতের জানা-অজানা সমস্ত ফজিলত আফিয়াহ ও খইরের সাথে লাভ”
এই নিয়ত করলে কি আমি দুনিয়া ও আখিরাত উভয়ে সওয়ার পাবো? নাকি সব আমলই করার আগে নিয়ত হতে হবে আল্লাহর সন্তুষ্টি?
৩. আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।
আমি জানতে চাচ্ছি যে,আমি আগে জানতাম হায়েজ নেফাস অবস্থায় শুধু দোয়ার আয়াতগুলো দোয়া হিসেবে পড়া যায় আর বাধ্যতামুলক হলে কোরআন তেলাওয়াত ভেঙে ভেঙে পড়া যায় কিন্তু কালকে শুনলাম যে,সবাই নাকি হায়েজ অবস্থায় ভেঙে ভেঙে কোরআন তেলাওয়াত করতে পারবে জরুরি না হলেও,তাই এরকম করা যাবে আমার জরুরি না হলেও হায়েজ অবস্থায় ভেঙে ভেঙে কোরআন তেলাওয়াত করলাম এতে কোন অসুবিধা হবে কি না?
৪. Assalamu alaikum.ভার্সিটির প্রেশারের কারনে যোহরের সুন্নত নামাজ কি ছাড়া যাবে?অনেক টায়ার্ড থাকি মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারি না নামাজ।তাছাড়া অনেক সময় সময় অল্প থাকে ব্রেক এর গোসল খাওয়া নামাজ পড়ার সময় থাকে না।এম্নিতে নরমাললি পড়ি সব নামাজই।
৫. উস্তাদ আমি স্বপ্নে দেখি আমি বিবাহিত। শাড়ি পরে নানু বাসায় বেড়াতে গিয়েছি।
৬। আবার দেখি যে ছেলের সাথে বিয়ের কথা চলছিল পূর্বে। তারা ৫ মাসের সময় চেয়েছে উভয়পক্ষ পছন্দ হওয়ার পরেও। স্বপ্নে দেখি যে তারা আবার এসেছে আমাদের বাসায়। কিন্তু আমার ভাবি যত্ন করছে না। সে ছ্যান ছ্যান করে। এরপর ছেলের খালারা বলে যে তোমার ত চুল অনেক কম। আমি বলি এজন্যই আপনাদের সামনে চুল খুলেছি। আমার চুল কম এতে আফসোস নেই। কিন্তু আপনাদের যাতে পরবর্তীতে সমস্যা না হয় তাই.... উনাদের আমাদের বাসায় আসারই কথা না উস্তাদ। কিন্তু আমি প্রায়ই স্বপ্ন দেখি হয় উনারা আসছে না হয় আমরা গিয়েছি। এমননা যে আমি ভাবি উনাদের নিয়ে।
৭. স্বপ্নে দেখি আমার কাজিনের ছেলে মেয়ে বওজনেস করে অনলাইনে। কী বাজে ছবি আকা, রান্না ভালো না তাও বিক্রি করতেছে অনলাইনে। আমি ভাবছিলাম তারা বিজনেস করতে পারলে আমারগুলো দেখলে মানুষ হুমরি খেয়ে পড়বে কিনার জন্য ইনশাআল্লাহ এরপর সজাগ হয়ে যাই