আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
21 views
in ব্যবসা ও চাকুরী (Business & Job) by (1 point)
edited by
একজন  সৎ সরকারি কর্মকর্তা অনিচ্ছা সত্ত্বেও কিছু ঘুষের টাকার ভাগ নিতে বাধ্য হয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে সেই টাকা সওয়াব এর নিয়ত ব্যতীত অসুস্থ দুস্থ মানুষ কে দিয়ে দেয়।

এখন প্রশ্ন হলো সে কি সেই টাকা থেকে কিছু টাকা  তার অসুস্থ শ্বশুর শাশুড়ী-কে দিতে পারবে? চিকিৎসা খরচ চালাতে গিয়ে তারা অনেক ঋনগ্রস্থ হয়েছে। তাতে কি  অই সরকারি কর্মকর্তা  অথবা তার স্ত্রীর কোনো গুনাহ হবে?
উল্লেখ্য, তাদের( শ্বশুর শ্বাশুড়ি)  বড় ছেলে বীমা কোম্পানিতে চাকরি করেন এবং পরিবারের ব্যয় অল্প কিছু নির্বাহ করেন৷

1 Answer

0 votes
by (694,770 points)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
من ملك بملك خبيث ولم يمكنه الرد الى المالك فسبيله التصدق على الفقراء
যদি কারো নিকট কোনো হারাম মাল থাকে,তাহলে সে ঐ মালকে তার মালিকের নিকট ফিরিয়ে দেবে।যদি ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব না হয়,তাহলে গরীবদেরকে সদকাহ করে দেবে।(মা'রিফুস-সুনান১/৩৪)

في الشامية: والحاصل: أنه إن علم أرباب الأموال وجب رده عليهم، وإلا فإن علم عين الحرام لايحل له ويتصدق به بنية صاحبه''. (5/99،مَطْلَبٌ فِيمَنْ وَرِثَ مَالًا حَرَامًا، ط: سعید)   فقط واللہ اعلم
যদি কোনো ওয়ারিছ তার মুরিছ থেকে প্রাপ্ত সম্পত্তির ব্যাপারে জানে যে, এটা হারাম মাল। এবং ঐ মাল বা সম্পদের মালিক সম্পর্কে তার জানা থাকে, তাহলে তখন ঐ সম্পদকে তার মালিকের নিকট ফিরিয়ে দিতে হবে। কিন্তু যদি কোনো মাল-ধৌলত এর মালিক সম্পর্কে জানা না থাকে, তবে এতটুকু জানা থাকে যে, মূলত এটা হারাম মাল, তাহলেও এটা ওয়ারিছের জন্য হালাল হবে না, বরং সেটাকে তার মালিকের পক্ষ থেকে সদকাহ করে দিতে হবে।(রদ্দুল মহতার-৫/৯৯,শামেলা নুসখা)

সুদের টাকার ব্যয়খাত সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/2034

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
পরিস্থিতির বাধ্য হয়ে ঘুষের ভাগ নিজ পকেটে ঢুকানোও সঠিক নয়। বরং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিবাদ করাই উচিত ও শরীয়তের দৃষ্টিতে ওয়াজিব। যাইহোক, ভবিষ্যতে এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। যা কিছুই আপনার পকেটে এসে জমা হয়েছে, সেগুলো গরীব কাউকে দিয়ে দিবেন। আপনার শশুড় শাশুড়ী যদি নিতান্তই গরীব হন, যাকাত গ্রহণের মত অবস্থা তাদের হয় -প্রশ্নের বিবরণমতে সেটাই বুঝা যাচ্ছে- তাহলে তাদেরকে ঘুষের টাকা দিতে পারবেন। এতে কোনো সমস্যা হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...