ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
সূরা ওয়াকেয়া সম্পর্কে নিম্নোক্ত হাদীস বর্ণিত রয়েছে।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি থেকে বর্ণিত,
ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻣﺴﻌﻮﺩ ﺳﻤﻌﺖ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ـ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ـ ﻳﻘﻮﻝ : " ﻣﻦ ﻗﺮﺃ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻮﺍﻗﻌﺔ ﻛﻞ ﻟﻴﻠﺔ ﻟﻢ ﺗﺼﺒﻪ ﻓﺎﻗﺔ ﺃﺑﺪًﺍ "
তরজমাঃ- তিনি বলেন, নবীজী ﷺ বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক রাতে সূরা ওয়াকেয়া তিলাওয়াত করবে; সে কখনও অভাব-অনটনে পতিত হবেনা।’ (শু‘আবুল ঈমান, হাদীস নং-২৪৯৯) বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/459
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনারা পরিবারের সবাই ফরয নামায অত্যান্ত যত্নসহকারে পড়বেন। এবং পরিবারের সবাই প্রতিদিন মাগরিব পর সূরায়ে ওয়াকেয়া অত্যান্ত যত্নসহকারে তিলাওয়াত করবেন। আল্লাহ অবশ্যই আপনাদেরকে সাহায্য করবেন।আমীন।
(১) এর পাশাপাশি পাচ ওয়াক্ত নামায আউওয়াল ওয়াক্তে পরিবারের সবাই পড়বেন। এবং তাহাজ্জুদের নামায পড়বেন।
(২) ব্যবসার লাভের কথা কাউকে জানাবেন না। এবং এই দুআ নিয়মিত পড়বেন। ”আল্লাহুম্ম ইন্না নাআযু বিকা মিন শাররি মা আজিদু ওয়া উহাযিরু।”
(৩) দোকানে আয়াতুল কুরসী লিখে রাখা অনুচিত। বরং তিলাওয়াত করা যেতে পারে।
(৪) ৩০ পারা কুরআন তিলাওয়াতের পানি বরকতের নিয়তে ছিটানোর চেয়ে দোকানে বসে কুরআন তিলাওয়াত করাই উচিত।
(৫) হিসাব ভুলে গেলে উনাকে বলবেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন পড়তে।