0 votes
46 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (2 points)
আসসালামু আলাইকুম. সম্মানিত মুফতী সাহেব..

বিষয়-  ডিভোর্স  ফরমে তালাকের স্বাক্ষর  প্রসঙ্গেে

আমি আমার স্ত্রীর সাথে ফ্যমিলিগত একটা বিষয় নিয়ে মনোমলিন্যে জড়িয়ে পড়ি- পরবর্তীতে মেয়ে পক্ষ থেকে কাযী  এনে লিখিত তালাকপত্রে আমার স্বাক্ষর নেয়.আমি মুখে উচ্চারণ না করলেও অনিচ্ছাথাকা সত্বেও একপর্যায়ে ডিভোর্স লেটারে স্বাক্ষর করি- এখন আমার জানার বিষয় হলো; আমি আবার সংসার আগের মতোই শুরু করতে চাই। এখন জানার বিষয় হলো এভাবে তালাক পতিত হয় কি না? এবং আমার সংসার আবার শুরু করাতে শারিআহ কতৃক আমার  করণীয় কী-

কাইন্ডলি দ্রুত জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো..জাযাকুমুল্লাহু খায়র...
by (39.8k points)
আপনি যে কাগজে সাক্ষর করেছিলেন,তাতে কয় তালাকের উল্লেখ ছিলো?

1 Answer

0 votes
by (39.8k points)
বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-

নির্ভরযোগ্য ফাতাওয়া গ্রন্থ ফাতাওয়ায়ে বাযযাযিয়্যায় বর্ণিত রয়েছে-
كتب غير الزوج كتاب الطلاق و قرأه على الزوج ،فأخذه وختم عليه،أو قال لرجل ابعث هذا الكتاب اليها، فهذا بمنزلة كتابة بنفسه،

(الفتاوى البزٌَازيٌَة على هامش الفتاوى الهندية ،ج ٤ـ ص١٨٥ـ مكتبة رشيدية، كتاب الطلاق ،نوع في التوكيل و كتابته)

ভাবার্থ: যদি স্বামী ব্যতীত অন্য কেউ তালাক নামা প্রস্তুত করে, এবং তা স্বামীকে পড়ে শুনায়, অতঃপর স্বামী উক্ত তালাক নামাকে হাতে নিয়ে তাতে সাক্ষর করে বা কাউকে উদ্দেশ্য করে বলে যে, উক্ত তালাক নামা তাকে(স্ত্রীকে) পৌছিয়ে দাও,তাহলে এমতাবস্থায় তালাক পতিত হয়ে যাবে।

(ফাতাওয়ায়ে বাযযাযিয়্যাহ;৪/১৮৫)

আরো বর্ণিত রয়েছে- ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়্যাহ-১২/৬৪৫

প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই!

আপনার বিবরণ অনুযায়ী আপনার স্ত্রীর উপর তালাক পতিত হয়ে গেছে।ইচ্ছায় হোক অনিচ্ছায় হোক শেষ পর্যন্ত আপনি তাতে সাক্ষর করেছেন।তালাক নামায় সাক্ষর করা মানে মূখে তালাক প্রদাণ করা।

তালাক নামায় যদি তিন তালাকের উল্লেখ থাকে তাহলে আপনারা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।এখন পূনরায় সংসার বাধার আর সাধারণ কোনো নিয়ম বা রাস্তা নেই।

তবে যদি ঘটনাক্রমে তালাকপ্রাপ্ত ঐ স্ত্রীর অন্য কোথাও বিয়ে হয়।এবং সে স্বামীর সাথে সংসার করার পর বা কমপক্ষে প্রথম সহবাস হওয়ার পর সংসার ভেঙ্গে যায়।তাহলে আপনি পূনরায় আবার তাকে বিয়ে করতে পারবেন।

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ, Iom.
পরিচালক
ইসলামিক রিচার্স কাউন্সিল বাংলাদেশ

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

...