আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
25 views
ago in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (13 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ
উস্তাদ,আমাদের কুরআন সাবজেক্ট।। পিরিয়ড অবস্থায় পড়া  লাগে।।কারন এখন পরীক্ষা।। কিন্তু কেমন জানি লাগে।।পিরিয়ড অবস্থায় পড়া কি ঠিক হচ্ছে।।কুরআন তেলাওয়াত না।একটা করি আরবি শব্দ পড়ি আর বাংলা অর্থ পড়ি।আয়াতের উপর হাত রাখি না।।মোবাইল এর ফাকা জায়গায় হাত রেখে আয়াত চেইঞ্জ করা লাগে।

২/কুরআন শুয়ে বা হেলান দিয়ে মাথায় কাপড় না দিয়ে অজুসহ মোবাইল এ পড়া যাবে কি।

২/কেউ যদি হারাম টাকায় কোন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে যেমন কম্পিউটার শেখে, সেলাই শেখে বা অন্য কোনো প্রশিক্ষণ। । এখন ভবিষ্যতে যদি কাউকে কম্পিউটার বা সেলাই কাজ শেখায়,,তাহলে যে টাকা পাবে,, তা কি হারাম হবে?

1 Answer

0 votes
ago by (643,650 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
অপবিত্র বা হায়েয অবস্থায় কুরআন স্পর্শ করা যাবে না।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-https://www.ifatwa.info/793

হায়েয অবস্থায় কুরআন তেলাওয়াত করা যাবে কি না? এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন-https://www.ifatwa.info/389

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
হায়েয অবস্থায় কুরআনের ঐ সমস্ত আয়াত তিলাওয়াত করা যাবে, যেগুলোতে দু'আর অর্থ বিদ্যমান রয়েছে। তবে আয়াতে দু'আর অর্থ বিদ্যমান না থাকলে, তখন কিন্তু হায়েয অবস্থায় উক্ত আয়াত সমূহ পড়া যাবে না।
لو قرأت الفاتحة على وجه الدعاء أو شيئا من الآيات التي فيها معنى الدعاء ولم ترد القراءة لا بأس به كما قدمناه عن العيون لأبي الليث ‘‘(رد المحتارعلی الدرالمختار، جلد1، کتاب الطھارۃ، صفحہ535، مطبوعہ کوئٹہ)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
হায়েয অবস্থায় ভেঙ্গে ভেঙ্গে কুরআন পড়া যাবে। এক্ষেত্রে তবে এক্ষেত্রে তিলাওয়াতের নিয়ত করা যাবে না। তখন তিলাওয়াতের চেয়ে তাসবিহ তাহলিলই উত্তম হিসেবে বিবেচিত হবে।

لما في الفتاوی الهندية:
"وَإِذَا حَاضَتْ الْمُعَلِّمَةُ فَيَنْبَغِي لَهَا أَنْ تُعَلِّمَ الصِّبْيَانَ كَلِمَةً كَلِمَةً وَتَقْطَعُ بَيْنَ الْكَلِمَتَيْنِ، وَلَايُكْرَهُ لَهَا التَّهَجِّي بِالْقُرْآنِ. كَذَا فِي الْمُحِيطِ". (الْفَصْلُ الرَّابِعُ فِي أَحْكَامِ الْحَيْضِ وَالنِّفَاسِ وَالِاسْتِحَاضَةِ،الْأَحْكَامُ الَّتِي يَشْتَرِكُ فِيهَا الْحَيْضُ وَالنِّفَاسُ ثَمَانِيَةٌ، ١/ ٣٨)

حاشية رد المحتار على الدر المختار (1/ 293):
’’( وقراءة قرآن ) أي ولو دون آية من المركبات لا المفردات؛ لأنه جوز للحائض المعلمة تعليمه كلمةً كلمةً، كما قدمناه وكالقرآن التوراة والإنجيل والزبور ... (ومسه) أي القرآن ولو في لوح أو درهم أو حائط، لكن لا يمنع إلا من مس المكتوب، بخلاف المصحف؛ فلا يجوز مس الجلد وموضع البياض منه، وقال بعضهم: يجوز، وهذا أقرب إلى القياس، والمنع أقرب إلى التعظيم، كما في البحر، أي والصحيح المنع كما نذكره، ومثل القرآن سائر الكتب السماوية كما قدمناه عن القهستاني وغيره‘‘.
হায়েয অবস্থায় কুরআনের আরবি শব্দ না পড়ে বরং  বাংলা অর্থ পড়লে। এবং আয়াতের উপর হাত না রাখলে কোনো সমস্যা হবে না। ।মোবাইল এর ফাকা জায়গায় হাত রেখে আয়াত চেইঞ্জ করা যাবে।

(২)কুরআনকে শুয়ে বা হেলান দিয়ে মাথায় কাপড় না দিয়ে অজুসহ মোবাইল এ পড়া যাবে। তবে হেলান  পড়াটা অনুত্তম হিসেবে বিবেচিত হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ago by
আসসালামু আলাইকুম 

উস্তাদ,,শেষের প্রশ্নের উত্তরটা একটু দেন।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...