ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হজ্বের পদ্ধতিঃ
হজ্বের ফরয তিনটি :
১। ইহরাম বাঁধা (বেহেশতি জেওর-১/৪৬১)
২। উকূফে আরাফা। অর্থাৎ ৯ যিলহজ্ব সূর্য ঢলে যাওয়ার পর থেকে পরবর্তি রাতের সুবহে সাদিক উদিত হওয়ার পূর্বে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও আরাফার ময়দানে অবস্থান করা।
৩।তাওয়াফে যিয়ারত। ১০ যিলহজ্ব থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্তের আগেই এ তাওয়াফ সম্পন্ন করা।
في بدائع الصنائع :
"[فَصْلٌ رُكْنُ الْحَجِّ] (فَصْلٌ) : وَأَمَّا رُكْنُ الْحَجِّ فَشَيْئَانِ: أَحَدُهُمَا. الْوُقُوفُ بِعَرَفَةَ وَهُوَ الرُّكْنُ الْأَصْلِيُّ لِلْحَجِّ، وَالثَّانِي طَوَافُ الزِّيَارَةِ". (٢/ ١٢٥)
وفي الفتاوی الهندیة:
"(وأما ركنه فشيئان) الوقوف بعرفة وطواف الزيارة لكن الوقوف أقوى من الطواف كذا في النهاية حتى يفسد الحج بالجماع قبل الوقوف، ولا يفسد بالجماع قبل طواف الزيارة كذا في شرح الجامع الصغير لقاضي خان.
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
হজ্বের ফরয ওয়াজিব গুলো ঠিকঠাক মত পালন করে নিতে পারলে চায় দেড়ীতেই হোক না কেন, হজ্ব আদায় হতে কোনো বিধিনিষেধ থাকবে না। আপনি যদি মা বাবার খেদমত করে করে হজ্ব করতে পারেন, তাহলে এখানে দুইটি সওয়াব পাবেন, একটা হল, হজ্বের সওয়াব এবং অন্যটি হল, সফরের হালতে মাতাপিতার খেদমত করার সওয়াব।