আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
22 views
in পবিত্রতা (Purity) by (18 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ।
আমার সাধারণত ৮ দিন পর্যন্ত স্পষ্ট হায়েজ হয় মানে লাল এবং গাঢ বাদামী থাকে ৮ দিন।

বাকী ২ দিন একবার সাদাস্রাব আসে একদম টোটালি সাদা আবার হালকা হলদেটে বা হালকা বাদামী বর্ণের আসে।

এইদিন যখন সাদা দেখি গোসল করে নামাজ পড়ি আবার কালার হালকা অন্য কালার আসলে নামাজ ছেড়ে দিই এভাবে আমার ঠান্ডা লেগে যায় আমার টনসিলের সিভিয়ার সমস্যা উনিশ বিশ হলেই ব্যাথা বাড়ে। খেতে পারি না ঠিক মতো উচ্চারণ করে সলাত পড়তে পারি না। ডাক্তার বলেছে সবসময় সাবধানে থাকতে ঠান্ডা কম লাগাতে।

এই দুই দিন আমার বেশ সমস্যায় থাকি প্রতি মাসে।

এক/ দুইবার এমন হয়েছে আমি এক দুই ওয়াক্ত সাদাস্রাব দেখেছি তাও সলাত পড়েনি কারণ আবার হয় দশদিনের ভিতর অন্য কালার আসে জানি।  আমার অভ্যাস ওমন কিন্তু ওইবার আর হয় নি। তারপর খুব খারাপ লেগেছে এবং তওবা করে কাজা পড়েছি। এখন আমি ভয়ে তাই প্রত্যেকবার গোসল করে করে নামাজ পড়ি। কিন্তু বার বার হয়! সালাত ও ভাঙা যায় মাঝখানে বার বার গোসল করে অসুস্থ হয়ে পড়ি।

এখন আমার করনীয় কি?

যেহেতু আমার বেশিরভাগ ই ১০ দিন পর্যন্তই যায় আমি সাদাস্রাব দেখলেও কি ১০ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারবো?

আমার কি গুনাহ হবে?

1 Answer

0 votes
ago by (634,080 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হায়েযের সর্বোচ্ছ সময়সীমা ১০দিন।এ ১০দিনের ভিতর লাল,হলুদ,সবুজ,লাল মিশ্রিত কালো বা নিখুত কালো যে কালারের-ই পানি বের হোক না কেন তা হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে।যতক্ষণ না নেপকিন সাদা নজরে আসবে। (বেহেশতী জেওর-১/২০৬) তথা সাদা রং ব্যতীত সকলপ্রকার রং ই হায়েযের অন্তর্ভুক্ত।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-

ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়ায় বর্ণিত রয়েছে,
فَإِنْ لَمْ يُجَاوِزْ الْعَشَرَةَ فَالطُّهْرُ وَالدَّمُ كِلَاهُمَا حَيْضٌ سَوَاءٌ كَانَتْ مُبْتَدَأَةً أَوْ مُعْتَادَةً وَإِنْ جَاوَزَ الْعَشَرَةَ فَفِي الْمُبْتَدَأَةِ حَيْضُهَا عَشَرَةُ أَيَّامٍ وَفِي الْمُعْتَادَةِ مَعْرُوفَتُهَا فِي الْحَيْضِ حَيْضٌ وَالطُّهْرُ طُهْرٌ. هَكَذَا فِي السِّرَاجِ الْوَهَّاجِ.
«الفتاوى الهندية» (1/ 37)
মাঝেমধ্যে হায়েয হওয়া আবার মাঝেমধ্যে বন্ধ হওয়া, দশ দিনের ভিতর সবকিছুই হায়েয হিসেবে গণ্য হবে।চায় এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন ঐ মহিলা প্রথমবার হোক বা এ ব্যাপারে অভ্যস্ত থাকুক। যদি রক্তস্রাব দশদিন অতিক্রম করে যায়, তাহলে প্রথমবার এ পরিস্থিতির সম্মুখিন মহিলার জন্য দশদিন হায়েয। আর কোনো এক সংখ্যায় আদত ওয়ালী মহিলার জন্য তার পূর্বের আদতই হায়েয় এবং বাদবাকী সময় তুহুর।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩৭,কিতাবুল-ফাতাওয়া-২/১০৮,কিতাবুন-নাওয়াযিল-৩/১৭২)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/7474

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
৮ দিন পর যেহেতু আপনার মাঝেমধ্যে সাদাস্রাব ও মাঝেমধ্যে হলুদ বর্ণের স্রাব আসে, এবং এটা ১০ দিন পর্যন্তই থাকে, তাই এই সম্পূর্ণ ১০ দিন হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...