আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
34 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (10 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারকাতুহ উস্তাদ।
গত এক মাস আগে আমার ভাবী আর আমার খালাতো বোন ফোন কলে ঝগড়া করছিল। ওই মুহূর্তে আমার খালা আর আমি পাশে বসে ছিলাম। তখন আমার খালা "এসব মানুষকে জুতা দিয়ে পিটানো দরকার" একটা কথা বলেছে। আর আমিও বলেছিলাম যে "আসলেই ঠিক বলেছেন"। কথাটা ভাবীকে বলেছিল কিনা আমার শিউর মনে পড়ছে না। এই কথা নিয়ে আমাদের মধ্যে অনেক ঝগড়া হয়, পুরো এক মাস যোগাযোগ বন্ধ ছিল। এখন এই কথা আমার খালা, আমার ভাবীকে বলেছিল কিনা আমার বর্তমানে মনেও নেই (হয়তো বলেছিল) কিন্তু আজকে আমার ভাই আমাকে জিজ্ঞেস করায় আমি বলেছি যে আমি ভাবীকে জুতা দিয়ে পিটানোর কথা বলি নাই আর পড়ে সে আমাকে দিয়ে কুরআন শরীফ হাতে নিয়ে এটা বলিয়েছে যে আমি এই কথা বলিনি। আমি অনেক কনফিডেন্স এর সহিত কুরআন শরীফ হাতে নিয়ে, উপরে হাত রেখে বলেছি আমি উনারে এই কথা বলিনি (আল্লাহ্ আমাকে ক্ষমা করুন)। কিন্তু এখন আমার মনে হচ্ছে আমি হয়তো ভুল করে ফেলেছি, কুরআন শরীফ হাতে নিয়ে আমি মিথ্যা বলেছি। আল্লাহ্ আমাকে ক্ষমা করুন। উস্তাদ আমার প্রশ্ন:

১. আমি কি কাফির হয়ে যাবো? আমি কুরআন শরীফ হাতে নিয়ে মিথ্যা বলেছি আস্তাগফিরুল্লাহ।

২. এটা কি শিরক হয়েছে? আমি কি শিরক করে ফেলেছি?

৩. আল্লাহ্ কি আমাকে ক্ষমা করবেন? আমি এমনিতেই একজন খুবই খারাপ গুনাহগার বান্দা তার মধ্যে আবার এই কাজ করেছি।

৪. আমি কিভাবে ক্ষমা চাইলে আর কিভাবে কাফফারা দিলে আশা করা যায় আল্লাহ্ আমাকে মাফ করবেন?

৫. ফতওয়া জানার পরে সেই অনুযায়ী আমল করলে, আল্লাহর নিকটে ক্ষমা চাইলেও কি আল্লাহ্ আমাকে হাশরের ময়দানে পাকড়াও করবেন?

একটু জরুরি জানাবেন উস্তাদ।
by (10 points)
উস্তাদ একটু উত্তর জানাবেন একটু তাড়াতাড়ি উস্তাদ

1 Answer

0 votes
ago by (634,080 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আপনি যদি প্রথমে ইচ্ছাকৃত মিথ্যা না বলে থাকেন, তাহলে আপনার কোনো গোনাহ হবে না। 
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
 ( رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا )
হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না।(সূরা বাকারা-২৮৬)
অন্য এক আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেন,
 (وَلَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ فِيمَا أَخْطَأْتُمْ بِهِ وَلَكِنْ مَا تَعَمَّدَتْ قُلُوبُكُمْ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَحِيمًا)
এ ব্যাপারে তোমাদের কোন বিচ্যুতি হলে তাতে তোমাদের কোন গোনাহ নেই, তবে ইচ্ছাকৃত হলে ভিন্ন কথা। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।(সূরা আহযাব-৫)

তবে যদি ইচ্ছাকৃত মিথ্যা বলে থাকেন, তাহলে আপনার কবিরা গোনাহ হবে।আপনাকে তাওবাহ করতে হবে। তবে ঈমান নষ্ট হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...