আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
33 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (26 points)
আসসালামুয়ালাইকুম,

আমি বেশ ছোটবেলা থেকেই নিকট আত্মীয়দের হিংসার স্বীকার, উদাহরণস্বরূপ কয়েক্তি ঘটনা ও ক্ষতির ব্যাপারে বলছি, জানতে যে আমার আসলে কি করা উচিত।

আমার আত্মীয়দের কেউ আজ থেকে প্রায় ২০ বছর আগে আমার বয়স তখন ১৭/১৮ যোহর নামাজ পরছি, আমার রুকুতে ভুল ছিল সম্ভবত কেউ একজন ওনাকে বললেন ও এভাবে রুকু দেয় কেন, উনি বললেন, কে জানে, আমাকে ভুল দেখিয়ে দেয়া দুরের কথা কথাটা খুব রুক্ষ ভাবে বললেন, এরপর একদিন বাসায় এসে আমাকে বললেন ওনার মেয়ে কে হিযাব পড়ার কথা বলতে হয়নি (অথচ উনার মেয়ে ছেলেদের সাথে আড্ডা দেয়া, ঘুরাঘুরি সব ই করে), আমি এদিকে লাজুক ছোটবেলা থেকেই, বিদেশ থেকে স্কলারশিপ পেয়ে পরতে গেলাম এটা নিয়ে উনি এবং খালু দুইজন এর ঝগড়া হত, তারপর আমি যাওয়ার পর আমার হাসবেন্ড এর ভিসা হল উনাদের সহ কয়েকজন আত্মীয়কে জানানোর পর আমার হাসবেন্ড  কয়েকদিন খারাপ সপ্ন দেখল যেটা এমন যে যুদ্ধ হচ্ছে আর আমার হাসবেন্ড আমাকে নিয়ে এদিক অদিক ছুটতেছে, এরপর আমাদের দুই পরিবার এ মনমালিন্ন হয়ে তালাক এর পর্যায়ে চলে গেল, এরপর আমার হাসবেন্ড আমার খবর নেয়া বন্ধ করে দিল, আমি স্বপ্নে উলতা পাল্টা দেখতাম, বিশাল কুকুর আমার উপর লাফায় পরতেছে, এরপর বেশ অসুস্থ হয়ে গেলাম, এদিকে উনার পরিবের এ আর ঝগড়া হয়না। একদিন আমার আব্বু-আম্মু কে বললেন আমার ছেলে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছে (উল্লেখ্য আমি ফার্স্ট ক্লাস সেকেন্ড হয়েছিলাম) তবে উনার ছেলের ব্যাপারটা সম্পুরনই মিথ্যা ছিল।
এরপর আমার নিজের খরচ নিজেকে চালাতে হয়, আমার আব্বু আমার অবস্থা দেখে স্ট্রোক করে, আমি আবার বিদেশ পরতে অ্যাপ্লাই করলাম, পিএইচডি করার সুযোগ পেয়ে চলে আসলাম, যেহেতু ্নিজের সাথে আব্বু-আম্মু র ভরণপোষণ এর ব্যাপার আছে। তবে আত্মীয় কাউকে বলিনাই  পিএইচডি করতে জাচ্ছি, কিন্তু যাওওার পর একদিন বললাম শুনে ওনাকে একটু কেমন লাগলো, এর ২ মাস পর আমি ভীষণ রকম অসুস্থ হয়ে যাই ৪৪ দিন জ্বর ছিল, ১৪ দিন হাস্পাতাল এ ছিলাম, এরপর উনি একদিন আমার আম্মু কে বললেন উনার বিদেশ যাওওার ইচ্ছার ব্যাপারে, কিন্তু আমি যখন সুস্থ হয়ে আবার পরতে আসব, খালা-খালু দুইজন বাসায় এসে আমাকে যেতে বারবার না করে। এখন উনারা যাওওার, উনার ছেলে মেয়েকে পাঠানোর ব্যাপারে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এরকম আরও কয়েকজন আত্মীয় একই আচরণ করেন অনেকটা আমরা গরিব হয়ে বিদেশে পরতেছি, আমার খুব সুন্দর সংসার টা উলতা পাল্টা হয়ে গেল, আব্বু আম্মু অসুস্থ হয়ে গেল, একটার পর একটা বিপদ লেগেই থাকতেছে, এর মধ্যে কিছু একটা করলে/ এ্যাচিভ করলে তাদের সহ্য হয়না।

 আমার কি তাদের কে ডেকে ব্যাপারগুলো আলোচনা করা উচিত?
জাযাকাল্লাহু খাইরান।

1 Answer

0 votes
by (633,330 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ওয়াবিসা ইবনে মা'বাদ রাযি থেকে বর্ণিত,
ﻭﻋﻦ ﻭﺍﺑﺼﺔَ ﺑﻦِ ﻣَﻌْﺒِﺪٍ  ﻗَﺎﻝَ : ﺃَﺗَﻴْﺖُ ﺭﺳﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪ ﷺ ﻓَﻘَﺎﻝَ : « ﺟِﺌْﺖَ ﺗﺴﺄَﻝُ ﻋﻦِ ﺍﻟﺒِﺮِّ؟ » ﻗُﻠْﺖُ : ﻧَﻌَﻢْ، ﻓَﻘَﺎﻝَ : « ﺍﺳْﺘَﻔْﺖِ ﻗَﻠْﺒَﻚَ، ﺍﻟﺒِﺮُّ : ﻣَﺎ ﺍﻃْﻤَﺄَﻧَّﺖْ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺍﻟﻨَّﻔْﺲُ، ﻭﺍﻃْﻤَﺄَﻥَّ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺍﻟﻘَﻠْﺐُ، ﻭﺍﻹِﺛﻢُ : ﻣَﺎ ﺣﺎﻙَ ﻓﻲ ﺍﻟﻨَّﻔْﺲِ، ﻭﺗَﺮَﺩَّﺩَ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼَّﺪْﺭِ، ﻭﺇِﻥْ ﺃَﻓْﺘَﺎﻙَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱُ ﻭَﺃَﻓْﺘَﻮﻙَ » ﺣﺪﻳﺚٌ ﺣﺴﻦٌ، ﺭﻭﺍﻩُ ﺃﺣﻤﺪُ ﻭﺍﻟﺪَّﺍﺭﻣِﻲُّ ﻓﻲ " ﻣُﺴْﻨَﺪَﻳْﻬِﻤﺎ ."
তিনি বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ এর নিকট গেলাম।রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে বললেন,তুমি কি নেকীর কাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য এসেছ?আমি বললাম জ্বী হ্যা, ইয়া রাসূলাল্লাহ!
তখন তিনি আমাকে বললেন,তুমি তোমার অন্তরের নিকট ফাতওয়া জিজ্ঞাসা করো।নেকি হল সেটা যার উপর অন্তর প্রশান্তিবোধ করে,এবং যে জিনিষের উপর অন্তর শান্ত থাকে।আর গোনাহ হল সেটা,যা অন্তরে অশান্তি সৃষ্টি করে নাড়িয়ে দেয়,এবং অন্তরকে দ্বিধান্বিত করে ফেলে।যদিও উক্ত কাজ সম্পর্কে মুফতিগণ বৈধতার ফাতাওয়া প্রদাণ করুক না কেন। (মুসনাদে আহমদ-১৭৫৪৫) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/669

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
হ্যা, আপনি তাদের সাথে হেকমত ও প্রজ্ঞার সাথে আলোচনা করতে পারেন। আল্লাহ আপনাকে তাওফিক দান করুক আমীন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...