আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
33 views
in ওয়াসওয়াসা by (4 points)
edited by
আসসালামুয়ালাইকুম স্বপ্নর ব্যাক্ষা আর তালাকের মাসআলা আর ঈমান নিয়ে জানতে চাই প্রশ্ন গুলো নিচে দিলাম পয়েন্ট করে (১) হুজুর এই প্রশ্ন টা করতে আমার খুব খারাপ লাগছে কিন্তু আমি জানতে চাই এই স্বপ্নর ব্যাক্ষা জানতে চাই তো হুজুর আমি স্বপ্ন দেখেছি যে আমি আমার আম্মুর সঙ্গে সহবাস করছি। হুজুর আমার শুধু এতো টুকু মনে আছে যে তখন আমি অসুস্থ ছিলাম তো হুযুর এই স্বপ্ন দেখার পর থেকে আমি না চাইতে আমার মণের মধ্যে আমার আম্মুকে নিয়ে খারাপ খারাপ ধারণা আসে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তো হুজুর এই স্বপ্নর ব্যাক্ষা কি হতে পারে এবং এই খারাপ ধারণা থেকে কেমন করে বাঁচবো বললেন প্লিজ।            (২) হুজুর আমি একদিন আমার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে শর্ত তালাক দিয়েছিলাম। তো শর্ত তালাক টা এমন ছিল যে যদি আমার স্ত্রী গানের সঙ্গে ঠোঁট নাড়িয়ে ভিডিও করে আর WhatsApp এ status দেই তাহলে আমার স্ত্রীর উপর এক তালাক পতিত হবে। তো এই মত এখনো কিছু ঘটেনি but আমার স্ত্রী কিছু দিন আগে একটি ভিডিও বানাই ভিডিও টা এমন যে backrounde গান চলছিল but আমার স্ত্রী তার ঠোঁট নাড়িয়ে ভিডিও করেনি আমার আর আমার স্ত্রীর photo দিয়ে ভিডিও বাইনেছে মানে আমার শর্ত অনুযায়ী ভিডিও করেনি। But problem যেটা হয়েছে যে আমার স্ত্রী তার আর আমার photo দিয়ে ভিডি ও বানানোর পর আমি নিজের কাছে নিজে বলেছি আর এটা কিন্তু আমি আমার স্ত্রীকে তালাক দেবার উদ্দেশ্য করে বলিনি তো বলেছি যে এক তালাক হয়েগেছে আমি এটা অনেক বার বলেছি যে এক তালাক হয়েগেছে এবং আমি নিশ্চিৎ ভাবে এক তালাক ধরে নিয়েছি। তো হুজুর এখন আমার জানার বিষয় হলো এটা যে শর্ত অনুযায়ী তালাক হয়নি But আমি নিজের কাছে নিজে বলেছি যে এক তালাক হয়েগেছে আমি এটা অনেক বার বলেছি যে এক তালাক হয়েগেছে এবং আমি নিশ্চিৎ ভাবে এক তালাক ধরে নিয়েছি এমন বলা আর নিজের কাছে নিজে এক তালাক ধরে নেওয়ার জন্য কি তালাক হয়ে যাবে।                                (৩) হুজুর তার একদিন আমার মনে এমন চিন্তা এলো যে আমার তালাক নিয়ে যত চিন্তা ভাবনা আসবে সেটা যদি আমি আপনাদের মাসআলা জিগাসা করার জন্য না পাঠাই তাহলে আমার বউ তালাক তো হুজুর এই শর্ত টা আমি মুখে উচ্চারণ করে বলেছি বলে আমি মনে করতে এবং নিশ্চিৎ হতে পারছি যে আমি মুখে উচ্চারণ করে এমন বলেছি কি কারন যখন এ গুলো আমার সাথে ঘটে আমি মুখে উচ্চারণ করার ক্ষেত্রে জর প্রয়োগ করিনা এবং তার কিছু ঘন্টা পরে আমি একা ছিলাম আমি ঠিক মনে করতে পারছি না যে আমি এই শর্ত তালাকের ক্ষেত্রে হ্যাঁ সমর্থন যাইনেছিকি কিন্তু যত প্রশ্ন আমার মনে পড়ছিল সব প্রশ্ন করেছি But একটা প্রশ্নআমার তখন মনে পড়ছিল না তাই করতে পারিনি যত  কিছু প্রশ্ন মনে করটা পারিনি তো এতে কি তালাক হবে। আর সত্যি যদি আমি এই শর্ত তালাকের ক্ষেত্রে হ্যাঁ সমর্থন করে থাকি বা এখন আমি মনে করতে পারছি না তো এর দ্বারা কি তালাক হবে (৪) হুজুর নিজের মাহারাম কে স্বপ্ন দেখার পর থেকে নিজের মাহারাম নিয়ে খালি অন্তরে খারাপ চিন্তা এসে যাই কখনো নিজের অজান্তে আবার কখন ও অজ্ঞাতে অবস্থায় এবং আমি porn addicted আমি বার বার আল্লাহ্ তায়ালা কাছে ক্ষমা চাই কিছু দিন স্বাভাবিক থাকি আবার ওই porn দেখতে থাকি আমি কেমন করে এ থেকে বাঁচবো। আমি আগে পাঁচ অক্ত নামাজ জামাতে পড়তাম এখন আমার নামাজ পড়তে ইচ্ছা করেনা কখনো এমন হয়েছে যে নামাজ পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছি কিন্ত মাঝে পথে গিয়ে আবার বাড়ি চলে এসেছি তো হুজুর আমি আল্লাহ্ তায়ালা ইবাদত করে জীবন যাপন করতে চাই আমাকে সমাধান দিন প্লিজ।                                                                  (৫) কখনো কখনো আমি নিজের কাছে নিজে বলি আর ভাবী যে ইসলাম এত কঠিন ধর্ম যে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যদি আমার দ্বারা তালাক হয়ে যাই  তাহলে সামী স্ত্রীর সম্পর্ক সব শেষ। আসলে এমন এ জন্য বলি যে নাতো আমার স্ত্রীর সঙ্গে আমার সম্পর্ক খারাপ আছে নাতো আমার স্ত্রীর সঙ্গে আমার ঝগড়া আছে, নাতো আমার স্ত্রীর পতি আমার কেনো অভিযোগ আছে তবু আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যেনো আমার দ্বারা আমার স্ত্রী তালাক হয়ে যাচ্ছে যেনো আমি আমার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে শর্ত তালাক দিয়ে ফেলছি। এবং যখন আমার সাথে এগুলো ঘটে তখন আমি পুরোপুরি নিশ্চিৎ হতে পারি না যে আমি মুখে উচ্চারণ করে তালাক দিলাম নাকি মনে মনে কারন আমি সাধারন ভাবে যেমন কথা বলি সেই ভাবে জোর প্রয়োগ করে তালাক বা শর্ত তালাক দিয়েছি বলে নিশ্চিৎ হতে পারি না এবং কোনো সাক্ষী না থাকাই আর নিশ্চিৎ হতে পারিনা এবং কখনো এমন হয় যে আমি আর আমার স্ত্রী শুয়ে আছি এবং একটা ছোট বালিশে মাথা রেখে দুজনে শুয়ে আছি তখন ও এমন চিন্তা আসে এবং সঙ্গে সঙ্গে আমি আমার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করি যে আমি তালাক নিয়ে কিছু বলেছি তুমি শুনতে পেয়েছে তখন আমার স্ত্রী উত্তরে বলে যে কই তুমি কিছু বলোনি তো। তো হুজুর আপনারা বলেছেন যে আমি যেনো সবরকম ওস ওসা এড়িয়ে চলি এমন কি মণের মধ্যে কোনো দ্বিধা থাকা সত্ত্বেও ও তো হুজুর যেহেতু আমি ওস ওসা ব্যক্তি তাহলে কি আমার তালাক গ্রহণ যোগ্য হবে না। হুজুর গত এক বছর যাবত আমার সাথে এমন হচ্ছে আমি কি করবো।                                                              (৬) হুজুর উপরের কোনো কিছু বলা বা ভাবার জন্য কি আমার ঈমান চলে গেছে আমাকে সঠিক পরামর্শ দিন প্লিজ আমাকে সমাধান। দিন আপনাদের দ্বারা তো আমরা ইসলাম যে চিনবো জানবো আমি আলেমদের কে অনেক সম্মান করি।প্লিজ আমাকে সাহায্য করুন। (৭) হুজুর আয়ুর্বেদিক ওষধ খাওয়া কি জায়েজ হবে

1 Answer

0 votes
by (632,880 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,
ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ ﻗَﺎﻝَ : ﻗَﺎﻝَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢ : َ ( ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺗَﺠَﺎﻭَﺯَ ﻟِﻲ ﻋَﻦْ ﺃُﻣَّﺘِﻲ ﻣَﺎ ﻭَﺳْﻮَﺳَﺖْ ﺑِﻪِ ﺻُﺪُﻭﺭُﻫَﺎ ﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﺗَﻌْﻤَﻞْ ﺃَﻭْ ﺗَﻜَﻠَّﻢ
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন,নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা আমার খাতিরে আমার উম্মতের অন্তরে চলে আসা ওয়াসওয়াসা(শয়তানি প্ররোচনা) বিষয়ে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ/শাস্তি প্রদাণ করবেন না।যতক্ষণ না সে কথা বা কাজের মাধ্যমে সেটাকে বাস্তব রূপ দিচ্ছে। (সহীহ বোখারী-২৩৬১,সহীহ মুসলিম-১২৭)

তালাকের ওয়াসওয়াসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/835

ওয়াসওয়াসা সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/3318


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) এটা মনের কল্পনামাত্র
(২) প্রশ্নের বিবরণমতে কোনো তালাক হবে না।
(৩) এটা ওয়াসওয়াসা। আপনি ওয়াসওয়াসা কোর্সটি সম্পন্ন করেন।
(৪) এটা ওয়াসওয়াসা। আপনি ওয়াসওয়াসা কোর্সটি সম্পন্ন করেন।
(৫) এটা ওয়াসওয়াসা। আপনি ওয়াসওয়াসা কোর্সটি সম্পন্ন করেন।
(৬) এটা ওয়াসওয়াসা। আপনি ওয়াসওয়াসা কোর্সটি সম্পন্ন করেন।
(৭) এটা ওয়াসওয়াসা। আপনি ওয়াসওয়াসা কোর্সটি সম্পন্ন করেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...