ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ﻭﺃﻣﺎ ﻗﻮﻟﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ : } ﻻ ﻳﺼﻮﻡ ﺃﺣﺪ ﻋﻦ ﺃﺣﺪ ، ﻭﻻ ﻳﺼﻠﻲ ﺃﺣﺪ ﻋﻦ ﺃﺣﺪ { ﻓﻬﻮ ﻓﻲ ﺣﻖ ﺍﻟﺨﺮﻭﺝ ﻋﻦ ﺍﻟﻌﻬﺪﺓ ﻻ ﻓﻲ ﺣﻖ ﺍﻟﺜﻮﺍﺏ ﻓﺈﻥ ﻣﻦ ﺻﺎﻡ ﺃﻭ ﺻﻠﻰ ﺃﻭ ﺗﺼﺪﻕ ﻭﺟﻌﻞ ﺛﻮﺍﺑﻪ ﻟﻐﻴﺮﻩ ﻣﻦ ﺍﻷﻣﻮﺍﺕ ﻭﺍﻷﺣﻴﺎﺀ ﺟﺎﺯ ﻭﻳﺼﻞ ﺛﻮﺍﺑﻬﺎ ﺇﻟﻴﻬﻢ ﻋﻨﺪ ﺃﻫﻞ ﺍﻟﺴﻨﺔ ﻭﺍﻟﺠﻤﺎﻋﺔ ﻛﺬﺍ ﻓﻲ ﺍﻟﺒﺪﺍﺋﻊ ﻭﺑﻬﺬﺍ ﻋﻠﻢ ﺃﻧﻪ ﻻ ﻓﺮﻕ ﺑﻴﻦ ﺃﻥ ﻳﻜﻮﻥ ﺍﻟﻤﺠﻌﻮﻝ ﻟﻪ ﻣﻴﺘﺎ ﺃﻭ ﺣﻴﺎ
নবীজী সাঃ এর ঐ হাদীস ""কেউ কারো পক্ষ্য থেকে নামায/রোজা আদায় করতে পারবে না"" এর অর্থ হচ্ছে কেউ কারো পক্ষ্য থেকে তার উপর আরোপিত ফরয/ওয়াজিব হুকুম- আহকাম আদায় করতে পারবে। বরং নিজ ফরয/ওয়াজিব নিজেই আদায় করতে হবে। অন্যর ফরয/ওয়াজিব আদায় করে তাকে দায় মুক্ত করানো যাবে না। তবে ফরয ইবাদতের সওয়াব জীবিত/মৃত যে কাউকে দেয়া জায়েয আছে।এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের মতে উক্ত সওয়াব প্রেরণকৃত ব্যক্তির কাছে গিয়ে পৌছে।(বাদায়ে সানায়ে)ফরয/ওয়াজিব/নফল ইবাদতের সওয়াব পৌছতে জীবিত/মৃতর কোন পার্থক্য নেই। (বাহরুর রায়েক,হজ্ব অধ্যায়;৩/৬৩।)
"و في البحر بحثاً: أنّ إطلاقھم شامل للفریضة لکن لایعود الفرض في ذمته؛ لأنّ عدم الثواب لایستلزم عدم السقوط عن ذمته اھ علی أنّ الثواب لاینعدم ..."الخ(رد المحتار، کتاب الحج، باب الحج عن الغیر، 595/2 ط:سعید)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) অবিবাহিত কেউ যদি উত্তম জীবনসঙ্গী লাভের উদ্দেশ্যে রমাদান মাসে কোরআন খতম করে, সেই সওয়াব একইসাথে মৃত মা/সকল কবরবাসীর জন্য ঈসালে সওয়াব ও করা যাবে।
(২) পুরো জীবনে যত নফল ইবাদত করা হবে।সবগুলো ইসালে সওয়াবের জন্য পুরো জীবনে একবার নিয়ত করা যথেষ্ট হবে বলে মনে হচ্ছে না। কেননা যত ফরয ও ওয়াজিব বিধানাবলি রয়েছে, সবগুলোর জন্য একবার নিয়ত যথেষ্ট নয়। বরং পৃথক পৃথক নিয়ত করতে হয়।