0 votes
116 views
in ব্যবসা (Business) by (21 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম ,
বর্তমানে বোনেরা পর্দার জন্য বিভিন্ন রং এর খিমার  বোরকা পরিধান করেন।যেমন: গোলাপি, সবুজ,নীল, বেগুনী, কফি,সুরমা, খয়েরী ইত্যাদি। এই ধরনের খিমার ঢিলা ঢালা হয়, সতর ঢেকে থাকে,কিন্তু হাতার ডিজাইন ও কাপড়  আকর্ষণীয় সৌন্দর্য্যমন্ডিত হয়ে থাকে। এই ধরনের পোশাক:হিজাব,খিমার ও বোরকা পড়া ও এর ব্যবসা করা কি জায়েয?
অনেকেই বলেন-এগুলো জায়েয।আমাদের এক জনপ্রিয় আলেম কারণ দর্শিয়েছেন যে এগুলোতে সতর ঢাকে,শরীর ঢাকে, শরীর এর  শেপ খুব কম বুঝা যায়। আর আমার জানামতে তিনি আরো বলেন-এই শর্ত গুলা থাকলে নাকি যেকোনো পোশাক পড়া যাবে, রং এর ব্যাপারে কোনো বাধা ধরা নেই কুরআন ও হাদীসে।টাইট ফিট পোশাক তো আর পড়ছেনা! পর্দা করলেই ক্ষ্যাত হতে হবে কোনো কালার পড়া যাবেনা এমন  কোথাও লেখা নেই,একটু বর্নিল হলে ক্ষতি কি - এই যুক্তি দেখায় অনেকে।
কিন্ত আমার মনে খটকা লাগছে বাহারি রং এ সৌন্দর্য্যমন্ডিত খিমার দিয়ে তো পুরুষের নজরকারা হচ্ছে আরো,আর লেস জাতীয় জিনিস লাগানো তো আছেই।

বর্তমানে আমি  এরকম একটা বিজনেস এ ইনভেস্ট করেছি। কিন্তু মনে শান্তি পাচ্ছিনা।মনে হচ্ছে ফিতনার দরজা খুললাম না তো?! দয়াপরবশ আমাকে একটু দ্রুত উত্তর দিলে উস্তাদ আমি সেই অনুযায়ী ব্যবসাটা পরিচালনা করতে  চাই।শুধু কালো বা অন্য অনাকর্ষনীয় ডার্ক কালার এর খিমার পরিধান ও এর ব্যবসা করা শুরু করতে চাচ্ছিলাম।কিন্তু আমার বিজনেস পার্টনার বলছে কালার এ কোনো সমস্যা নেই আর আমিও কোনো প্রমান দেখাতে পারছিনা।দলিলসহ এর প্রমান দিলে যেন আমি তাকে বুঝাতে পারি অনেক উপকার হয়।জাযাকুমুল্লাহ।

1 Answer

0 votes
by (37.6k points)
বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-

মহিলাদের জন্য সকল রংয়ের পোষাক পড়া জায়েয আছে।পুরুষের জন্য খালিছ লাল এবং হলুদ রংয়ের পোষাক নিয়ে মতপার্থক্য বিদ্যমান রয়েছে।তবে বিশুদ্ধ মতানুযায়ী পুরুষদের জন্যও অনুমতি রয়েছে।তবে শর্ত হলো,মহিলাদের সাদৃশ্য না হওয়া।কিতাবুন-নাওয়াযিল-১৫/৩৩০,ইমদাদুল ফাতাওয়া-৪/১২৫, ফাতাওয়ায়ে রাশিদিয়্যাহ-৫৮৫)

لما فى الشامية ،ج:٦ص:٣٨٥

وكره لبس المعصفر والمزعفر الأحمر والاصفر للرجال مفاده انه لايكره للنساء
প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!

যেহতু ঢিলা ঢালা বোরকাহ এর ব্যবসা তাই

আপনি উক্ত ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন।

উক্ত বোরকাহ কে ফ্যাশন হিসেবে কেউ ব্যবহার করলে,বা পুরুষকে আকর্ষণ করার নিমিত্তে বোরকাহ পড়লে কিংবা বোরকাহ পড়ে বাহির গেলে এর গোনাহ তারই হবে যে এগুলো করবে।

আপনি ব্যবসা করতে পারেন।

অাল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে

মুফতী ইমদাদুল হক

ইফতা বিভাগ, Iom.

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

Related questions

...