আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির মূলত রুকইয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন। রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য— এখানে ক্লিক করুন

0 votes
296 views
in সাওম (Fasting) by (72 points)
reshown by

https://ifatwa.info/108055
নং প্রশ্নে বলেছেন শরিয়ত নিয়ে ঠাট্টা করার জন্য,

প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনার স্ত্রীর তওবা করে ঈমান নবায়ন করতে হবে,এবং আপনাদের বিবাহ নবায়ন করতে হবে।

তার পর আমি তাকে যখন এটি দেখাই, সে বলে "আমি তো শরিয়ত নিয়ে ঠাট্টা করে এমনটি বলি নাই"

মুলত, আমি টায়ার্ড ছিলাম আর তোমার উপর রাগ করে এমনটি বলেছি তোমাকে সরানোর জন্য। ( আসলে আমি তখন তার সাথে সহবাস ছাড়া কিছু টা ঘনিষ্ঠ হতে চেয়েছিলাম, এবং সে শুয়ে ছিলো)। এবং সে বলেছে "রোজাকে গালি দেওয়ার নিয়ত ছিলো না"।  আসলে রাগ উঠলে এই শব্দ টি সে প্রায়ই ব্যবহার করে।

তাই হঠাৎ  রাগ দেখানোর জন্য" আর রাখবোনা রোজা বাল" এভাবে বলে ফেলে।

বিস্তারিত বর্ননা কি বলে, তাকে ইমান ও বিবাহ নবায়ন করতে হবে?

1 Answer

0 votes
by (731,340 points)
জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم

কুরআনের কোনো আয়াত,মহান আল্লাহর নাম,রাসুলুল্লাহ সাঃ, হাদীস, ও শরীয়তের কোনো জরুরি বিধান নিয়ে হাসি ঠাট্রা,গালি গালাজ করলে ঈমান চলে যায়।
  
মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ 

 قُلْ أَبِاللهِ وَآيَاتِهِ وَرَسُوْلِهِ كُنْتُمْ تَسْتَهْزِئُوْنَ، لاَ تَعْتَذِرُوْا قَدْ كَفَرْتُمْ بَعْدَ إِيْمَانِكُمْ 

‘আপনি বলুন, তোমরা কি আল্লাহর সাথে তাঁর হুকুম-আহকামের সাথে এবং তাঁর রাসূলের সাথে ঠাট্টা করছিলে? ছলনা কর না, ঈমান আনার পর তোমরা যে কাফির হয়ে গেছ’ (তওবা ৬৫-৬৬)। 

 فَنَذَرُ الَّذِيْنَ لاَ يَرْجُوْنَ لِقَاءَنَا فِيْ طُغْيَانِهِمْ يَعْمَهُوْنَ 

‘সুতরাং যারা আমার সাথে সাক্ষাতের আশা রাখে না, আমি তাদেরকে তাদের দুষ্টামীতে ব্যতিব্যস্ত করে রাখি’ (ইউনুস ১১)। 

এ ধরনের লোকদের সাথে উঠাবসা, চলাফেরা ত্যাগ করতে হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা উক্ত আচরণ পরিত্যাগ না করে। 

وَقَدْ نَزَّلَ عَلَيْكُمْ فِي الْكِتَابِ أَنْ إِذَا سَمِعْتُمْ آيَاتِ اللهِ يُكْفَرُ بِهَا وَيُسْتَهْزَأُ بِهَا فَلاَ تَقْعُدُوْا مَعَهُمْ حَتَّى يَخُوْضُوْا فِيْ حَدِيْثٍ غَيْرِهِ إِنَّكُمْ إِذًا مِثْلُهُمْ إِنَّ اللهَ جَامِعُ الْمُنَافِقِيْنَ وَالْكَافِرِيْنَ فِيْ جَهَنَّمَ جَمِيْعًا-
‘আর কুরআনের মাধ্যমে তোমাদের প্রতি এই হুকুম জারী করে দিয়েছেন যে, যখন আল্লাহর আয়াত সমূহের প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন ও বিদ্রূপ করতে শুনবে, তখন তোমরা তাদের সাথে বসবে না, যতক্ষণ না তারা প্রসঙ্গ পরিবর্তন করে। অন্যথা তোমরাও তাদেরই মত হয়ে যাবে। আল্লাহ মুনাফিক ও কাফিরদেরকে জাহান্নামে একই জায়গায় সমবেত করবেন’ (নিসা ১৪০)। 

আরো জানুনঃ- 

الھندیة: (281/2)
الاستہزاء بأحکام الشرع کفر۔
অনুবাদঃ-শরীয়তের বিধান নিয়ে ঠাট্রা করা কুফরী।

النبراس: (ص: 544، ط: مکتبة البشریٰ)
الاستہزاء علی الشریعۃ کفر؛ لأن ذٰلک من أمارات التکذیب ۔
সারমর্মঃ-
শরীয়তের বিধান নিয়ে ঠাট্রা করা কুফরী।কেননা তাহা শরীয়তের বিধান অস্বীকারের আলামত।

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই, 
বিস্তারিত বর্ণনা মতেও আপনার স্ত্রীকে তওবা করে ঈমান নবায়ন করতে হবে,এবং আপনাদের বিবাহ নবায়ন করতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
এখানে ঠাট্টা করে নি বলছে, তবে কোন কারণের ফলে কুফর হয়েছে, একটু বললে ভালো হতো হুজুর।
by (731,340 points)
তিনি রোযাকে গালি দিয়েছেন।
by (72 points)
শায়েখ, সে তো বললো রোজাকে গালি দেয় নি,সেই নিয়তে বাল বলে নি। সে শুধু আমাকে সরানোর জন্য রাগ দেখিয়ে বলেছে। রাগ উঠলে যেমন অনেক সময় বলি " ঢাকা যাবো না বাল" এমন আরকি... 
রোজাকে উদ্দেশ্য করে বাল বলে নি তা কেবল রাগের বহি:প্রকাশ সরুপ বলেছে, যা রোজা সংক্রান্ত বাক্যের শেষে লেগেছে...

তার পরেও সে কি কাপৈর হয়ে গেছিলো?
by (731,340 points)
নিকটতম কোনো ফতোয়া বিভাগে স্বশরীরে গিয়ে ফতোয়া নেয়ার পরামর্শ রইলো। 
জাযাকাল্লাহ। 

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...