আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
60 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (74 points)
১।আমি জামাতে নামাজ পড়তে গিয়ে যখন নিয়ত বেধে রুকুতে যাইবো ইমাম সাহেব উঠা শুরু করে উনি দাঁড়িয়ে সামি আল্লাহু লিমান হামিদা বলে তখন আমি রুকুতে ছিলাম। আমার প্রশ্ন হচ্ছে ইমাম সাহেব কে কি  রুকুতে পাইতে হইবে নাকি সামি আল্লাহু লিমান হামিদা বলার আগে রুকুতে যাইতে পারলে রাকাআত পাওয়া লাগবে?  আর যদি আমার রাকাআত না পাওয়া হয় নামাজ কি কাজা করতে হবে?

২।শিরক কে তো ঘৃনা করতে হবে কিন্তু বলতে পারিনা কোন কাজটা শিরক হবে এখন আমি যদি কাফের মুশরিকদের সহ তাদের  যে কোনো বিষয় কে ঘৃনা করি এ আকিদা সঠিক কিনা।

1 Answer

0 votes
by (578,400 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
মু্ক্তাদি যদি ইমাম সাহেবকে রুকুতে পায়,এবং তৎক্ষণাৎ নামাযে শরীক হয়,এক্ষেত্রে তাসবীহ এর সংখ্যার কোনো ধর্তব্য নাই।বরং এক মুহুর্তের জন্য জন্য ইমামকে পাওয়া গেলেও উক্ত রাকাতকে পাওয়া গিয়েছে বলে ধরে নেয়া হবে।এমনকি যদি ইমাম রুকুর অবস্থা থেকে উঠতে ছিলেন, এমতাবস্থায় ইমাম যদি রুকুর নিকটবর্তী থাকেন,এবং দাড়ানোর হালত থেকে দূরে থাকেন,তাহলে এমতাবস্থা্য় রুকুতে শরীক মুক্তাদিকে নামাযে শরীক ধরে নেয়া হবে।(কিতাবুল ফাতাওয়া-২/২৯২)যেমন বর্ণিত রয়েছে-
او شرع في الانحطاط و شرع الامام في الرفع اعتد بها
(তাকরিরাতে রাফেয়ী-২/৯২)

 "ومن أدرك إمامه راكعا فكبر ووقف حتى رفع الإمام رأسه" من الركوع أو لم يقف بل انحط بمجرد إحرامه فرفع الإمام رأسه قبل ركوع المؤتم "لم يدرك الركعة" كما ورد عن ابن عمر رضي الله عنهما
যে ব্যক্তি ইমামকে রুকু অবস্থায় পাবে,অতঃপর সে তাকবীর বলে দাড়াবে,এমতাস্থায় যদি ইমাম সাহেব রুকু থেকর মাথাকে তুলে নেয়,অথবা মুক্তাদি তাকবীর বলে না দাড়ায় বরং রুকু যাওয়ার জন্য ঝুকে,এবং ইমাম সাহেব মুক্তাদির রু'কুর পূর্বেই মাথাকে তুলে নেন,তাহলে বুঝা যাবে যে,মুক্তাদি রু'কুই পায়নি।যেমন ইবনে উমর রাযির আসর থেকে বুঝা যায়।(মারিকল ফালাহ-১/৪৫৫)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/6167

(২)
কাফের মুশরিকদেরকে ঘৃণা না করে বরং কুফরি কে ই ঘৃণা করতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...