আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
40 views
in পবিত্রতা (Purity) by (2 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারকাতূহ।
১।মার্চ মাসের ১৯ তারিখে পিরিয়ড শুরু হয়।১০ দিন পেরিয়ে গেলেও ফ্লো হতেই থাকে যদিও কম।ফলে ইস্তাহাযা ভেবে সালাত কন্টিনিউ করা হয়েছে।এখনো ফ্লো হয়েই যাচ্ছে।আজ ৮ এপ্রিল, পিরিয়ড হলে যেমন ব্যথা হয় সেরকম মনে হয়েছে।সেক্ষেত্রে কি এটাকে পিরিয়ড ধরে নিবে?এবং এক্ষেত্রে সালাতের বিষয়ে করণীয় কি?সালাত পড়া কি বন্ধ করবে?

২।নেফাস শেষ হওয়ার ১ মাস পর পিরিয়ড হয়।আবার ২ মাস গ্যাপ দিয়ে এরপর পিরিয়ড হয়।এর ১০ দিন পরেই আবার পিরিয়ড শুরু হয়েছে।এটাকে কি স্বাভাবিক পিরিয়ড ধরে নিয়ে সালাত আদায় বাদ দিবে নাকি ইস্তেহাযা ধরে নিবে।সালাতের বিষয় এ করণীয় জানাবেন দয়া করে।

জাঝাকুমুল্লহু খইরন
by (2 points)
উল্লেখ্য :১।১৯ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত ব্যবধান যেহেতু  অন্তত ১৫ দিন হয়ে গিয়েছে।

1 Answer

0 votes
by (805,260 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হায়েযের সর্বোচ্ছ সময়সীমা ১০দিন।এ ১০দিনের ভিতর লাল,হলুদ,সবুজ,লাল মিশ্রিত কালো বা নিখুত কালো যে কালারের-ই পানি বের হোক না কেন তা হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে।যতক্ষণ না নেপকিন সাদা নজরে আসবে। (বেহেশতী জেওর-১/২০৬) তথা সাদা রং ব্যতীত সকলপ্রকার রং ই হায়েযের অন্তর্ভুক্ত।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/78

ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়ায় বর্ণিত রয়েছে,
فَإِنْ لَمْ يُجَاوِزْ الْعَشَرَةَ فَالطُّهْرُ وَالدَّمُ كِلَاهُمَا حَيْضٌ سَوَاءٌ كَانَتْ مُبْتَدَأَةً أَوْ مُعْتَادَةً وَإِنْ جَاوَزَ الْعَشَرَةَ فَفِي الْمُبْتَدَأَةِ حَيْضُهَا عَشَرَةُ أَيَّامٍ وَفِي الْمُعْتَادَةِ مَعْرُوفَتُهَا فِي الْحَيْضِ حَيْضٌ وَالطُّهْرُ طُهْرٌ. هَكَذَا فِي السِّرَاجِ الْوَهَّاجِ. «الفتاوى الهندية» (1/ 37)
মাঝেমধ্যে হায়েয হওয়া আবার মাঝেমধ্যে বন্ধ হওয়া, দশ দিনের ভিতর সবকিছুই হায়েয হিসেবে গণ্য হবে।চায় এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন ঐ মহিলা প্রথমবার হোক বা এ ব্যাপারে অভ্যস্ত থাকুক। যদি রক্তস্রাব দশদিন অতিক্রম করে যায়, তাহলে প্রথমবার এ পরিস্থিতির সম্মুখিন মহিলার জন্য দশদিন হায়েয। আর কোনো এক সংখ্যায় আদত ওয়ালী মহিলার জন্য তার পূর্বের আদতই হায়েয় এবং বাদবাকী সময় তুহুর।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩৭, কিতাবুল-ফাতাওয়া-২/১০৮,কিতাবুন-নাওয়াযিল-৩/১৭২)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/7474

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) আপনার পূর্বের আদত যতদিনের ততদিন হায়েয গণনা করবেন। বাদবাকি ইস্তেহাযা গণনা করবেন। যদি পূর্বের কোনো আদত না থাকে, তাহলে ১০ দিন হায়েয এবং অতিরিক্ত ইস্তেহাযা গণনা করবেন।
(২) নেফাস শেষ হওয়ার ১ মাস পর পিরিয়ড হয়।আবার ২ মাস গ্যাপ দিয়ে এরপর পিরিয়ড হয়।এর ১০ দিন পরেই আবার রক্তস্রাব শুরু হয়েছে।এটাকে ইস্তেহাযা বিবেচনা করবেন। হ্যা ১৫ দিন পর যেই রক্তস্রাব আসবে, সেটাকে হায়েয গণনা করবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 166 views
...