السلام عليكم و رحمة الله و بركاته
কয়েজন বোনের খুব জরুরী কিছু প্রশ্ন। মেহেরবানী করে একটু দ্রুততম সময়ের মাঝে উত্তর করবেন উস্তাজ।
১.আমি শারয়ী পর্দা মেনে চলার চেষ্টা করি আলহামদুলিল্লাহ।তাই পারিবারিকভাবে আর্থিক হালতে থাকলেও জব সেক্টরে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আলহামদুলিল্লাহ।লাস্ট কয়েকমাস আগে আমার শ্বশুর বাড়ির এক রিলেটিভস প্রতিবেশিনী ওনার ছেলেকে টিউশন পড়ানোর জন্য খুব রিকুয়েষ্ট করেন।আমি জানতাম ছেলে বয়স ১১/১২ হবে।পরে জানতে পারি ওর বয়স ১৪।কিন্তু সে অত বেশি ম্যাচিউর্ড না।তাছাড়া আমার পারিবারিক হালত এমন যে আমি জব করাটা এক প্রকার জরুরত ছিলো।কিন্তু রব্বের উপর তাওয়াক্কুল করে আছি আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল।এখন আমি পর্দা করেই সন্ধ্যায় ওকে পড়াতে যাই।অন্তত যেনো নিজের খরচটা ক্যারি করতে পারি।যদিও আমি ১২+ ছেলেদেরকে পড়াই না,শুধু মেয়েদেরকে পড়াতে চেয়েছিলাম।কিন্তু ম্যানেজ হয়নি আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল।এখন আমার এই হালতে ওকে পড়ানোটা উচিত/জায়িজ হচ্ছে কিনা এটা জানতে চাই।
২)আমার মাহরাম যেহেতু বাড়ি থেকে দূরে থাকেন তাই কোনো প্রয়োজনে মাসে ১/২ বার আমাকে মার্কেটে যেতে হয়।হতে পারে কাপড় বা আদারস আনুসাঙ্গীক কোনো কিছু কিনতে।তিনি বাড়িতে আসলেও নিজে কিনে এনে দেন না,বা আমাকে নিয়েও যান না।মাঝে মাঝে হয়তো নিয়ে যান।আর এও বলেন যে তুমিই তো কিনতে পারো।তাছাড়া পর্দার জন্য যেমন যেমন পোশাক বা রঙ আমি চুজ করি তিনি হয়তো সেগুলো তেমন খুটিয়ে দেখে আনবেন না।এখন ওনার অনুপস্থিতিতে জরুরতে আমার নিজেকেই বের হতে হয়।মাঝে মাঝে একা যাই,মাঝে মাঝে কেউ সাথে যায়।তো বাজারে গেলেও আমি পরিপূর্ণ পর্দা করে যাই আর পুরুষ লোকের সাথে কথা বললেও কঠিন স্বরেই বলি।তারপরও এ বিষয়টা ভালো লাগেনা।এহেন পরিস্থিতিতে আমার করনীয় কি জানাবেন মিন ফাদ্বলিক।
৩)আমার একজন কাজিন এর শশুর বাড়ির লোকেরা ছোট একটা দোকান করেন। সেখানে হোটেলের মতো মানুষকে খাওয়ান। রামাদানের সময়ও ওনারা সেখানে মানুষকে ভাত খাওয়ান। আর এই খাবার তৈরির কাজ করেন আমার আপুর ভাবি,শাশুড়ী ওনারা দুজনে।এখন আমার আপু এটা নিয়ে চিন্তিত যে উনিও যদি ওই সময়ে ওনাদের সাথে খাবার তৈরিতে বা এই related যেকোনো কাজে ওনাদের হেল্প করেন তাহলে কি ওনার গুনাহ হবে? উনার জন্য এখন কোন কাজ টা করা উত্তম হবে?
৪)কোনো প্রকাশনী থেকে যদি তাদের গাইড বই পাঠ্য করার জন্য স্কুলে সব সাবজেক্টের সৌজন্য কপি দেয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েক হাজার টাকা দেয়া হয় তাহলে সেই টাকা নেয়া কি জায়েয হবে? সব শিক্ষকরা ভাগ করে নিচ্ছেন টাকাটা।