আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
16 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (5 points)
আস সালামু আলাইকুম উস্তাদ। আমি একজন সরকারি কর্মচারি। আমাদের বেতনের ৫% প্রভিডেন্ট ফান্ডে রাখা বাধ্যতামুলক। তো আমার সে হিসেবে ১৭০৮.৫ টাকা আসে। যখন এটা কর্তন করা সুরু করা হয় আমাকে অফিস থেকে বলেছিলো যে ; সমান ২০০০ টাকা রাখতে। আমি তখন এই মাসালা টা জানতাম না। তাই ২০০০ টাকা রেখেছি। মানে বাধ্যতামুলক অংশের বাহিরেও কিছু টাকা জমা হয়েছে। আমি ইন শা আল্লাহ জুন- জুলাই ( নতুন অর্থবছর) এ এটা ঠিক করে নিব। , এক্সট্রা কোন টাকা রাখবো না।

আমার গত সাড়ে চার বছরে ১৪৮১৪ টাকা এক্সট্রা ( বাধ্যতামুলক অংশের বাহিরে)  জমা হয়েছে। সরকার ১৩% সুদ দেয় এবং এটা চক্রবৃদ্ধি সুদ।

আমি যে টাকা জমা দিয়ে ফেলেছি তা আর উত্তোলন করা সম্ভব না।

এখন আমাকে এই ১৪৮১৪ টাকার যাকাত দিতে হবে। কিন্তু এই টাকার সুদ টা আমি পেনশনের সময় পাবো। এই সুদ সওয়াবের নিয়ত ছাড়া দান করে দিতে হবে - উস্তাদ দারসে পড়িয়েছিলেন।

পেনশনের সময় আমি এই সুদ আলাদা করবো কিভাবে? উল্লেখ্য গত সাড়ে চার বছর এই কর্তিত টাকার পরিমান সমান ছিলো না। বেতন বারার সাথে এটা বেরেছে। চার বছরে মসিক এক্সট্রা টাকা জমার পরিমান যথাক্রমে ৯৫ , ২৪.৫ , ৩৭৩ , ২৯১.৫ টাকা। বর্তমানে ২৯১.৫ টাকা যেটা জুলাই পর্যন্ত থাকবে।
2. অনেক গরিব মানুষের ও দেখা যায় ভরি খানেক সোনা ও কিছু রুপা থাকে যা সে ব্যাবহার করে অথবা মেয়ের বিয়ের জন্য রেখে দেয়। সাথে জমানো টাকা থাকতেও পারে যেটা বাহির থেকে বোঝা যায় না কিন্তু দেখা যায় যে তার সংসার অনেক কষ্টে চলে । এই রকম ব্যক্তিকে কি যাকাত দেয়া যাবে?

1 Answer

0 votes
by (754,620 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
চাকুরী পরবর্তি বোনাস সাধারণত দু ধরণের হয়ে থাকে।যথা-
(১)প্রভিডেন্ট ফান্ড
(২)পেনশন ফান্ড
প্রভিডেন্ট ফান্ডের বিস্তারিত বিধি-বিধান।
প্রভিডেন্ট ফান্ডের উৎস দু ধরণের হয়ে থাকে। যথা-
(ক)বাধ্যতামূলক ইনকাম ট্যাক্স
অর্থাৎ  ইনকাম ট্যাক্স কেটে রাখা যদি বাধ্যতামূলক সরকারী নীতিমার আওতাধীন হয়,যা পরবর্তীতে প্রভিডেন্ট ফান্ড রূপে উক্ত চাকুরজীবিকে দেয়া হবে।তাহলে উক্ত প্রভিডেন্ট ফান্ড সুদের অন্তর্ভূক্ত হবে না।কেননা বেতনের কর্তনকৃত ঐ অংশ  ইচ্ছা করলেও উক্ত চাকুরজীবি এখন উসূল করতে পারবে।আর কবজা বা হস্তগ্রত করার পূর্বে কেউ কোনো বেতন ভাতার মালিক হতে পারে না।যখন সে উক্ত টাকার মালিকই হয়নি,তখন সে কিভাবে এ টাকাকে সুদে লাগাবে।তাই কর্তনকৃত টাকার চেয়ে অতিরিক্ত টাকার প্রভিডেন্ট ফান্ডকে সুদ বলা যাবে না।বরং এক্ষেত্রে এটাই অনুমান করা হবে যে,বেতন-ভাতার অপরিশোধিত সেই টাকাগুলাই এখন তার হস্তগ্রত হচ্ছে। এখানে সবগুলাকেই তার বেতন রূপে গণ্য করা হবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/1246

সুপ্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
১৪,৮১৪ টাকার যাকাত দিতে হবে। এই টাকা ব্যতিত সরকারি নিয়মানুযায়ী ৫ % জমা দিলে যত টাকা আসার কথা এর চেয়ে অতিরিক্ত যত টাকা আসবে  সেখান থেকে মূলধন ১৪,৮১৪ টাকা ব্যতিত অবশিষ্ট গুলো সুদ। এগুলো সদকাহ করে দিবেন।

(২)
প্রশ্নের বিবরণমতে  ঐ ব্যক্তির মালিকানায় নেসাব পরিমাণ মাল যদি না থাকে, তাহলে তাকে যাকাত দেয়া যাবে। যদি তার নিকট নেসাব পরিমাণ মাল থাকে, তবে তার মেয়ের নিকট কিছুই না থাকে, তাহলে মেয়েকে দেয়া যাবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/699


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...