আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
21 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (31 points)
আসসালামু আলাইকুম সম্মানিত উস্তাদ।
এল নতুন মা যিনি সন্তানকে দ্বীনি তরবিয়ত এ বড় করতে চান কিন্তু পরিবারের অন্য সকলে দ্বীন সমপর্কে উদাসীন।
১.বাচ্চাকে তার নানু হারাম টাকা দিয়ে কিছু উপহার দিয়েছে অনেক কিছুই এগুলোর টাকা পরিশোধ করার সামর্থ্য মায়ের নেই বাবা দিবেনা,হয়তো তার দাদাও হারাম টাকা দিয়ে দিয়েছে এখন মাকে বাধ্য হয়ে সেগুলো পরাতে হয়েছে এখন মার কি গুনাহ হবে আর করনীয় কি?
২.সন্তানের সাথে হারাম কাজ হতে দেখতে বাধা দিলে ঝামেলা হতে পারে পরিবারে তখন করনীয় কি আর বাবার জামায় যদি প্রানীর আকৃতি থাকে তাহলে করনীয় কি?যদি তার উপর অন্য জামা কিছু দিয়ে ঢেকে দেয়া হয় তাহলে কি গুনাহ হবে।

৩.নতুন মা দ্বীনের পথে চলতে চায় পরিবারের সবাই অপছন্দ করে দ্বীনের পথে চলার কারনে এখন কিভাবে নিজেকে দ্বীনের পথে রাখার চেষ্টা করবে এবং সন্তানকে বেদ্বীন পরিবেশে লালনপালন করবে?

1 Answer

0 votes
by (754,620 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
হারাম টাকার বিধান হল, তা প্রাথমিকভাবে মূল মালিকের কাছে ফেরত দেয়া।নতুবা সওয়াবের নিয়ত ছাড়া গরীবদের মাঝে সদকা করে দেয়া।
 من ملك بملك خبيث ولم يمكنه الرد الى المالك فسبيله التصدق على الفقراء
যদি কারো নিকট কোনো হারাম মাল থাকে,তাহলে সে ঐ মালকে তার মালিকের নিকট ফিরিয়ে দেবে।যদি ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব না হয়,তাহলে গরীবদেরকে সদকাহ করে দেবে।(মা'রিফুস-সুনান১/৩৪)

والحاصل: أنه إن علم أرباب الأموال وجب رده عليهم، وإلا فإن علم عين الحرام لايحل له ويتصدق به بنية صاحبه''. (5/99،مَطْلَبٌ فِيمَنْ وَرِثَ مَالًا حَرَامًا، ط: سعید)
মোটকথা, মালকে তার মূল মালিকের নিকটই ফিরিয়ে দিতে হবে। যদি ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব না হয়, এবং মালের মৌলিকতত্ত্ব যদি হারাম হয়, তাহলে উক্ত মালকে সওয়াবের নিয়ত ব্যতিত মালিকের পক্ষ থেকে সদকাহ করে দিতে হবে। (রদ্দুল মুহতার-৫/৯৯)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1900

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যদি পরিশোধ করার সামর্থ্য মায়ের না থাকে, এবং বাবাো যদি পরিশোধ না করে, তাহলে এমতাবস্থায় নানুর হারাম টাকায় ক্রয়কৃত জিনিষ ব্যবহার করার সুযোগ বা রুখসত থাকবে। মায়ের কোনো গোনাহ হবে না।

(২)
সন্তানের সাথে হারাম কাজ হতে দেখলে সামর্থ্য অনুযায়ী বাধা দেওয়া উচিত।  

(৩)
বাবার জামায় যদি প্রানীর আকৃতি থাকে তাহলে  তার উপর অন্য জামা কিছু দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো গুনাহ হবে না।

(৪) দ্বীনের পথে চলার যাবতীয় চেষ্টাপ্রচেষ্টাকে অভ্যাহত রাখতে হবে। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...