ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আবু হুরাইরাহ্ (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল (সা.) ইরশাদ করেন:
لاَ تُكْثِرُوْا الضَّحِكَ ؛ فَإِنَّ كَثْرَةَ الضَّحِكِ تُمِيْتُ الْقَلْبَ
‘‘তোমরা বেশি হেসো না। কারণ, বেশি হাসলে একদা অন্তরখানা নিস্তেজ প্রাণহীন হয়ে যায়’’।[তিরমিযী, হাদীস ২৩০৫ ইবনু মাজাহ্, হাদীস ৪২৬৮]
বরং একজন মুসলমানের উচিৎ নিজের অপরাধ ও আল্লাহ্ তা’আলার শাস্তির কথা মনে করে বেশি বেশি কান্না করা।
আনাস্ (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল (সা.) ইরশাদ করেন:
لَوْ تَعْلَمُوْنَ مَا أَعْلَمُ لَضَحِكْتُمْ قَلِيْلاً وَلَبَكَيْتُمْ كَثِيْرًا
‘‘তোমরা যদি জানতে যা আমি জানি তা হলে তোমরা কম হাসতে এবং বেশি কান্না করতে’’।[ইবনু মাজাহ্, হাদীস ৪২৬৬]
বারা’ (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: একদা আমরা রাসূল (সা.) এর সঙ্গে জনৈক ব্যক্তির জানাযার নামায ও তার কাফনে-দাফনে অংশ গ্রহণ করলে তিনি তার কবরের পাশে বসে কাঁদতে কাঁদতে কবরের মাটি ভিজিয়ে ফেললেন। অতঃপর বললেন:
يَا إِخْوَانِيْ! لِمِثْلِ هَذَا فَأَعِدُّوْا
‘‘হে আমার ভাইয়েরা! এমন জায়গা তথা কবরের জন্য প্রস্ত্ততি নাও’’।[ইবনু মাজাহ্, হাদীস ৪২৭০]
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যত হাসি তত কান্না, বিষয়টা আসলে এমন নয়। তবে অধিক কান্না করাই কল্যাণকর।