সালাম নিবেন হুজুর।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।
আমি প্রচলিত ওয়াজ অপছন্দ করি। কারণ মাইক লাগিয়ে ওয়াজ করলে বিরক্ত অনুভব করি অনেক সময়। কারণ সবসময় ওয়াজ শোনার মানসিক অবস্থা থাকে না। আমি মনে করি, ওয়াজের আওয়াজ ওয়াজের মজলিসের শ্রোতাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে আলোচনা করা উচিত। যাদের ওয়াজ শোনার প্রয়োজন হবে তারা ওয়াজের মজলিসে গিয়ে শুনবে। আর আমার সুরেলা তথাকথিত বক্তাদের অপছন্দ। আমার মতে কুরআন হাদিসের আলোচনা ধীরে সাবলীল আলোচনা করলে শ্রোতার উপকার বেশি হবে। আর কিছু কিছু আলেমরা ওয়াজে সারাক্ষণ আলেমদের সম্মান করতে হবে, ভালোবাসতে হবে, পরিস্থিতি এমন বোঝায় যে মনে হয় আলেমরা দেবতার আসনে। আমার কাছে মনে হয় অধিকাংশ বক্তারা আজকাল ওয়াজকে তাদের পেশা হিসেবে নিয়েছে। যদিও তারা আল্লাহর জন্য ওয়াজ করে বলে দাবি করে। তারা দাবি করে তারা শুধু হাদিয়া নেন। আমার মতে মাইক লাগিয়ে উঁচু স্বরে ওয়াজ করা হলো, ঔষধ খেতে না চাওয়া রোগীকে বেঁধে ঔষধ খাওয়ানোর মতো। আমি মনে করি আজকাল ওয়াজ শোনার চেয়ে কওমী দেওবন্দি আকাবিরদের আকিদার কিতাব, মালফুজাত পড়া উওম। তথাকথিত ওয়াজকে আমি নেক সুরতে শয়তানের ধোঁকা মনে করি। আমার মতে ওয়াজের বদলে, আলেমরা তো চাইলে আসরের পর ফ্রীতে মুসল্লীদের দ্বীনি আলোচনা শোনাতে পারে। কিন্তু দিনশেষে আমি ওয়াজের আড়ালে পকেট ভারীর চিন্তা দেখি কিছু আলেমের মধ্যে। ওয়াজের জন্য এলাকার কমিটি থেকে ৩ হাজার ৪ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য সবসময় একটা চাপ দেওয়া হয়। তথাকথিত ওয়াজকে নব্য ফিতনা হিসেবে দেখি।
★ ওয়াজ নিয়ে আমার এই মনোভাবের জন্য আমার ইমান নষ্ট হবে?