আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। শায়েখ, হজ সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা জানার জন্য আপনার শরণাপন্ন হয়েছি। আলোচনার সুবিধার্থে আমি আমার প্রশ্নটি দুটি অংশে উপস্থাপন করছি:
প্রথম অংশ: আমার স্ত্রীর উপর হজ ফরজ হয়ে গিয়েছে। মূলত বিয়ের সময় প্রাপ্ত মোহরের গহনা ও তার মালিকানাধীন সম্পদের মাধ্যমেই এই ফরজ সাব্যস্ত হয়েছে। উল্লেখ্য যে, তার কাছে বর্তমানে মাহরামসহ হজ পালন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয়ের চেয়েও অতিরিক্ত সম্পদ রয়েছে। আমি তার স্বামী হিসেবে মাহরাম হয়ে তার সাথে হজে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
দ্বিতীয় অংশ: আমার উপর ব্যক্তিগতভাবে এখনো হজ ফরজ হয়নি। তবে আমি আমার স্ত্রীর হজের আনুষঙ্গিক কিছু খরচ বহন করছি। আমার ঐকান্তিক ইচ্ছা হলো—স্ত্রীর সাথে আমার হজটাও যাতে আদায় হয়ে যায়। এর কারণ হলো, ভবিষ্যতে আর কখনো সেখানে যাওয়ার সুযোগ হবে কি না বা বেঁচে থাকব কি না, তা আমার অজানা।
আমার মূল প্রশ্নটি হলো: আমার স্ত্রী যদি তার সম্পদের কিছু অংশ আমাকে স্থায়ীভাবে সওয়াবের নিয়ত সহ বা ছাড়া দান বা হেবা করে দেন (যা দিয়ে আমার যাওয়া-আসা ও যাবতীয় খরচের পরেও অতিরিক্ত কিছু অর্থ আমার হাতে থাকে), তবে সেই মুহূর্তে কি আমি নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়ার কারণে আমার উপর হজ ফরজ হয়ে যাবে? এভাবে সম্পদের মালিকানা হস্তান্তরের মাধ্যমে কি আমার উপর হজের বিধান আবশ্যক হবে? সওয়াবের নিয়তে সে দান করলে সে কি সওয়াব পাবে? শরিয়তের আলোকে এ বিষয়ে বিস্তারিত সমাধান জানালে কৃতজ্ঞ থাকব, জাজাকআল্লাহ খাইরান।