আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
11 views
ago in হজ ও উমরা (Hajj and Umrah) by (1 point)

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। শায়েখ, হজ সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা জানার জন্য আপনার শরণাপন্ন হয়েছি। আলোচনার সুবিধার্থে আমি আমার প্রশ্নটি দুটি অংশে উপস্থাপন করছি:

প্রথম অংশ: আমার স্ত্রীর উপর হজ ফরজ হয়ে গিয়েছে। মূলত বিয়ের সময় প্রাপ্ত মোহরের গহনা ও তার মালিকানাধীন সম্পদের মাধ্যমেই এই ফরজ সাব্যস্ত হয়েছে। উল্লেখ্য যে, তার কাছে বর্তমানে মাহরামসহ হজ পালন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয়ের চেয়েও অতিরিক্ত সম্পদ রয়েছে। আমি তার স্বামী হিসেবে মাহরাম হয়ে তার সাথে হজে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

দ্বিতীয় অংশ: আমার উপর ব্যক্তিগতভাবে এখনো হজ ফরজ হয়নি। তবে আমি আমার স্ত্রীর হজের আনুষঙ্গিক কিছু খরচ বহন করছি। আমার ঐকান্তিক ইচ্ছা হলো—স্ত্রীর সাথে আমার হজটাও যাতে আদায় হয়ে যায়। এর কারণ হলো, ভবিষ্যতে আর কখনো সেখানে যাওয়ার সুযোগ হবে কি না বা বেঁচে থাকব কি না, তা আমার অজানা।


আমার মূল প্রশ্নটি হলো: আমার স্ত্রী যদি তার সম্পদের কিছু অংশ আমাকে স্থায়ীভাবে সওয়াবের নিয়ত সহ বা ছাড়া দান বা হেবা করে দেন (যা দিয়ে আমার যাওয়া-আসা ও যাবতীয় খরচের পরেও অতিরিক্ত কিছু অর্থ আমার হাতে থাকে), তবে সেই মুহূর্তে কি আমি নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়ার কারণে আমার উপর হজ ফরজ হয়ে যাবে? এভাবে সম্পদের মালিকানা হস্তান্তরের মাধ্যমে কি আমার উপর হজের বিধান আবশ্যক হবে? সওয়াবের নিয়তে সে দান করলে সে কি সওয়াব পাবে? শরিয়তের আলোকে এ বিষয়ে বিস্তারিত সমাধান জানালে কৃতজ্ঞ থাকব, জাজাকআল্লাহ খাইরান।

1 Answer

0 votes
ago by (751,320 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
 আপনার স্ত্রী যদি আপনাকে নিয়ে হজ্বে যান, তাহলে আপনার স্ত্রীর হজ্ব আদায় হবে পাশাপাশি আপনারও ফরয হজ্ব আদায় হয়ে যাবে। সুতরাং পরবর্তীতে আপনার নিকট যথেষ্ট টাকা পয়সা হলে দ্বিতীয় বার আর হজ্ব ফরয হবে না।
شرط افتراضھا عقل و بلوغ و اسلام وحریۃ  الخ وسببہ ای سبب افتراضھا ملک نصاب حولی الخ تام الخ فارغ عن دین لہ مطالب من جھۃ العباد الخ (الدرالمختار علی ھامش ردالمحتار ج۲، ص۲۶۰)   وأما  الذي يخص النساء فشرطان: أحدهما أن يكون معها زوجها أو محرم لها فإن لم يوجد أحدهما لا يجب عليها الحج  الخ   أن المحرم أو الزوج من ضرورات حجها بمنزلة الزاد والراحلة إذ لا يمكنها الحج بدونه كما لا يمكنها الحج بدون الزاد والراحلة، ولا يمكن إلزام ذلك الزوج أو المحرم من مال نفسه فيلزمها ذلك له كما يلزمها الزاد  والراحلة لنفسها (بدائع الصنائع ج ۲ ص ۱۲۴)  و مع زوج أو محرم الخ     مع  وجوب النفقة لمحرمها عليها لأنه محبوس عليها الخ ،الدر، قوله ومع زوج أو محرم  هذا وقوله ومع عدم عدة عليها شرطان مختصان بالمرأة الخ قوله مع وجوب النفقة إلخ  أي فيشترط أن تكون قادرة على نفقتها ونفقته  (ردالمحتار ج۲ ص ۴۶۴)


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...