আসসালামু আলাইকুম,
আমার হায়েজ বেশ কয়েক বছর ধরেই ইররেগুলার হয়, আগে ২মাস পর পর হতো যার কারনে হায়েজ তা বুঝতে পারতাম। ডাক্তার দেখানোর পর ওষুধ দিয়েছে তা গ্রহণ করছি এই ডিসেম্বর মাসে তা কোনটা হায়েজ কোনটা ইস্তেয়াজা বুঝতে পারছি না।
যেমন: আমার ডেট মেইনটেইন হয় না বলে, ডিসেম্বর ৩তারিখ থেকে অল্প ব্লাড দেখে তা হায়েজ কাউন্ট করি কিন্তু অনেক অল্প ছিলো যে প্যাডই নেওয়া লাগেনি মেয়াদ ৩দিন ছিলো অথবা এর কম মনে পড়ছে না। পরে সুস্থ হই সালাত পড়ি আবার ১৩ তারিখ থেকে পিড়িয়ডের রক্ত দেখি, সেম এতো কম ব্লাড যে প্যাড ব্যবহার করাই লাগেনি, আগে দু মাস পরপর হলেও ৭দিন থাকত কিন্তু এবার ১৩থেকে ৭তম দিনের পরেও হালকা হলুদ স্রাব দেখা যায় যা টিস্যুতে নিলে বুঝা যাইতো স্পষ্ট তাই আমি ১০দিন পর্যন্ত হায়েজ ধরি। কিন্তু ১০ দিন অর্থাৎ ২৩ তারিখের পরেও সেম হালকা হলুদ বর্নের স্রাব যাচ্ছিলো তাই ১১তম দিন থেকে সালাত পড়ি। এবং এই স্রাব অনবরত এই কালারই ছিলো প্রতিদিনই হতো, আজ ২রা জানুয়ারি ব্লাড দেখতে পাচ্ছি কিন্তু এতো বেশি না যে প্যাড নেওয়া লাগবে পাতলা এক লেয়ার কাপড়েই তা সেরে যাচ্ছে। যদিও পনেরোদিন গড়ায় নাই যে আরেকটা হায়েজ কাউন্ট করব এটাকে কিন্তু এমন যদি অনবরত হতে থাকে আর তা পূর্বের ১৩ তারিখের হায়েজের পর ১৫ দিন ক্রসের পর ৬ জানুয়ারিতেও(২৪ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি =১৫দিন হয়)যদি রক্ত চলমান থাকে তাহলে সেটাকে কি হায়েজ ধরব?
ডাক্তারের ওষুধের ইফেক্ট কি না তাও বুঝছি না
এই ঝামেলার জন্য সালাত কিভাবে পড়ব কোন সময়ে পড়ব, কবুল হচ্ছে কি না তা নিয়ে দ্বিধায় আছি। কোনটা হায়েজ, কোনটা ইস্তেয়াজা ধরব এ নিয়ে ডেটসহকারে আমাকে বুঝালে মুনাসিব হতো আর সামনেও এই অবস্থা থাকবে কি না জানি না। আর এভাবে করলে তো অনেক নামাজ কাযা হতে থাকছে এগুলা পড়ে আদায় করাও কঠিন হয়ে যাবে এতোদিনে সালাত,আমি কি করব সালাত নিয়ে