ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ঈমান নবায়নের জন্য কোনো আলেমের নিকট যাওয়া জরুরী নয়।এবং গোসল করাও জরুরী নয়। বরং নিজে নিজে কালেমায়ে শাহাদত পড়ে নিলেই হবে।ঈমান নবায়ন হয়ে যাবে।
প্রকাশ থাকে যে, কুফরি এবং শিরকি শব্দ বা বাক্যকে চিহ্নিত করা ততটা সহজ কাজ নয়। এই জন্য বলা যায় যে, যদি কেউ কিছু বলে বা লিখে,তাহলে সম্পূর্ণ বক্তব্য কোনো মুফতি সাহেবের নিকট উল্লেখ করে বুঝে নিতে হবে যে, বাক্যটাতে শিরক রয়েছে কি না? সাধারণত মুসলমান থেকে যে সব বড় বড় গোনাহ হয়ে থাকে, এগুলো ফিসক বা গোনাহ/কবিরা গোনাহ,যা তাওবাহ দ্বারা মাফ হয়ে যায়। হ্যা, যদি শিরক বা কুফরির নিকটবর্তী কোনো গেনাহ হলে, যেমন, আল্লাহ ব্যতিত ভিন্ন কাউকে খোদা মনে করে সিজদা দেওয়া, এমনটা করলে অবশ্যই ঈমান থাকবে না।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/4386
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) ঈমান নবায়নের জন্য জোরে জোরে নিয়ত করার কোনো প্রয়োজনিয়তা নাই। বরং মনে মনে ঈমান নবায়ন করার নিয়ত করে নিলেই হবে।
(২) ঈমান নবায়নের সময় গলায় শ্লেষ্মার মতো থুতু এসে গেলে সেটাকে নাপাকি ধরে নেয়ার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। কালেমা শাহাদাত পাঠ করলেই ঈমান নবায়ন হয়ে যাবে।
(৩) প্রশ্নের বিবরণমতে ঈমান নবায়ন হয়ে যাবে। এতে কোনো সমস্যা হবে না।