আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
14 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (4 points)
edited by
বিষয়: তালাকে তাফওয়ীয সংক্রান্ত শরঈ ব্যাখ্যার জন্য আবেদন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
মুহতারাম হুজুর,
বিনীত নিবেদন এই যে, তালাকে তাফওয়ীয সংক্রান্ত একটি জটিল মাসআলার সঠিক শরঈ ব্যাখ্যার জন্য আপনাদের নিকট বিষয়টি উপস্থাপন করছি।হুজুর আপনার একটা উত্তর এ হয়ত আমার সংসারটা বেচে যাবে অনুগ্রহ করে উত্তর দিবেন।নিজের ছুট ভাই মনে  করে
আমার বিবাহের প্রায় এক মাস পর আমার স্ত্রী আমাকে জিজ্ঞাসা করে......বিয়ের কাবিন নামায় আমি তাকে তালাকে তাফওয়ীযের কোনো অনুমতি দিয়েছি কি না। বাস্তবে আমি তখন তালাকে তাফওয়ীয সম্পর্কে কিছুই জানতাম না, এমনকি আগে কখনো এ বিষয়টি শুনিওনি। আমি তখন তাকে জিজ্ঞাসা করি,তলাকে তাফওয়ীয কি? উত্তরে সে আমাকে জানায় যে, এটি এমন একটি অধিকার/অনুমতি, যার মাধ্যমে স্ত্রী নিজে তালাক দিতে পারে।

এই কথা শুনে আমি বিষয়টির গুরুত্ব না বুঝেই কথাবার্তার এক পর্যায়ে বলি;

***ভালো না লাগলে, মন চাইলে তালাক দিয়া যাইস গা**
এরপর আমার স্ত্রী আমাকে বারবার বলতে থাকে যে, আমি যেন এই অনুমতিটি ফেরত নিয়ে নেই। কিন্তু আমি বারবারই তাকে বলেছি যে, ফেরত নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই, আমি ফেরত নেব না।
পরবর্তীতে সে আবার আমাকে অনুরোধ করে বলে ;তাহলে অন্তত ১ তালাকের অনুমতি দাও
আমার যতটুকু মনে পড়ে, তার এই কথার প্রেক্ষিতেই আমি বলেছিলাম ;৩টারই দিলাম
অথবা
৩টারই দিয়ে দিলাম
মানে কোন্টা বলছিলাম মনে নাই।তবে আমার ধারনা আমি দিলাম বা দিয়ে দিলাম কুন্টাই ব্যবহার করি নাই।আমি শুধু বলছিলাম ৩টারই।
এরপরও সে বারবার আমাকে চাপ দিতে থাকে যেন আমি অনুমতিটি ফেরত নিয়ে নেই আমিও বার বার না করতে থাকি না ফেরত নিব না।  পরে এক পর্যায়ে তার অতিরিক্ত জোরাজোরির কারণে আমি বলেছিলাম ;যাও, ফেরত নিয়া নিলাম।
এখন আমার জানার বিষয়গুলো হলো
১) আমি যেভাবে স্ত্রীকে তালাকে তাফওয়ীযের অনুমতি দিয়েছি, তা কি শুধু ওই মজলিশ (বৈঠক) পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল, নাকি তা সারাজীবনের জন্য কার্যকর হয়ে গেছে?
২) ;৩টারই দিলাম বললে এবং ৩টারই দিয়ে দিলাম বললে; এই দুই কথার শরঈ বিধান কি একই, নাকি ভিন্ন?
কারণ একজন আলেম আমাকে বলেছেন
দিলাম বললে নাকি মজলিশ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে?
**আর দিয়ে দিলাম বললে নাকি সারাজীবনের জন্য স্থায়ী হয় এবং দিলাম বললে নাকি মজলিশ পর্যন্ত স্থায়ী হয়।

এই বক্তব্যটি কতটুকু সহীহ তা দলিলসহ পরিষ্কারভাবে জানতে চাই।
৩) পরবর্তীতে আমি যে বলেছি;যাও, ফেরত নিয়া নিলাম; এর দ্বারা কি তাফওয়ীযে তালাক সম্পূর্ণভাবে বাতিল হয়ে গেছে, নাকি আগের কোনো অনুমতি এখনো কার্যকর আছে?
উপরোক্ত বিষয়গুলোর সুস্পষ্ট, দলিলভিত্তিক শরঈ ফায়সালা জানিয়ে বাধিত করবেন। আল্লাহ আপনাদের ইলম ও আমলে বরকত দান করুন।

1 Answer

0 votes
by (714,960 points)
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। 

বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । 

এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। 

আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। 

আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

...