আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
18 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (1 point)
edited by
বোঝার সুবিধার্থে বিস্তারিত বলছি..

আমি প্রথমসারির মেডিকেল হলের অবস্থা বলছি। মোটামুটি সবাইই ভালো পরিবার থেকে বিলং করে। আমাদের হলে ডাইনিং-এ যে খাবার দেওয়া হয়, তার স্বাদ বেশি একটা ভালো না। মাঝে মাঝে দেখা যায় গোস্ত সিদ্ধ হয় না ভালো করে, সবজি কাঁচা কাঁচা থাকে—এই জন্য অনেকেই খেতে পারে না। যিনি হল ম্যানেজার আছেন, তিনি দেখা যায় হঠাৎ করে অটো অন করে দেন মিল, বেশি জন যদি মিল অফ করে রাখে তাহলে। অটো মিলের কথা যদিও গ্রুপে জানিয়ে দেয়, কিন্তু দেখা যায় কিছু জন খেয়াল করে না; কারণ তারা দেখা গেছে কেউ ২/৩/৫ দিন আগে মিল অফ করেছে এবং বলেছে যে এই মাসে খাবে না, মিল আর অন করবেন না। তারপরও দেখা গেছে তারও মিল অটো অন করে ফেলা হয়েছে। এভাবে কতদিন যে তার মিল অন ছিল, জানা নাই;৭/৮/১০ দিন পর জানতে পারে যে মিল চলছিল, তখন জোর করেই টাকা দিতে হয়।

(✅১. এতে কি বান্দার হক নষ্ট হচ্ছে?)

হলে যারা মিল খায়, তারা ম্যাক্সিমামই জোর করে খায়;এটা নাকি বাধ্যতামূলক, অথচ আমাদের টাকায়ই হলের ডাইনিং চলে। আবার বেশি দিন ডাইনিংয়ের মিল অফও রাখতে দেয় না। আবার রান্নার মানও ঠিক করতে তারা সক্ষম হচ্ছে না। আবার মিল অটো অন এই নিয়ম অফ করে দিলে ডাইনিং কম চলবে। তবে রান্নার মান ভালো করলে হয়তো এমন হতো না।

(নিচের প্রশ্নগুলোর দয়া করে আলাদা আলাদা ভাবে উত্তর দেবেন, ইন শা আল্লাহ)

✅২. জোর করে মিল খাওয়ানো।এটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত? এতে কি বান্দার হক নষ্ট হওয়ার আলামত থাকে?

✅৩.মিল অটো অন।;এটা কীভাবে দেখছেন? এখানে কি বান্দার হক জড়িত? (যদিও ম্যানেজাররা বলে এটা নাকি নিয়ম)

✅৪. অনেক সময় ডাইনিং ম্যানেজার মেয়েদের পুরো মাসের টাকা গুনতে ভুল করে, মাঝে মাঝে (বেশি গুনে ফেলে)&এতে কি বান্দার হক জড়িত?

৫. এত এত সমস্যাতে আমি ডাইনিং ম্যানেজারকে কী পরামর্শ দেব? কারণ তিনি একজন দ্বীনি বোন;নামাজ, পর্দা মেইনটেইন করেন। যদিও তিনি আমার সিনিয়র (আর আমিও ডাইনিংয়ের দায়িত্বে আছি, কিন্তু জুনিয়র হওয়ার জন্য কিছু করতে পারছি না, বলতেও পারছি না)।

✅৫. ডাইনিং ম্যানেজার ডাইনিংয়ের দায়িত্ব পালনের জন্য ফ্রি-তে আমাদের টাকায় ডাইনিং-এ খায়;এটা নাকি নিয়ম। এটা কি ঠিক??

1 Answer

0 votes
by (714,870 points)
জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم

ওয়াবিসা ইবনে মা'বাদ রাযি থেকে বর্ণিত,

ﻭﻋﻦ ﻭﺍﺑﺼﺔَ ﺑﻦِ ﻣَﻌْﺒِﺪٍ  ﻗَﺎﻝَ : ﺃَﺗَﻴْﺖُ ﺭﺳﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪ ﷺ ﻓَﻘَﺎﻝَ : « ﺟِﺌْﺖَ ﺗﺴﺄَﻝُ ﻋﻦِ ﺍﻟﺒِﺮِّ؟ » ﻗُﻠْﺖُ : ﻧَﻌَﻢْ، ﻓَﻘَﺎﻝَ : « ﺍﺳْﺘَﻔْﺖِ ﻗَﻠْﺒَﻚَ، ﺍﻟﺒِﺮُّ : ﻣَﺎ ﺍﻃْﻤَﺄَﻧَّﺖْ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺍﻟﻨَّﻔْﺲُ، ﻭﺍﻃْﻤَﺄَﻥَّ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺍﻟﻘَﻠْﺐُ، ﻭﺍﻹِﺛﻢُ : ﻣَﺎ ﺣﺎﻙَ ﻓﻲ ﺍﻟﻨَّﻔْﺲِ، ﻭﺗَﺮَﺩَّﺩَ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼَّﺪْﺭِ، ﻭﺇِﻥْ ﺃَﻓْﺘَﺎﻙَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱُ ﻭَﺃَﻓْﺘَﻮﻙَ » ﺣﺪﻳﺚٌ ﺣﺴﻦٌ، ﺭﻭﺍﻩُ ﺃﺣﻤﺪُ ﻭﺍﻟﺪَّﺍﺭﻣِﻲُّ ﻓﻲ " ﻣُﺴْﻨَﺪَﻳْﻬِﻤﺎ ."

তিনি বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ এর নিকট গেলাম।রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে বললেন,তুমি কি নেকীর কাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য এসেছ?আমি বললাম জ্বী হ্যা, ইয়া রাসূলাল্লাহ!

তখন তিনি আমাকে বললেন,তুমি তোমার অন্তরের নিকট ফাতওয়া জিজ্ঞাসা করো।নেকি হল সেটা যার উপর অন্তর প্রশান্তিবোধ করে,এবং যে জিনিষের উপর অন্তর শান্ত থাকে।আর গোনাহ হল সেটা,যা অন্তরে অশান্তি সৃষ্টি করে নাড়িয়ে দেয়,এবং অন্তরকে দ্বিধান্বিত করে ফেলে।যদিও উক্ত কাজ সম্পর্কে মুফতিগণ বৈধতার ফাতাওয়া প্রদাণ করুক না কেন।(মুসনাদে আহমদ-১৭৫৪৫)

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ الزُّبَيْرِ أَبِي عَبْدِ السَّلَامِ عَنْ أَيُّوبَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مِكْرَزٍ الْفِهْرِيِّ عَنْ وَابِصَةَ بْنِ مَعْبَدٍ الْأَسَدِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِوَابِصَةَ جِئْتَ تَسْأَلُ عَنْ الْبِرِّ وَالْإِثْمِ قَالَ قُلْتُ نَعَمْ قَالَ فَجَمَعَ أَصَابِعَهُ فَضَرَبَ بِهَا صَدْرَهُ وَقَالَ اسْتَفْتِ نَفْسَكَ اسْتَفْتِ قَلْبَكَ يَا وَابِصَةُ ثَلَاثًا الْبِرُّ مَا اطْمَأَنَّتْ إِلَيْهِ النَّفْسُ وَاطْمَأَنَّ إِلَيْهِ الْقَلْبُ وَالْإِثْمُ مَا حَاكَ فِي النَّفْسِ وَتَرَدَّدَ فِي الصَّدْرِ وَإِنْ أَفْتَاكَ النَّاسُ وَأَفْتَوْكَ 

ওয়াবিসা ইবনু মা’বাদ আল আসাদী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়াবিসাকে বলেন, “তুমি আমাকে পাপ ও পুণ্য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে এসেছ?” তিনি বলেন, হাঁ। তিনি বলেন, তখন তিনি তাঁর আঙ্গুলগুলি মুষ্টিবদ্ধ করে তা দ্বারা তার বুকে আঘাত করে বললেন: “হে ওয়াবিসা! তুমি তোমার নাফসকে জিজ্ঞেস কর, তোমার অন্তরকে জিজ্ঞেস কর।”- একথা তিনি তিনবার বললেন। “তোমার নাফস বা মন যে বিষয়ে প্রশান্তি বা নিশ্চিন্ততা লাভ করে, তোমার অন্তর যে বিষয়ের প্রতি প্রশান্ত- নিশ্চিন্ত হয়-তা-ই হলো পূণ্য। আর তোমার মন যে বিষয়ে চিন্তিত হয়, তোমার অন্তরে যা ইতস্ততবোধ বা দ্বিধা সঞ্চার করে-তা-ই হলো পাপ। লোকেরা যদি তোমাকে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়, তবে তুমি তা গ্রহণ করবে।”

(সুনানে আদ দারেমী ২৫৭১)


ইসলাম মানুষকে যেসব উন্নত চরিত্রের শিক্ষা দেয়, তন্মধ্যে অন্যতম গুণ বা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অঙ্গীকার, প্রতিশ্রুতি ও চুক্তির বাস্তবায়ন। যেকোনো ভালো কাজের অঙ্গীকার পূরণ করা ওয়াজিব।

 পবিত্র কোরআনে ওয়াদার প্রতি গুরুত্বারোপ করে ইরশাদ হয়েছে, 
يا ايها الذين امنوا اوفوا بالعقود
'হে ইমানদারগণ! তোমরা অঙ্গীকারগুলো পূর্ণ করবে।' (সুরা আল-মায়িদা, আয়াত : ১)
الا الذين عاهدتم من المشركين.....

তবে যেসব মুশরিকের সঙ্গে তোমরা চুক্তি করেছ, পরে তারা চুক্তি রক্ষার ব্যাপারে কোনো ত্রুটি করেনি, আর তারা তোমাদের বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্যও করেনি, তাদের সেই চুক্তি তোমরা মেয়াদকাল শেষ হওয়া পর্যন্ত পূর্ণ করবে। অবশ্যই আল্লাহ দায়িত্বনিষ্ঠদের ভালোবাসেন। (সুরা তাওবা, আয়াত ৪)
,
ওয়াদা (চুক্তি) পালনকারীকে আল্লাহ তায়ালা ভালোবাসেন। যেমন তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি তার ওয়াদা পূর্ণ করে এবং তাকওয়া অবলম্বন করে তার জানা উচিত যে, আল্লাহ তায়ালা তাকওয়াবানদের ভালোবাসেন।’ (সূরা আলে ইমরান : ৭৬)। 
.
ইসলামে অমুসলিমদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি লঙ্ঘন করা থেকেও নিষেধ করা হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, '(অমুহাজির মুসলমানরা) তোমাদের সাহায্য চাইলে তাদের সাহায্য করা তোমাদের অবশ্যকর্তব্য, তবে সে সাহায্য যদি এমন কোনো (অমুসলিম) সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হয়, যাদের সঙ্গে তোমাদের কোনো চুক্তি আছে, তবে নয়।' (সুরা আনফাল, আয়াত : ৭২)
.
চুক্তি মোতাবেক কাজ করা ইমানের একটি অপরিহার্য বিষয়। প্রকৃত মুমিন ব্যক্তি কখনো তাঁর ওয়াদা ভঙ্গ করেন না। নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও তাঁরা ওয়াদা রক্ষা করেন। নবীজি (সা.) ওয়াদা করলে যেকোনো মূল্যে তা পালন করতেন। ইসলামে ওয়াদা পালনের ব্যাপারে শত্রু-মিত্র, মুসলিম-অমুসলিম কোনো ভেদাভেদ নেই। এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হুদায়বিয়ার সন্ধি। রাসুলুল্লাহ (সা.) ও কুরাইশদের মধ্যে এ সন্ধিচুক্তি ৬২৮ খ্রিস্টাব্দে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু কুরাইশরা যখন এ সন্ধির চুক্তি ভঙ্গ করে, তখন মহানবী (সা.) অগত্যা এ সন্ধি নাকচ করে দেন। এ ছাড়া কাফিরদের সঙ্গে আরো বহু চুক্তি হয়েছে। যেসব কাফির চুক্তি ভঙ্গ করেনি, এই আয়াতে তাদের সঙ্গে চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

আরো জানুনঃ- 

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
(১-৩) 
জোর করে মিল খাওয়ানো।এটা যুক্তিযুক্ত নয়। এতে কি বান্দার উপর জুলুম হচ্ছে।

এখানে উক্ত হলের যেহেতু নিয়ম রয়েছে যে চাইলে মিল বন্ধ রাখা যাবে, তাই এক্ষেত্রে মিল বন্ধ করার পর মিল চালু না করার আগ পর্যন্ত অটো পদ্ধতিতে মিল চালু রেখে এভাবে সাত আট দিনের টাকা উসুল করে নেয়া এটা বান্দার হক নষ্টের শামিল।

তবে যদি উক্ত হলের নিয়ম এরকম হয় যে হলে অনুপস্থিত অবস্থায় মিল বন্ধ রাখা গেলেও হলে উপস্থিত থাকাকালে মিল চালু রাখতেই হবে।

এক্ষেত্রে হলে উপস্থিত থাকাকালীন মিল বন্ধ রাখলেও তা অটো ভাবে চালু হয়ে যাবে, এটি যদি হল কর্তৃপক্ষের নিয়ম হয়, আপনারা যদি সে নিয়ম মেনেই সেখানে থাকার ব্যপারে চুক্তিবদ্ধ হয়ে থাকেন, এক্ষেত্রে এভাবে অটো মিল চালু হয়ে যাওয়াতে তাদের হক নষ্টের গুনাহ হবে না। কেননা আপনারা সেই নিয়মের আলোকেই চুক্তিবদ্ধ।

(০৪)
এতে বান্দার হক নষ্টের গুনাহ হবে।

(০৫)
এত এত সমস্যাতে আপনি ডাইনিং ম্যানেজারকে পরামর্শ দিবেন যে,
এসব সমস্যার মূল হলোঃ
খাবারের স্বাদ না হওয়া, গোস্ত সিদ্ধ না হওয়া, সবজি কাঁচা কাঁচা থাকা।

সুতরাং হল কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে এসব বিষয় সমাধান করলে আশা করি প্রশ্ন উল্লেখিত সমস্যাগুলোর সমাধান হয়ে যাবে।

এজন্য যদি খাবার বাবদ খরচ আরো বেশি দিতে হয় বা অন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহন করতে হয়, সেক্ষেত্রে পরামর্শ ভিত্তিক সে ধরনের সেই ধরনের যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিবেন

★ডাইনিং ম্যানেজার ডাইনিংয়ের দায়িত্ব পালনের জন্য ফ্রি-তে যে আপনাদের টাকায় ডাইনিং-এ খায়,এটা যদি কর্তৃপক্ষের আইন হয়,তাহলে কোনো সমস্যা নেই।

অন্যথায় এটি অনিয়ম।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...