জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
হাদীস শরীফে এসেছেঃ-
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ:
مَا خَلَّفَ عَبْدٌ عِنْدَ أَهْلِهِ أَفْضَلَ مِنْ رَكْعَتَيْنِ يَرْكَعُهُمَا عِنْدَهُمْ حِينَ يُرِيدُ سَفَرًا
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“কোনো বান্দা যখন সফরের ইচ্ছা করে, তখন পরিবারের কাছে দুই রাকাত নামাজ পড়ে যাওয়ার চেয়ে উত্তম কোনো জিনিস সে পেছনে রেখে যায় না।”
(আত-তাবারানী, আল-মুজামুল কাবীর)
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ জিহাদ/দাওয়াতের কাজে বের হওয়ার আগে নামাজ পড়ে বের হতেন। এ প্রেক্ষিতেই মূলত আমাদের দেশেও অমুসলিমদের দাওয়াত দেওয়ার আগে নামাজ পড়ে দোয়া করে বের হওয়া হয়, এটি সুন্নতের খেলাফ বা বিদআত হবে না।
(০২)
এটি বুযুর্গানে দ্বীনের আমল।
এতে বরকত ও আল্লাহর রহমত নাযিল এর আশা করা হয়।
এটি বৈধ।
তবে এই পদ্ধতিকে জরুরী বা দ্বীনের অংশ মনে করা যাবেনা।