আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
31 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (4 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম। হুজুর আমার বিয়ে হয় আরও ৫বছর আগে।বিয়ের ৩মাসের মাথায় আমার হাসব্যান্ড আমার সাথে ভাল কথা বলছিল কিন্তু এক পর্যায় সে কুন কারন ছাড়াই  বলেছিল সবার সাথে মিলেমিশে থাকবে আমার পরিবার মা বাবার সাথে উলটা পালটা কিছু করলে একেবারে ডিভোর্স দিয়া দিব। একদম ডিভোর্স দিয়া দিব।  উলটা পালটা কিছু করলে নগত ডিভোর্স। ডিভোর্স দিয়ে দিব বলার পাশাপাশি সে এটাও বলেছিল  উলটা পালটা কিছু করলে নগত ডিভোর্স । তখন ইসলাম নিতে এত জ্ঞান ছিল না।৩বছর পর আমি জানতে পারি যে এসব বললে তালাক হয়।তখন আমি তাকে জিগাস করি  উলটা পালটা করলে নগত ডিভোর্স এই কথাটা কেন বলছ তালাক দিয়ে দিবে এই নিয়তে বলছ নাকি তালাক দিয়া দিছ এই নিয়তে বলছ? সে বলে এমনি বলছি তালাক দেয়ার জন্য বলি নাই ভবিষ্যতে তালাক দিব এই নিয়তেও বলি নাই।এরপর আবার আরেকদিন  জিগাস করি কথাটা  কিভাবে বলছিলা  উল্টো পালটা করলে তখন নগত ডিভোর্স এটা বলছ নাকি উল্টো পালটা করলে  নগত ডিভোর্স এভাবে  বলছ? কারন অনেক আগের হওয়ায় আমিও ভুলে গেছিলাম। সে বলে আমার মনে নাই কেমনে বলছি।এরপর আমি এই প্রশ্নটা অনেকবার কিছু মাস পরপর  জিগাস করি সে কেন বলছে সে বলে এমনি বলছি।আবার কখন বলে ভয় দেখানুর জন্য বলছি।লাস্ট তাকে আমি কিছু দিন আগে জিগাস করি তুমি কি তালাক দিয়া দিচ্ছ এই উদ্দেশ্য কথাটা বলছ নাকি ডিভোর্স দিবা এই উদ্দেশ্য বলছ। সে বলে আমি  ডিভোর্স দিব এই উদ্দেশ্য বলেছি।আমার বুনের সাথে বলে আমি কুন জিবনে একবার ভয় দেখানুর জন্য বলছিলাম মা বাবা সাথে উলটা পালটা করেল নগত ডিভোর্স সে সেটা নিয়াই পরে আছে।পরের দিন ভালোই কথা বলছিলাম হটাৎ সে আমাকে নিজ থেকে এসে বলিতাছে তুমি  কেন হুজুরদের  তালাক নিয়ে জিগাস কর??হুজুরদের সাথে কেন কথা বল।পর পুরুষের সাথে কিসের কথা ।সে বলতাছে আমি বলছি যে ডিভোর্স দিয়া  দিব আমি কখন বলি নাই যে নগত ডিভোর্স এখন সে এটা ভুলে গেছে কিন্তু হুজুর আমার আগের কল রেকর্ডে আমি সুনেছি সে এটা বলেছে যে নগত ডিভোর্স কিন্তু আমার মুভাইল্টা হারিয়ে গেছে তাই সেটা এখন দেখান সম্ভব না।তবে আমি তাকে বলি নাই তুমি কসম করে বল যে তুমি  নগত ডিভোর্স বল নাই তুমজ শুধু ডিভোর্স দিয়া দিবে বলছ। সে সাভাবিক বলছে এই কথা বলে নাই।আর আমিও শুনছি কি করব বুজতাছিনা।.
১।এখানে কি তালাক হয়েছে?সে তো  সিকার করতাছেনা।
২।রিসেন্ট আমি আমি কেন হুজুরদের তালাক নিয়ে প্রশ্ন করি  যে আমাদের মাজে তালাক হল কিনা তার সেই কথা গুলার কারনে তাই আমার হাসব্যান্ড আমি কেন তালাক নিয়ে হুজুরদের প্রশ্ন করি তাই সে রেগে যায়।আমি বলেছিলাম তুমি তালাকের কথা না বল্লেইত আমি হুজুদের প্রশ্ন করি নাহ।সে বলে তালাক হয়ে গেছে ডিভোর্স হয়ে গেছে এখন করনীয় এভাবে বলছিল নাকি এভাবে বলেছিল যে তালাক হয়ে গেছে ডিভোর্স হয়ে গেছে করনীয়? মনে নাই ।আমি আসলে বুজতে পারছিলাম না উনি এই কথাটা কেন বলতাছে। আমি বুজতে না পেরে কথাটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে  নেওয়ার জন্য  নিজ থেকেই বলি হুজুর বলছে তালাক হয় নি।সে হলে ধর তালাক হল এখন করনীয়।ত আমি তাকে জিগাস করি কথাটাগুলা বুজানুর জন্য বলছ সে বলেছে হা।  আমি আবার জিগাস করলে বলে না বুজানুর জন্য বলি নাই(হয়ত তালাক প্রদানের উদ্দেশ্য বলছে সেটা বুজাইতে চাইছে নাকি বুজাইতে চাইছে জানিনা) তবে আমি শুধু জিগাস করছিলামা কথাগুলা কি তুমি বুজানুর জন্য বলছ সে বলছে না বুজানুর জন্য বলি নাই এর থেকে  বেশি কিছু বলে নাই।আবার জিগাস করলে বলে  না বুজানুর জন্য বলি নাই।পরে আমি আবার কল দিয়ে জিগাস করি কেন এই কথা বলছে সে বলে কল কাট আমি বলছিনা বলা না পর্যন্র কাটব না  তখন বলে হ্যা বুজানুর জন্য বলেছি (মানে উদাহারন হিসাবে বুজানুর জন্য বলেছে) ।তুমি সাধারন একটা কথাতে ও নিয়ত জিগাস কর তাই বলেছি বুজানুর জন্য বলি নাই  বলছি আমি বুজানুর জন্যই বলেছি। কিন্তু সে যে বুজানু র জন্যই উক্ত কথা বলেছে তা তাকে কসম করে বলতে বলি নাই  যে বল আল্লাহর কসম আমি বুজানুর জন্যই বলেছি নরমাল জিগাস করছি আর নরমাল উত্তর দিছে। সে আমার বুনকে কল দিয়ে বলে একটা কথা আমি বুজানুর জন্য বলছি এটাতেও সে নিয়ত জিগাস করে তাই আমি ত্যারা উত্তর দিয়েছি।কিন্তু এখানেও তাকে কসম করে বলতে বলি নাই যে তুমি কসম করে বল তুমি ধর শব্দ উল্লেখ করে বলেছ উল্লেখ না করে বলনাই এমনি সাধারন ভাবে বলছে আর সাধারন ভাবে শুনেছি এখানে কি তালাক হয়েছে?সে আজকে আবার বল্পতাছে আমি যদি ধর শব্দ উল্লেখ নাও করে থাকি আমি এটা দিয়ে উদাহরণ হিসাবেই বুজাতে চেয়েছি তালাক হয়ে গেল কি করবা।কিন্তু কসম করে বলে নাই যে আমি উদাহরণ হিসাবে বুজাতে বলেছি

১****প্রশ্নটি হল হুজুর প্রথমে সে ধর শব্দ উহ্য রেখে মানে  উল্লেখ না করে বলেছিল তালাক হয়ে গেছে ডিভোর্স হয়ে গেছে করনীয়?  একথা সে কেন বল্ল আমি বুজি নাই আমি বিষয়টা অন্য দিকে নেওয়ার ঘুরিয়ে  জন্য বলেছি যে হুজুর বলছে তালাক হয় নি পরে সে বলেছে ধর তালাক হল তখন?? কিন্তু সে যে প্রথমে ধর কথা না হলে অই কথা বলছিল।আমরা মুবাইলে কথা বলতাছিলাম তবে কি আমি ভুল শুনলাম ভুলত শুনার কথা না।  আমি তাকে পরে প্রায় ৭দিন নাকি ১০দিন নাকি আরও আগে সঠিক মনে নাই  জিগাস করি তুমি যে ধর কথা উল্লেখ না করে বলছিলে তালাক হয়ে গেছে ডিভোর্স হয়ে গেছে  করনীয় এটা কেন বলছিলা  ?? সে বলে কখন বললাম আমি ধর শব্দ উল্লেখ করেই বলেছি। কিন্তু আমি স্পষ্ট শুনেছি সে প্রথমে ধর শব্দ না বলে এই কথা বলেছে এখন সে ত ভুলে গেছে এই কথা সে যে বলেছে উক্ত কথার দারা কি তালাক দেয়া উদ্দেশ্য ছিল নাকি অন্য  কিছু বুজাতে বলছে তা কিভাবে বুজব সেত ভুলে  গেছে এখানে কি কুন তালাক হবে হুজুর??? আমরা মুবাইলে কথা বলতাছিলাম।আমি কি তবে ভুল শুনলাম ভুলত শুনাত কথা না দয়া করে জানাবেন তালাক হল কিনা?
৩।বিয়ের বয়স যখন ৪মাস চলে তখন একদিন রাতের বেলা সে কোলবালিশকে জড়িয়ে ধরে আমার সাথে দুষ্টামি করে বলে কোলবালিশ আমার বউ।আজকে রাতের জন্য তুমি ডিভোর্স। আমি খুব রেগে যাই সে কেন এই কথা বলে সে বলে আমি ত তালাক দেওয়ার জন্য বলি নাই আমি মজা করে বলেছি।
এখানে যে  ৩টি ঘটনা বর্ননা করলাম এখানে মোট কত তালাক হয়েছে জানাবেন?

1 Answer

0 votes
by (750,030 points)


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।
https://idaars.com/courses/waswasa/

বিঃদ্র
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 167 views
...