আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
43 views
in পবিত্রতা (Purity) by (33 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহ্
উস্তায, আমি PCOS এর রোগী। যে কারনে অনিয়মিত হায়েজ হয়। ২/৩ মাস গ্যাপ দিয়েও আমার হায়েজ হয়। ৭ দিন থাকে।

গত ২ মাস যাবত, একমাসে ২ বার করে হায়েজ হচ্ছে। গতমাসে  ১ম বার ৭ দিন রক্তপ্রবাহ থাকে, ১৫ দিন পরে পূনরায় রক্ত দেখা যায় এবং সেটা ৩/৪ দিন থাকে।
এবং এইমাসে, মেন্সট্রুয়েশন গননায় নরমাল যখন হায়েজ হওয়ার কথা তখন ৭ দিন হায়েজ থাকে। তার ১৫ দিন পরে এখন আবার ব্লিডিং শুরু হয়েছে। গতমাসের সাথে আন্দাজ করলে মনে করছি এটাও ৩/৪ দিন থাকবে।

প্রশ্ন:

১. যেহেতু মাঝখানে ১৫ দিন পবিত্রতার গ্যাপ থাকছে আমি কি উভয় সময়টাকেই হায়েজ হিসেবে ধরবো?

২. ইস্তিহাজা হলে নামাজের নিয়মটা বলে দিয়েন মিন ফাদ্বলিক
(অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন)
৩. ইস্তিহাজা অবস্থায় কি নামাজ পড়তে হয়? নাকি পরবর্তীতে কাযা করে নিতে হয়?
৪. কোথাও শুনেছিলাম প্রতি ওয়াক্তে ওযু করে ব্যবহৃত প্যাড পরিবর্তন করে নামাজ পড়ে নিতে হয় সেটা কি প্রত্যেক ইস্তিহাজা আক্রান্ত রোগীর জন্য?

1 Answer

+1 vote
by (750,030 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
দুই হায়েযের মাঝখানে পাক থাকার মুদ্দৎ কমের পক্ষে পনের দিন, আর বেশীর কোন সীমা নাই। অতএব, যদি কোন মেয়েলোকের কোন কারণবশতঃ কয়েক মাস যাবৎ হায়েয বন্ধ থাকে, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত ঋতুস্রাব না হইবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে পাক থাকিবে। 

(১৩) মাসআলাঃ 
যদি কোন মেয়েলোকের তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখা যায়, তারপর ১৫ দিন পাক থাকে; আবার তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখে, তবে আগেকার তিন দিন তিন রাত এবং পনের দিনের পর তিন দিন তিন রাত হায়েয ধরিবে। আর মধ্যকার দিন পাক থাকার সময়।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7474


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
২৫ ডিসেম্বর থেকে ১৫ দিন পর যেই রক্তস্রাব দেখা দিবে, সেই রক্তস্রাব যদি তিনদিন তিনরাত স্থায়ী হয়, তাহলে সেই রক্তস্রাব হায়েয হিসেবে গণ্য হবে। আর ১৫ দিনের পূর্বের রক্তস্রাব ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য হবে।

(১) যেহেতু মাঝখানে ১৫ দিন পবিত্রতার গ্যাপ থাকছে, তাই আপনি উভয় সময়টাকেই হায়েজ হিসেবে ধরবেন।
(২) ইস্তিহাজা হলে নামাজের পৃথক কোনো নিয়ম নেই বরং সাধারণ নামাযের মতই নামায পড়তে হবে। তবে অজুর বেলায় প্রতি ওয়াক্তে একবার অজু করে নিলেই হবে।ওয়াক্ত চলে গেলে অজুও চলে যাবে।
(৩) ইস্তিহাযা অবস্থায় নামাজ পড়তে হবে। 
(৪) প্রতি ওয়াক্তে ওযু করে ব্যবহৃত প্যাড পরিবর্তন করে নামাজ পড়ে নিতে হবে। এটা প্রত্যেক ইস্তিহাজা আক্রান্ত রোগীর বেলায়ই প্রযোজ্য। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (33 points)
মাফ করবেন উস্তায, 
১. ২৫ ডিসেম্বর তারিখ টা ক্লিয়ার না। ১৫ ডিসেম্বর লিখতে চেয়েছেন কি?
২. ১৫ দিন পূর্বের রক্তস্রাব যে ইস্তিহাযা ছিলো এটা আমি জানতে পারবো ১৫ দিন পরে। তাহলে আমি কি তখন উক্ত ৩/৪ দিনের নামাজ কাযা করবো? 
নাকি সতর্কতা স্বরূপ চলমান ৩/৪ দিন ইস্তিহাযা ধরে নিয়ে আমি এখন নামাজ চালিয়ে যাবো?

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 69 views
...