আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
45 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (4 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
সন্তানদের জামা যেগুলো আর পরবে না, সেগুলো দান করে দেওয়া যাবে বাচ্চার  অনুমতি ছাড়া? শরীয়াহগত কোন নিষেধ আছে?
এবং এক বাচ্চার জামা অন্য বাচ্চাকে পড়ানো যাবে? অর্থাৎ আমার এক সন্তানের জামা কি আমি অন্য সন্তানকে পরাতে পারবো সেই সন্তানের অনুমতি ছাড়া?
আমার বাচ্চাকে কেউ একটা জামা হাদিয়া দিল শার্ট প্যান্ট। আমি এটা বাচ্চাকে পড়াবো না। সে ক্ষেত্রে কি আমি বাচ্চার অনুমতি ছাড়া এটা দান করে দিতে পারব অন্য কাউকে?

1 Answer

0 votes
by (750,000 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত,
عن ابن عباس قال;قال رسول اللّٰه صلى اللّٰه عليه و سلم ﻻ ﻳﺤﻞ ﻣﺎﻝ ﺍﻣﺮﺉ ﻣﺴﻠﻢ ﺇﻻ ﺑﻄﻴﺐ ﻧﻔﺲ ﻣﻨﻪ " 
নবী কারীম সাঃ বলেনঃ"কোন মুসলমানের জন্য  অন্য কোনো মুসলমানের মাল তার অন্তরের সন্তুষ্টি ব্যতীত হালাল হবে না। (তালখিসুল হাবীর-১২৪৯)আরো জানুন- https://www.ifatwa.info/3747

নাবালক সন্তানের টাকা মায়ের নিজের জন্য খরচ করা বা ব্যবহার করা জায়েয হবে না। হ্যা, সাবালক সন্তানের অন্তরের সন্তুষ্টিতে যদি মা ব্যবহার করতে চায়, তাহলে সেটা জায়েয হবে।
"و لایجوز أن یهب شیئًا من مال طفله و لو بعوض."
(الدر المختار علی هامش رد المحتار ٤/٧٠٧)

এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/91342

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
সন্তানদের জামা যেগুলো সে আর পরবে না, সেগুলো বাচ্চার অনুমতি ব্যতিত দান করে দেওয়া যাবে। এক বাচ্চার জামা অন্য বাচ্চাকে পড়ানো যাবে না। তবে যদি সেই বাচ্চার জরুরত না থাকে, বা জামাটি ছোট হয়ে যায়, তাহলে অন্য বাচ্চাকে পড়ানো যাবে। মোটকথা, বাচ্চার অপ্রয়োজনীয় জিনিষ - যা কখনই বাচ্চার প্রয়োজনে আসবে না-  দান করা যাবে। সুতরাং কেউ যদি আপনার বাচ্চাকে শার্ট প্যান্ট হাদিয়া দেয়, এখন আপনি যদি এটা বাচ্চাকে পড়াবেন না বলে সিদ্ধান্ত নেন। তাহলে এক্ষেত্রে আপনি বাচ্চার অনুমতি ছাড়া এটা অন্যকে দান করে দিতে পারবেন। নাবালক বাচ্চার কোনো জিনিষ মাতাপিতা দান করলে মাতাপিতার উচিত নিজ পক্ষ থেকে বাচ্চাকে কোনো কিছু কিনে দেয়া। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...