জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
বিতর নামাজে শেষ রাকাতে সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা মিলানোর পর তাকবির বলে পুনরায় হাত বেধে দাঁড়ানো অবস্থায় দেয়ায়ে কুনুত পাঠ করবেন, এটি হানাফী মাযহাবের পদ্ধতি। ভিন্ন মাযহাবে ভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে, সুতরা তাদের মতানুসারীগন তাদের মত অনুযায়ী আমল করতে পারেন।
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
أخرجه ابن أبي شيبة في "مصنفه" (6948) من طريق لَيْثٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْأَسْوَدِ ، عَنْ أَبِيهِ ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ، ( كَانَ إِذَا فَرَغَ مِنَ الْقِرَاءَةِ كَبَّرَ ثُمَّ قَنَتَ ، فَإِذَا فَرَغَ مِنَ الْقُنُوتِ ، كَبَّرَ ثُمَّ رَكَعَ ).
সারমর্মঃ
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাঃ যখন কিরাআত শেষ করতেন,তখন তাকবির বলতেন,অতঃপর দোয়ায়ে কুনুত পড়তেন,যখন দোয়ায়ে কুনুত থেকে ফারেগ হতেন,তখন তাকবির বলতেন,রুকুতে যেতেন।
أخرجه ابن أبي شيبة في "مصنفه" (7040) من طريق أبي إسحاق عن الحارث عن علي ا َنَّهُ كَانَ يَفْتَتِحُ الْقُنُوتَ بِالتَّكْبِيرِ ) .
সারমর্মঃ
হযরত আলী রাঃ দোয়ায়ে কুনুতকে তাকবির দিয়ে শুরু করতেন।
أخرجه عبد الرزاق في "مصنفه" (4959) ، وابن أبي شيبة في "مصنفه" (7033) ، والطحاوي في "شرح معاني الآثار" (1375) ، من طريق مُخَارِقٍ ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ ، ( أَنَّهُ صَلَّى خَلْفَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ الْفَجْرَ ، فَلَمَّا فَرَغَ مِنَ الْقِرَاءَةِ كَبَّرَ ، ثُمَّ قَنَتَ ، ثُمَّ كَبَّرَ ، ثُمَّ رَكَعَ ).
وإسناده صحيح .
সারমর্মঃ
ওমর ইবনুল খাত্তাব রাঃ যখন কিরাআত থেকে ফারেগ হলেন, তখন তাকবির বলেন,অতঃপর দোয়ায়ে কুনুত পড়েন,যখন দোয়ায়ে কুনুত থেকে ফারেগ হলেন,তখন তাকবির বলে রুকুতে যেতেন।
(০২)
শরীয়তের বিধান হলো অযুর সময় ঘাড় তথা গরদান মাসাহ করা মুস্তাহাব।
(নাজমুল ফাতওয়া ২/৩১)
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْمَازِنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَجُلاً، قَالَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ ـ وَهُوَ جَدُّ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى ـ أَتَسْتَطِيعُ أَنْ تُرِيَنِي، كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتَوَضَّأُ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ نَعَمْ. فَدَعَا بِمَاءٍ، فَأَفْرَغَ عَلَى يَدَيْهِ فَغَسَلَ يَدَهُ مَرَّتَيْنِ، ثُمَّ مَضْمَضَ وَاسْتَنْثَرَ ثَلاَثًا، ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ ثَلاَثًا، ثُمَّ غَسَلَ يَدَيْهِ مَرَّتَيْنِ مَرَّتَيْنِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ، ثُمَّ مَسَحَ رَأْسَهُ بِيَدَيْهِ، فَأَقْبَلَ بِهِمَا وَأَدْبَرَ، بَدَأَ بِمُقَدَّمِ رَأْسِهِ، حَتَّى ذَهَبَ بِهِمَا إِلَى قَفَاهُ، ثُمَّ رَدَّهُمَا إِلَى الْمَكَانِ الَّذِي بَدَأَ مِنْهُ، ثُمَّ غَسَلَ رِجْلَيْهِ.
ইয়াহ্ইয়া আল-মাযিনী (রহ.) হতে বর্ণিত। জনৈক ব্যক্তি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাযি.)-কে (তিনি ‘আমর ইবনু ইয়াহইয়ার দাদা) জিজ্ঞেস করলঃ আপনি কি আমাদেরকে দেখাতে পারেন, কীভাবে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উযূ করতেন? ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাযি.) বললেনঃ ‘হাঁ। অতঃপর তিনি পানি আনালেন। হাতের উপর সে পানি ঢেলে দু’বার তাঁর হাত ধুলেন। তারপর কুলি করলেন এবং তিনবার নাকে পানি দিয়ে নাক ঝাড়লেন। অতঃপর চেহারা তিনবার ধুলেন। তারপর দু’হাত কনুই পর্যন্ত দু’বার করে ধুলেন। তারপর দু’হাত দিয়ে মাথা মাসেহ করলেন। অর্থাৎ হাতদু’টি সামনে এবং পেছনে নিলেন। মাথার সম্মুখ ভাগ থেকে শুরু করে উভয় হাত পেছনের চুলের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত নিলেন। তারপর আবার যেখান থেকে শুরু করেছিলেন, সেখানেই ফিরিয়ে আনলেন। তারপর দু’পা ধুলেন।
(বুখারী শরীফ ১৮৬, ১৯১, ১৯২, ১৯৭, ১৯৯; মুসলিম ২/৭, হাঃ ২৩৫, আহমাদ ১৬৪৪৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৫)
وفی الھندیۃ (۸/۱): الفصل الثالث فی المستحبات۔۔۔والثانی مسح الرقبۃ ھو بظہر الیدین۔
সারমর্মঃ হাতের পিঠ দ্বারা গরদান মাসাহ করা মুস্তাহাব।
আরো জানুনঃ-
(০৩)
উমাইর সঠিক।