আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
17 views
ago in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (22 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ
আমার দুইটা প্রশ্ন-

১। কেও একজন ব্যংকে চাকরি করে তার টাকা যা হারাম সেই টাকা দিয়ে কোল্ড ড্রিংকস এবং আইস্ক্রিম এর ফ্রিজ কিনে তার কনফেকশনারি ব্যাবসায়ে যুক্ত করলো। তারপর ফ্রিজ থেকে কোল্ড ড্রিংকস ও আইস্ক্রিম বিক্রি করলো।তার ব্যসায়ের বাকি সব টাকা হালাল যতটুকু জানি। এখন এটুকুর জন্য কি পুরো ব্যবসার ইনকামই কি হারাম হয়ে যাবে? যেহুতু ব্যংক থেকে ইনকামের টাকায় কিনবে।


২।আমি মনে মনে নিয়্যাত করেছিলাম যদি কখনো নিজে ইনকাম করতে পারি তাহলে প্রথম মাসের বেতন পুরোটা সদাকাহ করবো।

তারপর আমার ছোট বোনকে আমি বাসায় পড়াতাম আর জোর করে অনেক বলে আমার বেতন নিতাম।তখন আমি ধরেই নিয়েছিলাম এটাই আমার প্রথম ইনকাম আর প্রথম মাসের টাকার পরিমাণ আমি সদাকাহ ও করেছিলাম।
এখন আমি একটা মাদ্রাসায় পড়ানোর সুযোগ পাচ্ছি ইনশাআল্লাহ। এখন আমার মন বলছে আগের টা আমার প্রথম ইনকাম হয়নি যেহুতু নিজের আপন বোনকে পড়িয়ে নিজের বাবার থেকেই টাকা নিয়েছি।আমার মন বলছে মাদ্রাসায় চাকরি করার পর যে টাকা পাবো এটা প্রথম ইনকাম আর এটাই সদাকাহ করতে হবে।
আমার প্রশ্ন মাদ্রাসার প্রথম ইনকাম যদি পুরোটা সদাকাহ না করি তাহলে কি গুনাহ হবে?  আল্লাহ কি আমার উপর নারাজ হবেন?
আমি কি করা উচিত বুঝতে পারছি না আসলে।

1 Answer

0 votes
ago by (634,080 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
হারাম মূল দ্বারা যদি কেউ হালাল উপায়ে কিছু উপার্জন করে, যে উপার্জনের তার শ্রমও থাকবে, ফুকাহায়ে কেরামের মতে এখানে মূলধন হারাম থাকার কারণে ঐ ব্যক্তির উপার্জন হারাম হবে না। বরং হালালই থাকবে। কেননা এখানে তার হালাল শ্রম রয়েছে। এবং পদ্ধতিও হালাল ছিল। হ্যা, তার উপর ওয়াজিব,সে ঐ হারাম মূলধনকে তার মালিকের নিকট ফিরিয়ে দিবে বা সওয়াবের নিয়ত ব্যতীত সদকাহ করে দিবে। কারো সামর্থ্য থাকাবস্থায় হারাম মূলধন দ্বারা ব্যবসা করা কখনো জায়েয হবে না। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/2941

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) কেউ একজন যদি তার হারাম ইনকাম দ্বারা ফ্রিজ কিনে তার কনফেকশনারি ব্যাবসায়ে যুক্ত করে, তাহলে তার ব্যবসার ইনকাম হারাম হবে না। হ্যা, তার উপর ওয়াজিব যে, সে তার ঐ হারাম ইনকামের টাকা দ্বারা ক্রয়কৃত ফ্রিজ সদকাহ করে দিবে।

(২) আপনি যখন মান্নত করেছিলেন, তখন কোন প্রতিষ্টানের চাকুরীর ইনকামের নিয়ত করেছিলেন কি না? সেটা আপনাকে নির্ধারণ করতে নিতে হবে। সাধারণত এই রকম কথা দ্বারা প্রতিষ্টানের ইনকামকেই উদ্দেশ্য করা হয়ে থাকে। বোনকে পড়ানো কোনো চাকুরী না। তাই আপনি এখন যেই প্রতিষ্ঠানে পড়াবেন, সেখানে যা হাদিয়া পাবেন, বোনকে পড়ানো বাবাৎ যা পেয়েছিলেন, এখন অতিরিক্ত যা বাকী ছিলো, সেগুলোও সদকাহ করে দিবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...